স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র মেরামতের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। যারা চব্বিশের জুলাইতে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে, তারা প্রয়োজনে আবারও রাজপথে গণজোয়ার তৈরি করবে।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনের পূর্বঘোষিত সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, গত ২৫ অক্টোবর আন্দোলনরত আটটি দলের শীর্ষ নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার ধারাবাহিকতায় গত ৬ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দলগুলো তাদের দাবি ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে।
মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, আমাদের দাবির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধান উপদেষ্টা কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু আমাদেরকে হতাশ হতে হয়েছে। তাই আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি মাঠেই প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ।’
আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর পল্টন মোড়ে আটদলীয় সমাবেশ শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির রাশেদ প্রধানসহ আট দলের শীর্ষ নেতারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র মেরামতের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। যারা চব্বিশের জুলাইতে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে, তারা প্রয়োজনে আবারও রাজপথে গণজোয়ার তৈরি করবে।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় যুগপৎ আন্দোলনের পূর্বঘোষিত সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, গত ২৫ অক্টোবর আন্দোলনরত আটটি দলের শীর্ষ নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার ধারাবাহিকতায় গত ৬ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দলগুলো তাদের দাবি ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে।
মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, আমাদের দাবির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধান উপদেষ্টা কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু আমাদেরকে হতাশ হতে হয়েছে। তাই আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি মাঠেই প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ।’
আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর পল্টন মোড়ে আটদলীয় সমাবেশ শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির রাশেদ প্রধানসহ আট দলের শীর্ষ নেতারা।

অধিবেশন শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথে তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এদিন সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশন ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
১ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১ দিন আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যুতে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে