স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০ আসনে ভালো ফল পাবে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে প্রথমার্ধের আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘এবার ভোটের মাঠে দুটো পক্ষ থাকবে। একটি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। জাতীয় পার্টি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি। তবে জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিল, শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করেছিল; সেজন্য ইসলামপন্থীদের কাছেও জাতীয় পার্টি ভোট চাইতে পারে। যদি সুষ্ঠু ভোট হয়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে; তাহলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০টি আসনে অত্যন্ত ভালো ফল পাবে।’
দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীর কমফোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা দেখেছি তুচ্ছ ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা ভুলে গেছেন ১২ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত দেশে খুব একটা স্বাভাবিক পরিবেশ ছিল না। প্রার্থীরা খুব কমফোর্টলি মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি।’
জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছ থেকেও প্রার্থীরা যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি, অভিযোগ করে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের মনে হয়েছে, অন গ্রাউন্ড যারা আমাদের সহযোগিতা করতেন আগের ভোটে; ইলেকশন কর্মকর্তা, ইউএনও ও ডিসিরা। সেখান থেকেও প্রার্থীরা আসলে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা পরিপূর্ণভাবে পায়নি। অর্থাৎ অনেক সময় তারা জমা দেওয়ার আগে কাগজটা দেখে দেন, অনেক সময় ছোটখাটো ভুলগুলো বলে দেন। জমা দেওয়ার আগেই বলে দেন। অনেক সময় কোনো কাগজের ঘাটতি থাকলে কারেকশন করে দিতে পারেন; এগুলো হেল্পিং প্রসেসের পার্ট।’
‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা যদি সঠিকভাবে তাদের ডিসকাশনটা এক্সারসাইজ করতেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই এতজন প্রার্থীকে আপিল করতে হতো না’, মন্তব্য জাপা মহাসচিবের।
মবতন্ত্র রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ডমিনেট করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের পজিটিভ ডিসক্রিশন ব্যবহার করতে পারেননি। আমি বলব মবের ভয়ে। মবতন্ত্র রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ডমিনেট করেছে এবং যে কারেক্টগুলো তারা করতে পারতেন, বলতে পারতেন, অ্যালাউ করতে পারতেন; মবের ভয়ের কারণে তারা করতে পারেনি। কারণ তৎক্ষণাৎ তাকে একটা ট্যাগিং করে দেওয়া হতো। তৎক্ষণাৎ তাকে দোসর বলা হতো। এই ট্যাগিংয়ের ভয়ে ভারাক্রান্ত প্রশাসন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট করতে পারবেন না। ভোট করতে গেলে স্বতঃস্ফূর্ততা লাগবে। প্রশাসনকে ফার্ম হতে হবে, ডিক্টেট করতে হবে, ডমিনেট করতে হবে, আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।’
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘গতকাল জাতীয় পার্টির ১৩ জন প্রার্থী আপিল করেছিলেন। আপিলের শুনানিতে ১৩ জনের মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন আপিল ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করেছে। দুজনের আপিল না মঞ্জুর হয়েছে। তারা উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ আমাদের এখন পর্যন্ত দুজনের আপিল শুনানি হয়েছে। একজন কুমিল্লা-১ আসনে সৈয়েদ মোহাম্মদ ইফতেখার আহসান এবং আরেকজন বগুড়া-২ আসনে মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জিন্না। এই দুটি আপিল গৃহীত হয়েছে। আজ আমাদের আরও চারটি আপিল আছে। আগামীকালও প্রায় ছয় থেকে সাতটি আপিল আছে।’

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০ আসনে ভালো ফল পাবে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে প্রথমার্ধের আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘এবার ভোটের মাঠে দুটো পক্ষ থাকবে। একটি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। জাতীয় পার্টি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি। তবে জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিল, শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করেছিল; সেজন্য ইসলামপন্থীদের কাছেও জাতীয় পার্টি ভোট চাইতে পারে। যদি সুষ্ঠু ভোট হয়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে; তাহলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০টি আসনে অত্যন্ত ভালো ফল পাবে।’
দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীর কমফোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা দেখেছি তুচ্ছ ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা ভুলে গেছেন ১২ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত দেশে খুব একটা স্বাভাবিক পরিবেশ ছিল না। প্রার্থীরা খুব কমফোর্টলি মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি।’
জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছ থেকেও প্রার্থীরা যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি, অভিযোগ করে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের মনে হয়েছে, অন গ্রাউন্ড যারা আমাদের সহযোগিতা করতেন আগের ভোটে; ইলেকশন কর্মকর্তা, ইউএনও ও ডিসিরা। সেখান থেকেও প্রার্থীরা আসলে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা পরিপূর্ণভাবে পায়নি। অর্থাৎ অনেক সময় তারা জমা দেওয়ার আগে কাগজটা দেখে দেন, অনেক সময় ছোটখাটো ভুলগুলো বলে দেন। জমা দেওয়ার আগেই বলে দেন। অনেক সময় কোনো কাগজের ঘাটতি থাকলে কারেকশন করে দিতে পারেন; এগুলো হেল্পিং প্রসেসের পার্ট।’
‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা যদি সঠিকভাবে তাদের ডিসকাশনটা এক্সারসাইজ করতেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই এতজন প্রার্থীকে আপিল করতে হতো না’, মন্তব্য জাপা মহাসচিবের।
মবতন্ত্র রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ডমিনেট করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের পজিটিভ ডিসক্রিশন ব্যবহার করতে পারেননি। আমি বলব মবের ভয়ে। মবতন্ত্র রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ডমিনেট করেছে এবং যে কারেক্টগুলো তারা করতে পারতেন, বলতে পারতেন, অ্যালাউ করতে পারতেন; মবের ভয়ের কারণে তারা করতে পারেনি। কারণ তৎক্ষণাৎ তাকে একটা ট্যাগিং করে দেওয়া হতো। তৎক্ষণাৎ তাকে দোসর বলা হতো। এই ট্যাগিংয়ের ভয়ে ভারাক্রান্ত প্রশাসন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট করতে পারবেন না। ভোট করতে গেলে স্বতঃস্ফূর্ততা লাগবে। প্রশাসনকে ফার্ম হতে হবে, ডিক্টেট করতে হবে, ডমিনেট করতে হবে, আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।’
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘গতকাল জাতীয় পার্টির ১৩ জন প্রার্থী আপিল করেছিলেন। আপিলের শুনানিতে ১৩ জনের মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন আপিল ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করেছে। দুজনের আপিল না মঞ্জুর হয়েছে। তারা উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ আমাদের এখন পর্যন্ত দুজনের আপিল শুনানি হয়েছে। একজন কুমিল্লা-১ আসনে সৈয়েদ মোহাম্মদ ইফতেখার আহসান এবং আরেকজন বগুড়া-২ আসনে মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জিন্না। এই দুটি আপিল গৃহীত হয়েছে। আজ আমাদের আরও চারটি আপিল আছে। আগামীকালও প্রায় ছয় থেকে সাতটি আপিল আছে।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে