স্ট্রিম প্রতিবেদক

অভিন্ন পাঁচ দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলনে নামছে জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যে তাঁরা পৃথকভাবে তিন দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন। রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহর ও জেলা-উপজেলায় সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করবে দলগুলো। আগামী ১৮, ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ৩ দিনের এই কর্মসূচি পালন করবে দল পাঁচটি। একই দিনে একই কর্মসূচি হলেও সবার মঞ্চ হবে আলাদা।
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মাওলানা মামুনল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস। গত রোববার ও সোমবার রাজধানীতে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে এই আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলগুলো।
আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে একই দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের। দলটির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তাঁরাও তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। তবে তাঁরা শুধু উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন চান। এই একটি ছাড়া জামায়াতসহ অন্য দলগুলোর সঙ্গে তারা অভিন্ন দাবিতে পৃথক কর্মসূচি পালন করবেন।
একই দাবিতে একই সময়ে একই রকম আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করলেও এটিকে ‘যুগপৎ আন্দোলন’ বলতে রাজি না জামায়াত। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সোমবার মগবাজারের আল-ফালাহ টাওয়ারে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এখনও এটাকে আমরা যুগপৎ আন্দোলন বলছি না। এই শব্দটাই আমরা ম্যানশন করছি না। দাবি এক হওয়ায় দলগুলো আসছে। এটা নির্বাচনী কোনো জোটও না।’
দাবিগুলো হলো, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; আওয়ামী লীগ সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা; জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা।
দলগুলোর অন্য দাবিটি হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন। তবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনই শুধু জাতীয় সংসদের উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। অন্য তিনটি দল শুধু উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়।
এই পাঁচটি দাবির বাইরে ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস একটি অতিরিক্ত দাবি যোগ করেছে। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।
জানা গেছে, এই আন্দোলন কর্মসূচী নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর একটি বৈঠকে মিলিত হয় এই পাঁচটি দলসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। সেখানে এনসিপি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদও ছিল। এ তিনটি দলও ভোটের আগে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড, জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে একমত হয়। তবে তারা জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মতো সংসদে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় না। তাদের দাবি শুধু উচ্চকক্ষে পিআর। এ কারণে শেষ পর্যন্ত দল তিনটি ইসলামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে আন্দোলন ঘোষণা করা থেকে বিরত থাকে।
পাঁচটি দলই ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় পৃথক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করবে। ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল করবে দলগুলো। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর দেশের সব জেলা ও উপজেলায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করবে বলে দলগুলো জানিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, আগামী ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থে তারা বিকেলে কর্মসূচি পালন করবে।
ইতিমধ্যে সারা দেশের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে কোনোভাবেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন না করার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে দলটি।

অভিন্ন পাঁচ দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলনে নামছে জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যে তাঁরা পৃথকভাবে তিন দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন। রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহর ও জেলা-উপজেলায় সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করবে দলগুলো। আগামী ১৮, ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ৩ দিনের এই কর্মসূচি পালন করবে দল পাঁচটি। একই দিনে একই কর্মসূচি হলেও সবার মঞ্চ হবে আলাদা।
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মাওলানা মামুনল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস। গত রোববার ও সোমবার রাজধানীতে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে এই আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলগুলো।
আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে একই দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের। দলটির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তাঁরাও তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। তবে তাঁরা শুধু উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন চান। এই একটি ছাড়া জামায়াতসহ অন্য দলগুলোর সঙ্গে তারা অভিন্ন দাবিতে পৃথক কর্মসূচি পালন করবেন।
একই দাবিতে একই সময়ে একই রকম আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করলেও এটিকে ‘যুগপৎ আন্দোলন’ বলতে রাজি না জামায়াত। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সোমবার মগবাজারের আল-ফালাহ টাওয়ারে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এখনও এটাকে আমরা যুগপৎ আন্দোলন বলছি না। এই শব্দটাই আমরা ম্যানশন করছি না। দাবি এক হওয়ায় দলগুলো আসছে। এটা নির্বাচনী কোনো জোটও না।’
দাবিগুলো হলো, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; আওয়ামী লীগ সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা; জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা।
দলগুলোর অন্য দাবিটি হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন। তবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনই শুধু জাতীয় সংসদের উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। অন্য তিনটি দল শুধু উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়।
এই পাঁচটি দাবির বাইরে ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস একটি অতিরিক্ত দাবি যোগ করেছে। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।
জানা গেছে, এই আন্দোলন কর্মসূচী নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর একটি বৈঠকে মিলিত হয় এই পাঁচটি দলসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। সেখানে এনসিপি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদও ছিল। এ তিনটি দলও ভোটের আগে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড, জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে একমত হয়। তবে তারা জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মতো সংসদে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় না। তাদের দাবি শুধু উচ্চকক্ষে পিআর। এ কারণে শেষ পর্যন্ত দল তিনটি ইসলামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে আন্দোলন ঘোষণা করা থেকে বিরত থাকে।
পাঁচটি দলই ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় পৃথক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করবে। ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল করবে দলগুলো। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর দেশের সব জেলা ও উপজেলায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করবে বলে দলগুলো জানিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, আগামী ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থে তারা বিকেলে কর্মসূচি পালন করবে।
ইতিমধ্যে সারা দেশের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে কোনোভাবেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন না করার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে দলটি।
-a7b17a.jpeg)
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোটে জিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীও হন। এবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনায় তাঁর আসনে উপনির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
১ ঘণ্টা আগে
কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণার দাবি আদায় করতে প্রয়োজেন রাজধানীকে অবরুদ্ধ ও অচল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে