স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না; প্রয়োজনে রাজপথই চূড়ান্ত ঠিকানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন নেতারা।
১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত এই মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা। বক্তব্য দেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও পঙ্গুত্ববরণকারী যোদ্ধারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, ‘প্রতারণা, ধোঁকা এবং গাদ্দারি করে বিএনপি তাদের যাত্রা শুরু করেছে। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে হারাম বলেছে। তারা এখন গায়ের জোরে ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান করে গণভোটের ব্যবস্থা বাতিল করেছে। বিএনপি জনগণের সরকার নয়, বরং দলীয় সরকার কায়েম করতে চায়।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বিএনপি ৩১ দফা সংস্কারের কথা বললেও এখন নিজেদের প্রথম দফা ‘সংবিধান সংস্কার’ থেকেই পিছিয়ে গেছে। তারা জেলা পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি ক্রিকেট বোর্ডকেও দলীয়করণের পাঁয়তারা করছে। তারা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাকশালি কায়দায় একদলীয় শাসন জনগণের ওপর চাপাতে চায়। হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়াব, তবুও মিথ্যার সামনে মাথা নত করব না। সংসদ ব্যর্থ হলে রাজপথই হবে আমাদের ঠিকানা।’
বিএনপি সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে প্রাধান্য দিচ্ছে দাবি করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি হয়তো আবারও ‘জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী’ তৈরির চেষ্টায় লিপ্ত, যে কারণে তারা সংস্কার কমিশন বা অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছে। এবার রাজপথের আন্দোলনে গুলি আসলে আগে আমাদের বুকে আসবে, আপনারা শুধু দোয়া করবেন।’
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে। তারা বিচার মানে, কিন্তু তালগাছ ছাড়ে না।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সার্জিস আলম অভিযোগ করেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসেই গুম, দুর্নীতি দমন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটি অলিখিত চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির কারণেই জুলাইয়ের খুনিরা এখন জামিন পেয়ে যাচ্ছে এবং শহীদ পরিবারগুলোকে হুমকি দিচ্ছে।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, দিল্লির পরিকল্পনায় আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ যদি বিএনপি করতে চায়, তবে আমরা প্রস্তুত আছি। বাংলার মাটিতে জুলাইয়ের রক্ত বিক্রি হতে দেব না। প্রয়োজনে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।

জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না; প্রয়োজনে রাজপথই চূড়ান্ত ঠিকানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন নেতারা।
১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত এই মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা। বক্তব্য দেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও পঙ্গুত্ববরণকারী যোদ্ধারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, ‘প্রতারণা, ধোঁকা এবং গাদ্দারি করে বিএনপি তাদের যাত্রা শুরু করেছে। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে হারাম বলেছে। তারা এখন গায়ের জোরে ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান করে গণভোটের ব্যবস্থা বাতিল করেছে। বিএনপি জনগণের সরকার নয়, বরং দলীয় সরকার কায়েম করতে চায়।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বিএনপি ৩১ দফা সংস্কারের কথা বললেও এখন নিজেদের প্রথম দফা ‘সংবিধান সংস্কার’ থেকেই পিছিয়ে গেছে। তারা জেলা পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি ক্রিকেট বোর্ডকেও দলীয়করণের পাঁয়তারা করছে। তারা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাকশালি কায়দায় একদলীয় শাসন জনগণের ওপর চাপাতে চায়। হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়াব, তবুও মিথ্যার সামনে মাথা নত করব না। সংসদ ব্যর্থ হলে রাজপথই হবে আমাদের ঠিকানা।’
বিএনপি সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে প্রাধান্য দিচ্ছে দাবি করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি হয়তো আবারও ‘জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী’ তৈরির চেষ্টায় লিপ্ত, যে কারণে তারা সংস্কার কমিশন বা অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছে। এবার রাজপথের আন্দোলনে গুলি আসলে আগে আমাদের বুকে আসবে, আপনারা শুধু দোয়া করবেন।’
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে। তারা বিচার মানে, কিন্তু তালগাছ ছাড়ে না।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সার্জিস আলম অভিযোগ করেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসেই গুম, দুর্নীতি দমন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটি অলিখিত চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির কারণেই জুলাইয়ের খুনিরা এখন জামিন পেয়ে যাচ্ছে এবং শহীদ পরিবারগুলোকে হুমকি দিচ্ছে।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, দিল্লির পরিকল্পনায় আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ যদি বিএনপি করতে চায়, তবে আমরা প্রস্তুত আছি। বাংলার মাটিতে জুলাইয়ের রক্ত বিক্রি হতে দেব না। প্রয়োজনে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।

বিএনপি জুলাই সনদকে কলুষিত করেছে এবং তারা সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অতীতেও সন্ত্রাস, হানাহানি ও বিশৃঙ্খলা ছিল। জুলাইয়ে আমরা এত রক্ত দিলাম। তারপরও রাজনীতির জন্য কেন আরও রক্ত দিতে হবে? আমরা তো আশা করেছিলাম, রক্ত দেওয়া ওখানেই শেষ হবে। রাজনীতির ময়দানে সুস্থতা ফিরে আসবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুর ২ দিনের মধ্যে ৬০০টির বেশি বিক্রি হয়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের স্ত্রী, কন্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নারী নেত্রীর নাম সামনে এসেছে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই। সংসদে সরকারি দলের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা কথা বললে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে। শুধু কিছু অসৎ চোরচোট্টা মানুষের কারণে আমরা সমস্যায় পড়ে গেছি।’
১ দিন আগে