স্পোর্টস ডেস্ক

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ডিন ক্লিভার ও কাতেনে ক্লার্ক-এর জোড়া ফিফটির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮২ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুটি উইকেট তুলে নিয়েছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) মেঘাচ্ছন্ন দুপুরে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচের প্রথম বলেই কাতেনে ক্লার্ক একটি বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতাটা শুরু করেন। অবশ্য শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম রবিনসন রানের খাতা খোলার আগেই তৌহিদ হৃদয়ের থ্রোতে রান আউটের শিকার হলে প্রথম সাফল্য পায় স্বাগতিকরা।
নতুন বলে ওভার কাস্ট কন্ডিশনে যেখানে পেস বোলারেরা সাফল্য পেয়ে থাকেন। তবে সেটি পাওয়ারপ্লেতে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছিল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান ডিন ক্লিভার ও কাতেনে ক্লার্ক একের পর এক শর্ট খেলে বাউন্ডারি আদায় করতে থাকেন। পাওয়ার প্লের প্রথম ছয় ওভারে বাউন্ডারিতে থাকা দুই ফিল্ডার থাকার সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগাতে থাকে দুজন, এ সময়ে তারা এক উইকেট হারিয়ে ৬১ রান আদায় করতে সক্ষম হয়। এই দুই ব্যাটসম্যান ২৭ বলে ৫০ রানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন।
পাওয়ার প্লের পরেও বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে সাবলিলভাবেই খেলতে থাকেন দুই ব্যাটসম্যান। ইনিংসের ১০ম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় রিশাদকে পর পর দুটি চার মারেন ক্লিভার। নিজের স্নায়ু চাপ ধরে রেখে শেষ হাসিটা হাসেন রিশাদ। তার পরের বলেই রিশাদের লেগ স্পিন ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পরে ৫১ রান করে মাঠ ছাড়েন ক্লিভার। ১০ ওভারে নিউজিল্যান্ড ২ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান পার করে।
নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামা নিউজিল্যান্ডের ওপেনার কাতেনে ক্লার্ক নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশত তুলে নেন। যদিও তিনিও ৫০ করার পর বেশি সময় ক্রিজে থিতু হতে পারেনি, রিশাদের বলে হৃদয়ের তালুবন্দি হয়ে ৫১ রানে মাঠ ছাড়েন তিনি। রিশাদের দুই উইকেটের ফলে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ।
রিশাদের বোলিংয়ের ফলে সৃষ্ট চাপকে কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের শিবিরে পরবর্তী আঘাত হানে পেসার তানজিম সাকিব। তাঁর বলে বিজে জ্যাকবস মাত্র ১ রানে আউট হলে আরও চাপে পরে নিউজিল্যান্ড।
চারটি উইকেট যাওয়ার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে দুটি অর্ধ শত করা ব্যাটার নিক কেলি ও ডিন ফক্সক্রফট তখন ক্রিজে ছিল। শেষ ওডিআই তে একের পর এক ছয় হাঁকানো ব্যাটার ফক্সক্রফট আজ শেখ মাহাদির বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৩ রান করে মাঠ ছাড়ে।
আজকের ম্যাচে দলের ক্যাপ্টেন কেলি তার ওডিআই ফর্মটি টি টোয়েন্টিতে ধরে রেখে ম্যাচের রানের গতি বাড়াতে থাকে একের পর এক বাউন্ডারি খেলে ক্লার্কসনকে সঙ্গে নিয়ে। শরিফুলের স্লোয়ার বলে কেলি আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন। তিনি আউট হলেও জশ ক্লার্কসন স্লগ ওভারে এগ্রিসিভ ব্যাটিং চালাতে থাকে তার বদৌলতে নিউজিল্যান্ড ১৮২ রানের স্কোর করতে সক্ষম হয়। যদিও শেষ ওভারে ৬ রান দিয়ে রানের চাকাটা আটকে ধরেন রিপন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১৮২/৬ ডিন ক্লিভার ৫১ কাতেনে ক্লার্ক ৫১। রিশাদ ৩২/২ (৪)

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ডিন ক্লিভার ও কাতেনে ক্লার্ক-এর জোড়া ফিফটির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮২ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুটি উইকেট তুলে নিয়েছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) মেঘাচ্ছন্ন দুপুরে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচের প্রথম বলেই কাতেনে ক্লার্ক একটি বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতাটা শুরু করেন। অবশ্য শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম রবিনসন রানের খাতা খোলার আগেই তৌহিদ হৃদয়ের থ্রোতে রান আউটের শিকার হলে প্রথম সাফল্য পায় স্বাগতিকরা।
নতুন বলে ওভার কাস্ট কন্ডিশনে যেখানে পেস বোলারেরা সাফল্য পেয়ে থাকেন। তবে সেটি পাওয়ারপ্লেতে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছিল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান ডিন ক্লিভার ও কাতেনে ক্লার্ক একের পর এক শর্ট খেলে বাউন্ডারি আদায় করতে থাকেন। পাওয়ার প্লের প্রথম ছয় ওভারে বাউন্ডারিতে থাকা দুই ফিল্ডার থাকার সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগাতে থাকে দুজন, এ সময়ে তারা এক উইকেট হারিয়ে ৬১ রান আদায় করতে সক্ষম হয়। এই দুই ব্যাটসম্যান ২৭ বলে ৫০ রানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন।
পাওয়ার প্লের পরেও বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে সাবলিলভাবেই খেলতে থাকেন দুই ব্যাটসম্যান। ইনিংসের ১০ম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় রিশাদকে পর পর দুটি চার মারেন ক্লিভার। নিজের স্নায়ু চাপ ধরে রেখে শেষ হাসিটা হাসেন রিশাদ। তার পরের বলেই রিশাদের লেগ স্পিন ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পরে ৫১ রান করে মাঠ ছাড়েন ক্লিভার। ১০ ওভারে নিউজিল্যান্ড ২ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান পার করে।
নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামা নিউজিল্যান্ডের ওপেনার কাতেনে ক্লার্ক নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশত তুলে নেন। যদিও তিনিও ৫০ করার পর বেশি সময় ক্রিজে থিতু হতে পারেনি, রিশাদের বলে হৃদয়ের তালুবন্দি হয়ে ৫১ রানে মাঠ ছাড়েন তিনি। রিশাদের দুই উইকেটের ফলে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ।
রিশাদের বোলিংয়ের ফলে সৃষ্ট চাপকে কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের শিবিরে পরবর্তী আঘাত হানে পেসার তানজিম সাকিব। তাঁর বলে বিজে জ্যাকবস মাত্র ১ রানে আউট হলে আরও চাপে পরে নিউজিল্যান্ড।
চারটি উইকেট যাওয়ার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে দুটি অর্ধ শত করা ব্যাটার নিক কেলি ও ডিন ফক্সক্রফট তখন ক্রিজে ছিল। শেষ ওডিআই তে একের পর এক ছয় হাঁকানো ব্যাটার ফক্সক্রফট আজ শেখ মাহাদির বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৩ রান করে মাঠ ছাড়ে।
আজকের ম্যাচে দলের ক্যাপ্টেন কেলি তার ওডিআই ফর্মটি টি টোয়েন্টিতে ধরে রেখে ম্যাচের রানের গতি বাড়াতে থাকে একের পর এক বাউন্ডারি খেলে ক্লার্কসনকে সঙ্গে নিয়ে। শরিফুলের স্লোয়ার বলে কেলি আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন। তিনি আউট হলেও জশ ক্লার্কসন স্লগ ওভারে এগ্রিসিভ ব্যাটিং চালাতে থাকে তার বদৌলতে নিউজিল্যান্ড ১৮২ রানের স্কোর করতে সক্ষম হয়। যদিও শেষ ওভারে ৬ রান দিয়ে রানের চাকাটা আটকে ধরেন রিপন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১৮২/৬ ডিন ক্লিভার ৫১ কাতেনে ক্লার্ক ৫১। রিশাদ ৩২/২ (৪)
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬