স্পোর্টস ডেস্ক

গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে যেতে থাকা ম্যাচের ৯১ মিনিট। কলম্বিয়ার জুয়ানের ক্রস থেকে সানচেজের হেডে বল জালে জড়াতেই ঢেউ উঠল স্টেডিয়ামে। তবে হলুদ শিবিরের সেই উল্লাস দীর্ঘস্থায়ী হলো না ভিএআরের বাগড়ায়। অফসাডের কারণে গোল বাতিল হওয়ায় পর্তুগাল শিবিরে নামে স্বস্তি। ড্র করলেও অবশ্য কলম্বিয়ার বিশেষ ক্ষতি হয়নি। ‘কে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নই হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল কলম্বিয়া ও পর্তুগাল। মূল লড়াই ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তাতে শেষ হাসি হেসেছে কলম্বিয়াই।
চোখ ছিল অবশ্য আরেক দিকেও। আগের ম্যাচে জোড়া গোলে ‘ফিরে আসার’ বার্তা দেওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কেমন খেলেন তাতে। শেষপর্যন্ত হতাশই করলেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কলম্বিয়ার দুই সেন্টারব্যাক ডেভিনসন সানচেজ ও জন লুকুমি তাঁকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখেন। পুরো ম্যাচে রোনালদো বল স্পর্শই করেন ৩৫ বার। গোলপোস্ট লক্ষ্য করে শট নিতে পারেন মাত্র একটি।
খেলার প্রথমার্ধে ৪-২-৩-১ ছকে মাঠে নামে পর্তুগাল। রক্ষণে ছিলেন রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগা। মাঝমাঠে রুবেন নেভেসের সঙ্গে খেলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস ও ভিতিনহা।
অন্যদিকে ৪-১-২-৩ ছকে খেলে কলম্বিয়া। জেফারসন লারমা রক্ষণ ও মাঝমাঠ সামলান। বল পেলেই লুইস দিয়াজের গতি ও হামেস রদ্রিগেজের পাসে পাল্টা আক্রমণে করে কলম্বিয়া।
শুরু থেকেই জমে ওঠে ম্যাচ। প্রথম মিনিটেই লুইস দিয়াজ পর্তুগালের রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১৬ মিনিটে হামেস রদ্রিগেজের দারুণ পাস থেকে ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি জন কর্দোবা।
অন্যদিকে ব্রুনো ফার্নান্দেসের লম্বা পাসে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করে পর্তুগাল। রোনালদো বক্সের ভেতর সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যান। বিরতির আগে রোনালদোর একটি বাইসাইকেল কিক আটকে দেয় কলম্বিয়ার রক্ষণ। এতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দিওগো দালোত ও জোয়াও নেভেসকে নামান পর্তুগালের কোচ। এতে আক্রমণে কিছুটা গতি বাড়ে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনে কলম্বিয়াও। শেষ ১০ মিনিটে অলআউট আক্রমণে যায় পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেসের ক্রস থেকে রোনালদোর হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক। মূল সময় ৯০ মিনিট পর্যন্ত গোল দিতে পারেনি কোনো দলই।
এরপর যোগ করা সময়ে আসে নাটকীয় সেই মুহূর্ত। সানচেজের গোল বাতিল হলে স্বস্তি পায় পর্তুগাল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দল গোল করতে পারেনি।
এই ড্রয়ে গ্রুপসেরা হয়েছে কলম্বিয়া। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ ঘানা। রানার্সআপ হওয়া পর্তুগাল খেলবে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।

গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে যেতে থাকা ম্যাচের ৯১ মিনিট। কলম্বিয়ার জুয়ানের ক্রস থেকে সানচেজের হেডে বল জালে জড়াতেই ঢেউ উঠল স্টেডিয়ামে। তবে হলুদ শিবিরের সেই উল্লাস দীর্ঘস্থায়ী হলো না ভিএআরের বাগড়ায়। অফসাডের কারণে গোল বাতিল হওয়ায় পর্তুগাল শিবিরে নামে স্বস্তি। ড্র করলেও অবশ্য কলম্বিয়ার বিশেষ ক্ষতি হয়নি। ‘কে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নই হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল কলম্বিয়া ও পর্তুগাল। মূল লড়াই ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তাতে শেষ হাসি হেসেছে কলম্বিয়াই।
চোখ ছিল অবশ্য আরেক দিকেও। আগের ম্যাচে জোড়া গোলে ‘ফিরে আসার’ বার্তা দেওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কেমন খেলেন তাতে। শেষপর্যন্ত হতাশই করলেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কলম্বিয়ার দুই সেন্টারব্যাক ডেভিনসন সানচেজ ও জন লুকুমি তাঁকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখেন। পুরো ম্যাচে রোনালদো বল স্পর্শই করেন ৩৫ বার। গোলপোস্ট লক্ষ্য করে শট নিতে পারেন মাত্র একটি।
খেলার প্রথমার্ধে ৪-২-৩-১ ছকে মাঠে নামে পর্তুগাল। রক্ষণে ছিলেন রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগা। মাঝমাঠে রুবেন নেভেসের সঙ্গে খেলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস ও ভিতিনহা।
অন্যদিকে ৪-১-২-৩ ছকে খেলে কলম্বিয়া। জেফারসন লারমা রক্ষণ ও মাঝমাঠ সামলান। বল পেলেই লুইস দিয়াজের গতি ও হামেস রদ্রিগেজের পাসে পাল্টা আক্রমণে করে কলম্বিয়া।
শুরু থেকেই জমে ওঠে ম্যাচ। প্রথম মিনিটেই লুইস দিয়াজ পর্তুগালের রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১৬ মিনিটে হামেস রদ্রিগেজের দারুণ পাস থেকে ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি জন কর্দোবা।
অন্যদিকে ব্রুনো ফার্নান্দেসের লম্বা পাসে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করে পর্তুগাল। রোনালদো বক্সের ভেতর সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যান। বিরতির আগে রোনালদোর একটি বাইসাইকেল কিক আটকে দেয় কলম্বিয়ার রক্ষণ। এতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দিওগো দালোত ও জোয়াও নেভেসকে নামান পর্তুগালের কোচ। এতে আক্রমণে কিছুটা গতি বাড়ে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনে কলম্বিয়াও। শেষ ১০ মিনিটে অলআউট আক্রমণে যায় পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেসের ক্রস থেকে রোনালদোর হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক। মূল সময় ৯০ মিনিট পর্যন্ত গোল দিতে পারেনি কোনো দলই।
এরপর যোগ করা সময়ে আসে নাটকীয় সেই মুহূর্ত। সানচেজের গোল বাতিল হলে স্বস্তি পায় পর্তুগাল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দল গোল করতে পারেনি।
এই ড্রয়ে গ্রুপসেরা হয়েছে কলম্বিয়া। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ ঘানা। রানার্সআপ হওয়া পর্তুগাল খেলবে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬