স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির আরেক অংশ (আনিসুল ইসলাম মাহমুদ) ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) থেকে মনোনীত প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত সপ্তাহে এই রিট দায়ের করেন। রিটে তিনি জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং আনিসুল-মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা প্রার্থনা করেছিলেন।
আদালত রিটটির প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন। রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনের নথিপত্র ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় দেখা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টি ও এর বিদ্রোহী অংশ পৃথকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী ২৪৩ আসনে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির (রওশন-আনিসুল অংশ) ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপি মিলে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’ (এনডিএফ) গত ২৩ ডিসেম্বর বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদ সম্মেলন করে ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। ওই সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিলেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির আরেক অংশ (আনিসুল ইসলাম মাহমুদ) ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) থেকে মনোনীত প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত সপ্তাহে এই রিট দায়ের করেন। রিটে তিনি জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এবং আনিসুল-মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা প্রার্থনা করেছিলেন।
আদালত রিটটির প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন। রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনের নথিপত্র ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় দেখা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টি ও এর বিদ্রোহী অংশ পৃথকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী ২৪৩ আসনে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির (রওশন-আনিসুল অংশ) ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপি মিলে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’ (এনডিএফ) গত ২৩ ডিসেম্বর বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদ সম্মেলন করে ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। ওই সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিলেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু।

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামায়াতকে ‘রাজনৈতিকভাবে নির্মূল’ করার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে