স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর তিনটি কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলটির ঘোষিত ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে দলটির ভিশন হলো ‘নৈতিক ও উন্নত জাতি গঠনে সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষা’। এতে বলা হয়েছে, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
যদিও সরকার ইতিমধ্যে রাজধানীর সরকারি ৭টি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ।
স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের কথাও বলেছে জামায়াত। শিক্ষা বাজেট বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে চায় দলটি।
ইশতেহারে জামায়াত বলেছে, শিক্ষাকে সহজ ও সর্বজনীন করার জন্য সব স্তরের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন ফি বাদ দেওয়া হবে। পাঠ্যপুস্তক থেকে ফ্যাসিবাদী উপাদান অপসারণ করে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হবে।
নারী শিক্ষার ব্যাপারে দলটি বলেছে, শিক্ষার সব ক্ষেত্র ও স্তরে নারীর সমান প্রবেশাধিকার ও অধিকার সংরক্ষণ করা—যাতে নারী তার ইচ্ছে অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ ও কর্মে প্রবেশ করতে পারে। নারীরা স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনা করতে পারবেন।
বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে সরকারিভাবে বিনা-সুদে প্রথম দুই সেমিস্টার ফি প্রদান, দরিদ্র (যাকাত পাওয়ার যোগ্য) শিক্ষার্থীদের মাসে তিন হাজার টাকা করে প্রদান, স্নাতক পর্যায়ে (বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা) ১ লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসে ১০ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পৃথক নিয়োগ পদ্ধতি ও বেতন কাঠামো প্রচলন করা, মাদরাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখে কারিকুলামকে আধুনিকায়ন এবং সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষানীতি গ্রহণ, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলো প্রাইমারি স্কুলের মতো সরকারি করা ও প্রতি জেলায় একটি করে আলিয়া মাদরাসা সরকারিকরণের কথাও বলেছে জামায়াত।
কওমী মাদরাসার ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও হাইয়াতুল উলইয়ার সার্টিফিকেটের যথাযথ মূল্যায়নসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার বিষয়টিও ইশতেহারে রেখেছে দলটি। দেশ-বিদেশে ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার (থিওলজি) জন্য যোগ্য ইসলামী স্কলার তৈরির জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা, উচ্চতর ইসলামী ইনস্টিটিউট বা সেন্টার প্রতিষ্ঠাসহ প্রয়াজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে জামায়াত।
ইশতেহারে জামায়াত বলেছে, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষার জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। ইংরেজি, আরবিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ভাষা বিনামূল্যে শেখার ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশগামীদের জন্য আঞ্চলিক ও বিভাগীয় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

রাজধানীর তিনটি কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলটির ঘোষিত ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে দলটির ভিশন হলো ‘নৈতিক ও উন্নত জাতি গঠনে সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষা’। এতে বলা হয়েছে, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
যদিও সরকার ইতিমধ্যে রাজধানীর সরকারি ৭টি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ।
স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের কথাও বলেছে জামায়াত। শিক্ষা বাজেট বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে চায় দলটি।
ইশতেহারে জামায়াত বলেছে, শিক্ষাকে সহজ ও সর্বজনীন করার জন্য সব স্তরের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন ফি বাদ দেওয়া হবে। পাঠ্যপুস্তক থেকে ফ্যাসিবাদী উপাদান অপসারণ করে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হবে।
নারী শিক্ষার ব্যাপারে দলটি বলেছে, শিক্ষার সব ক্ষেত্র ও স্তরে নারীর সমান প্রবেশাধিকার ও অধিকার সংরক্ষণ করা—যাতে নারী তার ইচ্ছে অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ ও কর্মে প্রবেশ করতে পারে। নারীরা স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনা করতে পারবেন।
বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে সরকারিভাবে বিনা-সুদে প্রথম দুই সেমিস্টার ফি প্রদান, দরিদ্র (যাকাত পাওয়ার যোগ্য) শিক্ষার্থীদের মাসে তিন হাজার টাকা করে প্রদান, স্নাতক পর্যায়ে (বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা) ১ লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসে ১০ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পৃথক নিয়োগ পদ্ধতি ও বেতন কাঠামো প্রচলন করা, মাদরাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখে কারিকুলামকে আধুনিকায়ন এবং সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষানীতি গ্রহণ, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলো প্রাইমারি স্কুলের মতো সরকারি করা ও প্রতি জেলায় একটি করে আলিয়া মাদরাসা সরকারিকরণের কথাও বলেছে জামায়াত।
কওমী মাদরাসার ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও হাইয়াতুল উলইয়ার সার্টিফিকেটের যথাযথ মূল্যায়নসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার বিষয়টিও ইশতেহারে রেখেছে দলটি। দেশ-বিদেশে ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার (থিওলজি) জন্য যোগ্য ইসলামী স্কলার তৈরির জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা, উচ্চতর ইসলামী ইনস্টিটিউট বা সেন্টার প্রতিষ্ঠাসহ প্রয়াজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে জামায়াত।
ইশতেহারে জামায়াত বলেছে, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষার জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। ইংরেজি, আরবিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ভাষা বিনামূল্যে শেখার ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশগামীদের জন্য আঞ্চলিক ও বিভাগীয় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

প্রচারে বাধা ও বিলবোর্ড ভাঙার নিন্দা জানিয়ে ঢাকা-১২ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিমা আখতার বলেছেন, পুরোনো কায়দায় নির্বাচন দখলের চেষ্টা করলে জনগণ উপযুক্ত জবাব দেবে।
৩৪ মিনিট আগে
নির্বাচনী ইশতেহারে জামায়াতে ইসলামী বলছে, ‘আমার টাকা আমার হিসাব’ অ্যাপ চালুর মাধ্যমে সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হবে।
৪১ মিনিট আগে
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই লক্ষ্যের নাম দিয়েছে ‘তিন শূন্য ভিশন’। পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ দিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনী ইশতেহারে জামায়াতে ইসলামী বলছে, সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডও হালনাগাদ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে