মাইদুল ইসলাম

‘বাড়ির গেট ভাঙছে, ম্যাডামের রুমের দরজা ভাঙছে। পুলিশ আমাকে ধইরা নিয়া গেল। আবার নিয়া আসল। ম্যাডাম অঝোরে কেঁদেই চলেছেন। এরপরে তো আমার গাড়িতে বাড়ি ছাড়লেন। পুরো রাস্তা কাঁদতে থাকেন।’– কথাগুলো বলছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক নুরুল আমিন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া মারা গেছেন। অবসান হলো দীর্ঘ সংগ্রামী অধ্যায়ের। দেড় দশক আগে এক কাপড়ে তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর মঈনুল রোডের সেই বাড়ি ছেড়ে আসার ঘটনায় স্মৃতিকাতর নুরুল আমিন।
১৯৯২ সাল থেকে তিনি খালেদা জিয়ার গাড়ি চালিয়েছেন। দুদকের মামলায় খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পরে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অন্যান্য চালকের সঙ্গে তিনি চাকরিতে ছিলেন। মাঝে করোনা মহামারির সময় ২০২১ সালে একবার খালেদা জিয়া অসুস্থ হলে নিজে নুরুল আমিনকে স্মরণ করেন। পরে ডেকে আনা হলে নুরুল আমিন নিজে গাড়ি চালিয়ে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল রোডের ৬ নম্বর বাড়ি থেকে তৎকালীন সরকার খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ করেন। সেনানিবাসের বাড়ি ছেড়ে গুলশান কার্যালয়ে এসে যখন সংবাদ সম্মেলন করেন, তখন খালেদা জিয়ার চোখ বেয়ে ঝরছিল অঝোর ধারা। সেদিন খালেদা জিয়া বলেছিলেন, এই বাড়ি তাঁর কাছে কেবল বিঘা বিঘা জমি বা ছাদ ছিল না। এটি ছিল তাঁর স্বামী-সন্তানদের সঙ্গে কাটানো হাজারো স্মৃতির আঁধার।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘তাঁকে (খালেদা জিয়া) এভাবে কাঁদতে কখনো কেউ দেখেনি আগে। এমনকি ওয়ান-ইলেভেনের সময় নির্যাতনে দুই সন্তানকে প্রায় পঙ্গু করে দেওয়ার সময়ও এমন দেখা যায়নি। টেলিভিশনের পর্দায় সেই কান্নার দৃশ্য দেখে সারাদেশের মানুষ স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।’
সেদিনের সেই উচ্ছেদ অভিযানের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের গাড়িচালক নুরুল আমিন। তাঁর গাড়িতেই শেষবারের মতো মঈনুল রোড ছাড়েন খালেদা জিয়া। স্মৃতিকাতর নুরুল আমিন বলছিলেন, ‘বাড়িটা যেদিন ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) ছাড়েন, ওইদিন আমিই গাড়ি চালাচ্ছিলাম। আমার গাড়ি দিয়েই বাড়ি থেকে বাইর হইছেন তিনি।’
তিনি বলেন, ‘বাড়ির গেট ভাঙছে, ম্যাডামের রুমের দরজা ভাঙছে। পুলিশ একপর্যায়ে আমাকে ধইরা নিয়া গেল; আবার নিয়া আসল। এরপরে যা কিছু হইছে, পুলিশের দরজা ভাঙা, ম্যাডামকে হেনস্তা, এগুলো সব আমার চোখের সামনে ঘটেছে।’
৩৯ বছরের স্মৃতি ও এক টাকার ইজারা
১৯৭২ সালে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হওয়ার পর মঈনুল রোডের বাড়িটিতে বসবাস শুরু করেন। এরপর সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি থাকাকালেও তিনি এই সাদামাটা বাড়িটি ছাড়েননি। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদতের পর তৎকালীন জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তে বার্ষিক মাত্র এক টাকা খাজনার শর্তে বাড়িটি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এই বাড়িই ছিল খালেদা জিয়ার হাসি-কান্না ও সংগ্রামের সাক্ষী।
জীবনের ৩৯ বছর এই বাড়িতে কাটিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বাড়িতে জড়িয়ে ছিল স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি। আর সন্তানদের বেড়ে ওঠার গল্প। খালেদা জিয়ার গাড়িচালক নুরুল আমিনের ভাষায়, ‘৬ নম্বর শহীদ মঈনুল রোড, মুখস্থ একটা বিষয়, সেইটা তো আর নাই। ওনাদের ভিটা-মাটি ছাড়া করলেন শেখ হাসিনা।’

উচ্ছেদের পর বাড়িটি পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়। যে লাল ইটের দেয়ালে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর শৈশব মিশে ছিল, সেই বাড়িটি নিশ্চিহ্ন করতে সময় নেওয়া হয়েছিল প্রায় দেড় সপ্তাহ। আজ সেখানে সেনানিবাসের কর্মকর্তাদের জন্য ১৪ তলা বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে।
বাড়িটি ছিল বিএনপির ‘আঁতুড়ঘর’
রাজনীতি বিশ্লেষকদের ভাষায়, শহীদ মঈনুল রোডের বাড়িটি কেবল একটি ইটের দালান ছিল না। এটি ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এক টুকরো ইতিহাস। এখানে বেড়ে উঠেছেন তাঁর সন্তানেরা, জমা ছিল তাদের দীর্ঘ দাম্পত্যের হাজারো স্মৃতি।
গত কয়েক বছর গুলশানের ‘ফিরোজা’য় কাটলেও খালেদা জিয়ার মনের কোণে হয়তো মঈনুল রোডের সেই বারান্দাটি রয়ে গিয়েছিল। তাঁর পুরোনো কর্মীরা মনে করেন, বাড়িটি হারানোর শোক তিনি কোনো দিন কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
গাড়িচালক নুরুল আমিনের ভাষায়, ‘ওই বাড়িটা খুব সাদামাটা সাধারণ একটি বাড়ি ছিল। কিন্তু ওই যে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) থাকতেন ওখানে, তারেক রহমান আর আরাফাত রহমান কোকো থাকতেন, তাই ওটা তো হয়ে উঠছিল রাজকীয় বাড়ি, বলতে গেলে ওটা ছিল প্রাসাদ।’
পারিবারিক বন্ধনের স্মৃতি তো আছেই, এর বাইরে এই বাড়ি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরও (বিএনপি) ‘আঁতুড়ঘর’ বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বাড়িটি।
ব্যক্তিগত স্মৃতি হাতড়ে শামসুল আলম স্ট্রিমকে বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ওই বাড়িতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে একবার দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি। ওনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তিনি নির্বাচনে অংশ নিলেন। সহজ করে উনি উত্তর দিয়েছিলেন– নির্বাচনে অংশ না নিলে দেশে অরাজকতা বাড়তো, অপশক্তি সাহস পাইতো। শুধু দেশের কথা ভেবেই নির্বাচন করেছি।’

‘বাড়ির গেট ভাঙছে, ম্যাডামের রুমের দরজা ভাঙছে। পুলিশ আমাকে ধইরা নিয়া গেল। আবার নিয়া আসল। ম্যাডাম অঝোরে কেঁদেই চলেছেন। এরপরে তো আমার গাড়িতে বাড়ি ছাড়লেন। পুরো রাস্তা কাঁদতে থাকেন।’– কথাগুলো বলছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক নুরুল আমিন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া মারা গেছেন। অবসান হলো দীর্ঘ সংগ্রামী অধ্যায়ের। দেড় দশক আগে এক কাপড়ে তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর মঈনুল রোডের সেই বাড়ি ছেড়ে আসার ঘটনায় স্মৃতিকাতর নুরুল আমিন।
১৯৯২ সাল থেকে তিনি খালেদা জিয়ার গাড়ি চালিয়েছেন। দুদকের মামলায় খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পরে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অন্যান্য চালকের সঙ্গে তিনি চাকরিতে ছিলেন। মাঝে করোনা মহামারির সময় ২০২১ সালে একবার খালেদা জিয়া অসুস্থ হলে নিজে নুরুল আমিনকে স্মরণ করেন। পরে ডেকে আনা হলে নুরুল আমিন নিজে গাড়ি চালিয়ে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল রোডের ৬ নম্বর বাড়ি থেকে তৎকালীন সরকার খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ করেন। সেনানিবাসের বাড়ি ছেড়ে গুলশান কার্যালয়ে এসে যখন সংবাদ সম্মেলন করেন, তখন খালেদা জিয়ার চোখ বেয়ে ঝরছিল অঝোর ধারা। সেদিন খালেদা জিয়া বলেছিলেন, এই বাড়ি তাঁর কাছে কেবল বিঘা বিঘা জমি বা ছাদ ছিল না। এটি ছিল তাঁর স্বামী-সন্তানদের সঙ্গে কাটানো হাজারো স্মৃতির আঁধার।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘তাঁকে (খালেদা জিয়া) এভাবে কাঁদতে কখনো কেউ দেখেনি আগে। এমনকি ওয়ান-ইলেভেনের সময় নির্যাতনে দুই সন্তানকে প্রায় পঙ্গু করে দেওয়ার সময়ও এমন দেখা যায়নি। টেলিভিশনের পর্দায় সেই কান্নার দৃশ্য দেখে সারাদেশের মানুষ স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।’
সেদিনের সেই উচ্ছেদ অভিযানের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের গাড়িচালক নুরুল আমিন। তাঁর গাড়িতেই শেষবারের মতো মঈনুল রোড ছাড়েন খালেদা জিয়া। স্মৃতিকাতর নুরুল আমিন বলছিলেন, ‘বাড়িটা যেদিন ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) ছাড়েন, ওইদিন আমিই গাড়ি চালাচ্ছিলাম। আমার গাড়ি দিয়েই বাড়ি থেকে বাইর হইছেন তিনি।’
তিনি বলেন, ‘বাড়ির গেট ভাঙছে, ম্যাডামের রুমের দরজা ভাঙছে। পুলিশ একপর্যায়ে আমাকে ধইরা নিয়া গেল; আবার নিয়া আসল। এরপরে যা কিছু হইছে, পুলিশের দরজা ভাঙা, ম্যাডামকে হেনস্তা, এগুলো সব আমার চোখের সামনে ঘটেছে।’
৩৯ বছরের স্মৃতি ও এক টাকার ইজারা
১৯৭২ সালে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হওয়ার পর মঈনুল রোডের বাড়িটিতে বসবাস শুরু করেন। এরপর সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি থাকাকালেও তিনি এই সাদামাটা বাড়িটি ছাড়েননি। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদতের পর তৎকালীন জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তে বার্ষিক মাত্র এক টাকা খাজনার শর্তে বাড়িটি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এই বাড়িই ছিল খালেদা জিয়ার হাসি-কান্না ও সংগ্রামের সাক্ষী।
জীবনের ৩৯ বছর এই বাড়িতে কাটিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বাড়িতে জড়িয়ে ছিল স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি। আর সন্তানদের বেড়ে ওঠার গল্প। খালেদা জিয়ার গাড়িচালক নুরুল আমিনের ভাষায়, ‘৬ নম্বর শহীদ মঈনুল রোড, মুখস্থ একটা বিষয়, সেইটা তো আর নাই। ওনাদের ভিটা-মাটি ছাড়া করলেন শেখ হাসিনা।’

উচ্ছেদের পর বাড়িটি পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়। যে লাল ইটের দেয়ালে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর শৈশব মিশে ছিল, সেই বাড়িটি নিশ্চিহ্ন করতে সময় নেওয়া হয়েছিল প্রায় দেড় সপ্তাহ। আজ সেখানে সেনানিবাসের কর্মকর্তাদের জন্য ১৪ তলা বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে।
বাড়িটি ছিল বিএনপির ‘আঁতুড়ঘর’
রাজনীতি বিশ্লেষকদের ভাষায়, শহীদ মঈনুল রোডের বাড়িটি কেবল একটি ইটের দালান ছিল না। এটি ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এক টুকরো ইতিহাস। এখানে বেড়ে উঠেছেন তাঁর সন্তানেরা, জমা ছিল তাদের দীর্ঘ দাম্পত্যের হাজারো স্মৃতি।
গত কয়েক বছর গুলশানের ‘ফিরোজা’য় কাটলেও খালেদা জিয়ার মনের কোণে হয়তো মঈনুল রোডের সেই বারান্দাটি রয়ে গিয়েছিল। তাঁর পুরোনো কর্মীরা মনে করেন, বাড়িটি হারানোর শোক তিনি কোনো দিন কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
গাড়িচালক নুরুল আমিনের ভাষায়, ‘ওই বাড়িটা খুব সাদামাটা সাধারণ একটি বাড়ি ছিল। কিন্তু ওই যে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) থাকতেন ওখানে, তারেক রহমান আর আরাফাত রহমান কোকো থাকতেন, তাই ওটা তো হয়ে উঠছিল রাজকীয় বাড়ি, বলতে গেলে ওটা ছিল প্রাসাদ।’
পারিবারিক বন্ধনের স্মৃতি তো আছেই, এর বাইরে এই বাড়ি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরও (বিএনপি) ‘আঁতুড়ঘর’ বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বাড়িটি।
ব্যক্তিগত স্মৃতি হাতড়ে শামসুল আলম স্ট্রিমকে বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ওই বাড়িতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে একবার দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি। ওনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তিনি নির্বাচনে অংশ নিলেন। সহজ করে উনি উত্তর দিয়েছিলেন– নির্বাচনে অংশ না নিলে দেশে অরাজকতা বাড়তো, অপশক্তি সাহস পাইতো। শুধু দেশের কথা ভেবেই নির্বাচন করেছি।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
২১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে