জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

এবার রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫৬
বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি রুমিন ফারহানা। সংগৃহীত ছবি

একুশে ফেব্রুয়ারির দিন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাধা ও কর্মী-সমর্থকদের মারপিটের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর এবার পাল্টা আরেকটি মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় রুমিন ফারহানার কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে আনোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী তামিম মিয়া বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মামলাটি নথিভুক্ত করেছে সরাইল থানা পুলিশ। মামলায় এজহারনামীয় আসামি ১৭ জন, এছাড়া অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভুঁইয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ভোরে জেলা বিএনপির সদস্য ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফারজানা আনোয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও তাঁর বাড়ির সামনে এজহারনামীয়সহ অজ্ঞাত আসামিরা গালিগালাজ করেন। এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বাদি তামিমকে মারধর করে তার কাছ থেকে নগদ টাকা লুটে নেন আসামিরা।

এছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ক্ষিপ্ত হন বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিষয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য জানতে তাঁকে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

এর আগে সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা ও তাঁর কর্মীদের মারপিটের অভিযোগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহাদ নামে রুমিন ফারহানার এক কর্মী সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে। ওই মামলায় এজহারনামীয় পাঁচ আসামি ছাড়াও অজ্ঞাত ১৪০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত