স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দলের সদস্যরা। সংসদে ‘গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার (১ এপ্রিল) ওয়াকআউট করেন তারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশের ষষ্ঠ দিন প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পর ফ্লোর নিয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আইনমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘উনি আমার কথাটা সম্ভবত খেয়াল করেন নাই। তাঁর বক্তব্যে সেটিই বুঝলাম। ইনটেনশনালি উনি বলেছেন– আমি এটা বিশ্বাস করতে চাই না। আমি যা বলেছি, সেটার বাইরে গিয়ে একটা প্রশ্ন করেছেন। গতকাল (মঙ্গলবার) যে এজেন্ডা আমরা উত্থাপন করেছিলাম, এটা ছিল মূলত গণভোট এবং গণভোটের সংস্কারের। এর আলোকে যে পরিষদটা গঠন হওয়ার কথা সেই পরিষদের সভা আহ্বান-সংক্রান্ত। এটাই ছিল মূল নোটিশের বিষয়।’
তিনি বলেন, ‘একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটা প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবের রেসপন্স দিতে গিয়ে আমি বলেছিলাম, যেহেতু আলোচনাটা হয়েছে সংস্কার পরিষদের ওপর, যদি এটাকে কেন্দ্র করে কোনো কমিটি বা বিশেষ কমিটি গঠন হয়, তাহলে আমরা ইতিবাচকভাবে সেটা ভেবে দেখব। একইসঙ্গে বলেছিলাম, সরকারি দল এবং বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিলে অর্থবহ একটা কমিটি হিসেবে রূপ নেবে। যেহেতু আমরা এখানে এসেছি সংকট নিরসনের জন্য, সংকট তৈরির জন্য না।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এর উত্তরে তিনি (আইনমন্ত্রী) তাঁর কথা বলেছেন। আমার বক্তব্য যেহেতু আগে হয়ে গেছে, বিষয়টি আমি ক্লারিফাই করলাম। কিন্তু, যেহেতু এটা জনআকাঙ্ক্ষার বিষয়, গণভোটের বিষয়, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়ের বিষয়, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, আপনার মাধ্যমেই প্রতিকার পাব। সিদ্ধান্তের জন্য আমি আপনাকে (স্পিকার) আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু, কোনো সিদ্ধান্ত হলো কি না আমি বুঝতে পারি নাই। এই বিষয়টা আপনার কাছ থেকে আমি স্পষ্ট জানতে চাই।’
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কালকের (মঙ্গলবার) প্রস্তাবটি ছিল একটি মুলতবি প্রস্তাব। যেটি আমার অনুপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল। বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। একটি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর, অপরটি ছিল গ্রেনেড হামলা সম্পর্কিত এবং আরেকটি ছিল নূর ইসলাম মনিরের কোস্টগার্ড সম্পর্কিত। বছর পর বছর চলে যায় কোনো মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয় না সংসদে। তারপরও প্রাণবন্ত আলোচনার জন্যে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে মুলতবি প্রস্তাবটি নেওয়া হয়েছিল। আপনি জানেন, যেই সমস্যার সমাধান আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই কেবল করা যেতে পারে সেটি নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব হতে পারে না। তারপরও উদারভাবে বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্যে এটি নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি কথা আমি বলতে চাই– এই সম্পর্কিত আরও একটি নোটিশ, আরও একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ আজকে আমরা বিবেচনা করব। আপনাদের মধ্যে যদি কোনো কথা বলার বাকি থাকে, আমি বলেছিলাম, বাকি কথা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হবে। আজকেও যদি প্রয়োজন হয় সেই নোটিশটি সম্পর্কে যখন আলাপ-আলোচনা করব, আপনাদের আরও যদি বক্তব্য থাকে, কথা বলার অবারিত সুযোগ আপনারা পাবেন। এটি একটি জাতীয় সমস্যা। যত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে আমরা আশা করি, ট্রেজারি বেঞ্চ এবং বিরোধী দল মিলে খোলাখুলিভাবে কথাবার্তা বলে সংসদে প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন সেই সুযোগ আপনাদের রয়েছে। এটি মহান হাউজ অফ দ্য পিপল। আপনারাই ডিসাইড করবেন রুলস অফ প্রসিডিউর অনুসারে আমরা যাতে পরিচালিত হতে পারি।’
এ পর্যায়ে স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘প্রতিকার চেয়েছিলাম। এ বিষয়টা কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্কিত না। যে বিষয়টা নির্বাচনের আগে সরকারি দল বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলেন, এর সপক্ষে কথাও বলেছেন, ক্যাম্পেইন করেছেন। আমরা প্রতিকার যে পেলাম না, এতে দেশবাসীর রায়ের প্রতিফলন হলো না, তাদের মূল্যায়ন হলো না। আমরা বিরোধী দলে বসে এই অবমূল্যায়ন মেনে নিতে পারি না। এ কারণে তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করছি।’
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘আপনি আমার বক্তব্য তো সম্পূর্ণ করতে দিলেন না। আমি আপনার পুরা বক্তব্য শুনেছি। ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার। কিন্তু, আমি বলতে চাই– আজকে একটু পরে আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচিত হবে। আমার মনে হয়, সেখানে আপনি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং সেখানে মন খুলে কথা বলতে পারবেন। সুতরাং, আমার অনুরোধ হলো আপনারা ওটা শুনেন। তারপর ওয়াকআউট করতে পারেন। আগে প্রস্তাবটির ভাগ্য কি নির্ধারণ হয় সেটি দেখার জন্য একটু অপেক্ষা করে দেখতে পারেন। বিরোধী দলের নেতাকে মাইক দেন।’
স্পিকারের এই কথার পর শফিকুর রহমান বলেন, ‘ওই নোটিশও আমাদের নজরে কিছুটা এসেছে। আমরা মনে করি, মূল নোটিশকে চাপা দেওয়ার জন্য ওই নোটিশটা সামনে আনা হয়েছে। এ কারণে দুইটার প্রতিবাদেই আমরা এই সংসদ থেকে আপাতত ওয়াকআউট করছি।’
এর জবাবে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘নোটিশই তো উত্থাপন হয় নাই, আপনি কি করে বুঝলেন কোনটা চাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হচ্ছে? আমি অনুরোধ করছি, একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন। নোটিশের বিষয়বস্তু শুনেন। তারপর আপনারা ফিল ফ্রি টু ওয়াকআউট।’
জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনার অ্যাবসেন্সে এই হাউসে নোটিশটা পড়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সদস্য এটা পড়েছেন আমরা শুনেছি। এ কারণে আমরা বুঝেশুনেই বলছি– এই দুই কারণেই আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’
এরপর বেলা ৫টা ৪০ মিনিটে সংসদ থেকে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। এ সময় সংসদ কক্ষে সাময়িক উত্তেজনা দেখা দিলেও, পরে বিরোধী দলের সদস্যদের ছাড়াই সংসদের কার্যক্রম চলতে থাকে।
এর আগে অধিবেশনের সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের ভাষণ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দলের সদস্যরা। সংসদে ‘গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার (১ এপ্রিল) ওয়াকআউট করেন তারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশের ষষ্ঠ দিন প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পর ফ্লোর নিয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আইনমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘উনি আমার কথাটা সম্ভবত খেয়াল করেন নাই। তাঁর বক্তব্যে সেটিই বুঝলাম। ইনটেনশনালি উনি বলেছেন– আমি এটা বিশ্বাস করতে চাই না। আমি যা বলেছি, সেটার বাইরে গিয়ে একটা প্রশ্ন করেছেন। গতকাল (মঙ্গলবার) যে এজেন্ডা আমরা উত্থাপন করেছিলাম, এটা ছিল মূলত গণভোট এবং গণভোটের সংস্কারের। এর আলোকে যে পরিষদটা গঠন হওয়ার কথা সেই পরিষদের সভা আহ্বান-সংক্রান্ত। এটাই ছিল মূল নোটিশের বিষয়।’
তিনি বলেন, ‘একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটা প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবের রেসপন্স দিতে গিয়ে আমি বলেছিলাম, যেহেতু আলোচনাটা হয়েছে সংস্কার পরিষদের ওপর, যদি এটাকে কেন্দ্র করে কোনো কমিটি বা বিশেষ কমিটি গঠন হয়, তাহলে আমরা ইতিবাচকভাবে সেটা ভেবে দেখব। একইসঙ্গে বলেছিলাম, সরকারি দল এবং বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিলে অর্থবহ একটা কমিটি হিসেবে রূপ নেবে। যেহেতু আমরা এখানে এসেছি সংকট নিরসনের জন্য, সংকট তৈরির জন্য না।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এর উত্তরে তিনি (আইনমন্ত্রী) তাঁর কথা বলেছেন। আমার বক্তব্য যেহেতু আগে হয়ে গেছে, বিষয়টি আমি ক্লারিফাই করলাম। কিন্তু, যেহেতু এটা জনআকাঙ্ক্ষার বিষয়, গণভোটের বিষয়, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়ের বিষয়, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, আপনার মাধ্যমেই প্রতিকার পাব। সিদ্ধান্তের জন্য আমি আপনাকে (স্পিকার) আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু, কোনো সিদ্ধান্ত হলো কি না আমি বুঝতে পারি নাই। এই বিষয়টা আপনার কাছ থেকে আমি স্পষ্ট জানতে চাই।’
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কালকের (মঙ্গলবার) প্রস্তাবটি ছিল একটি মুলতবি প্রস্তাব। যেটি আমার অনুপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল। বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। একটি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর, অপরটি ছিল গ্রেনেড হামলা সম্পর্কিত এবং আরেকটি ছিল নূর ইসলাম মনিরের কোস্টগার্ড সম্পর্কিত। বছর পর বছর চলে যায় কোনো মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয় না সংসদে। তারপরও প্রাণবন্ত আলোচনার জন্যে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে মুলতবি প্রস্তাবটি নেওয়া হয়েছিল। আপনি জানেন, যেই সমস্যার সমাধান আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই কেবল করা যেতে পারে সেটি নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব হতে পারে না। তারপরও উদারভাবে বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্যে এটি নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি কথা আমি বলতে চাই– এই সম্পর্কিত আরও একটি নোটিশ, আরও একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ আজকে আমরা বিবেচনা করব। আপনাদের মধ্যে যদি কোনো কথা বলার বাকি থাকে, আমি বলেছিলাম, বাকি কথা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হবে। আজকেও যদি প্রয়োজন হয় সেই নোটিশটি সম্পর্কে যখন আলাপ-আলোচনা করব, আপনাদের আরও যদি বক্তব্য থাকে, কথা বলার অবারিত সুযোগ আপনারা পাবেন। এটি একটি জাতীয় সমস্যা। যত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে আমরা আশা করি, ট্রেজারি বেঞ্চ এবং বিরোধী দল মিলে খোলাখুলিভাবে কথাবার্তা বলে সংসদে প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন সেই সুযোগ আপনাদের রয়েছে। এটি মহান হাউজ অফ দ্য পিপল। আপনারাই ডিসাইড করবেন রুলস অফ প্রসিডিউর অনুসারে আমরা যাতে পরিচালিত হতে পারি।’
এ পর্যায়ে স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘প্রতিকার চেয়েছিলাম। এ বিষয়টা কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্কিত না। যে বিষয়টা নির্বাচনের আগে সরকারি দল বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলেন, এর সপক্ষে কথাও বলেছেন, ক্যাম্পেইন করেছেন। আমরা প্রতিকার যে পেলাম না, এতে দেশবাসীর রায়ের প্রতিফলন হলো না, তাদের মূল্যায়ন হলো না। আমরা বিরোধী দলে বসে এই অবমূল্যায়ন মেনে নিতে পারি না। এ কারণে তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করছি।’
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘আপনি আমার বক্তব্য তো সম্পূর্ণ করতে দিলেন না। আমি আপনার পুরা বক্তব্য শুনেছি। ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার। কিন্তু, আমি বলতে চাই– আজকে একটু পরে আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচিত হবে। আমার মনে হয়, সেখানে আপনি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং সেখানে মন খুলে কথা বলতে পারবেন। সুতরাং, আমার অনুরোধ হলো আপনারা ওটা শুনেন। তারপর ওয়াকআউট করতে পারেন। আগে প্রস্তাবটির ভাগ্য কি নির্ধারণ হয় সেটি দেখার জন্য একটু অপেক্ষা করে দেখতে পারেন। বিরোধী দলের নেতাকে মাইক দেন।’
স্পিকারের এই কথার পর শফিকুর রহমান বলেন, ‘ওই নোটিশও আমাদের নজরে কিছুটা এসেছে। আমরা মনে করি, মূল নোটিশকে চাপা দেওয়ার জন্য ওই নোটিশটা সামনে আনা হয়েছে। এ কারণে দুইটার প্রতিবাদেই আমরা এই সংসদ থেকে আপাতত ওয়াকআউট করছি।’
এর জবাবে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘নোটিশই তো উত্থাপন হয় নাই, আপনি কি করে বুঝলেন কোনটা চাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হচ্ছে? আমি অনুরোধ করছি, একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন। নোটিশের বিষয়বস্তু শুনেন। তারপর আপনারা ফিল ফ্রি টু ওয়াকআউট।’
জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনার অ্যাবসেন্সে এই হাউসে নোটিশটা পড়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সদস্য এটা পড়েছেন আমরা শুনেছি। এ কারণে আমরা বুঝেশুনেই বলছি– এই দুই কারণেই আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’
এরপর বেলা ৫টা ৪০ মিনিটে সংসদ থেকে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। এ সময় সংসদ কক্ষে সাময়িক উত্তেজনা দেখা দিলেও, পরে বিরোধী দলের সদস্যদের ছাড়াই সংসদের কার্যক্রম চলতে থাকে।
এর আগে অধিবেশনের সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের ভাষণ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

সংসদে ‘জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়ে আলোচনায় আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যে টেবিল চাপড়ানো খালেদা জিয়াকে অপমান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
কেউ যৌক্তিক কথা বললেই তাঁকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষ শক্তি বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
১ দিন আগে
বিশ্বের প্রাচীন বিতর্ক সংগঠন ‘অক্সফোর্ড ইউনিয়ন’ থেকে বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সারজিস আলম। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এই আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রম করলেও স্বাধীনতার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক নির্ধারিত আলোচ
১ দিন আগে