বিশ্বকাপের তরুণ সেনসেশন–৬
স্পোর্টস ডেস্ক

আর্জেন্টাইন ফুটবলে আরও এক বাঁ পায়ের জাদুকরের আগমন ঘটেছে। রিয়াল মাদ্রিদের ‘লা ফাব্রিকা’ একাডেমি থেকে আসা এই ফুটবলার বর্তমানে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো এফসিতে আলো ছড়াচ্ছেন।
২১ বছর বয়সী তরুণ তুর্কির নাম নিকো পাজ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনার অন্যতম ভরসা এই মিডফিল্ডার। ইতিমধ্যে পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের আইডল লিওনেল মেসিকেও মুগ্ধ করেছেন তিনি।
২০০৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর স্পেনের তেনেরিফেতে জন্ম নিকো পাজের। তিনি আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার পাবলো পাজের ছেলে। বাবার তুলে রাখা সেই আকাশি-নীল জার্সিই নিজের গায়ে জড়িয়েছেন। স্পেনে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। যুব পর্যায়ে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২০ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে খেলেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলগুলোতে পারফর্ম করে প্রথম সবার নজরে আসেন। তবে রিয়াল মাদ্রিদের মূল দলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছিলেন কম। ২০২৫ সালে পাড়ি জমান ইতালির সিরি আ’র ক্লাব কোমো এফসিতে। সেখানে স্প্যানিশ কিংবদন্তি সেস্ক ফ্যাব্রিগাসের অধীনে নিজের খেলার আরও উন্নতি করেছেন।
মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করা, নিখুঁত ড্রিবলিং আর সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর কারিগর হয়ে উঠেছেন নিকো পাজ। সেরি আ’তে তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘নিকোর ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।’
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয় তাঁর। প্রথম ম্যাচেই মেসির একটি গোলে অ্যাসিস্ট করে সবার নজর কাড়েন নিকো।
জাতীয় দলের হয়ে নিকোর ঝুলিতে আছে এক গোল। ২০২৫-২৬ মৌসুমে কোমো এফসির হয়ে করেছেন ১৩ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট। এর আগে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, স্প্যানিশ কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও লা লিগার শিরোপাও জিতেছেন নিকো।

নিখুঁত লং পাস, দূরপাল্লার জোরালো শট এবং উইং ও সেন্ট্রাল মিডফিল্ড—দুই পজিশনেই সমান দক্ষতায় খেলতে পারা নিকোকে বলা হচ্ছে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের নতুন ‘ইঞ্জিন’।
আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন নিকো। এরপর ২২ জুন অস্ট্রিয়া এবং ২৮ জুন জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। গ্রুপ পর্বের বাধা টপকালে শেষ ৩২, এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং সবশেষে ফাইনাল খেলেই শিরোপা ধরে রাখতে হবে আর্জেন্টিনাকে।
এই মিশনের স্পটলাইট নিঃসন্দেহে ফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ওপরেই থাকবে। তবে আলভারেজ, এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টারদের ভিড়ে তরুণ নিকো পাজ চাইবেন দলের জন্য সেরা ভূমিকাই রাখতে। চাইবেন কাতার বিশ্বকাপে মেসির ম্যাজিকের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে শিরোপা ধরে রাখতে। কতটুকু সফল হবেন তা অবশ্য সময়ই বলে দেবে।

আর্জেন্টাইন ফুটবলে আরও এক বাঁ পায়ের জাদুকরের আগমন ঘটেছে। রিয়াল মাদ্রিদের ‘লা ফাব্রিকা’ একাডেমি থেকে আসা এই ফুটবলার বর্তমানে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো এফসিতে আলো ছড়াচ্ছেন।
২১ বছর বয়সী তরুণ তুর্কির নাম নিকো পাজ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনার অন্যতম ভরসা এই মিডফিল্ডার। ইতিমধ্যে পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের আইডল লিওনেল মেসিকেও মুগ্ধ করেছেন তিনি।
২০০৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর স্পেনের তেনেরিফেতে জন্ম নিকো পাজের। তিনি আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার পাবলো পাজের ছেলে। বাবার তুলে রাখা সেই আকাশি-নীল জার্সিই নিজের গায়ে জড়িয়েছেন। স্পেনে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। যুব পর্যায়ে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২০ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে খেলেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলগুলোতে পারফর্ম করে প্রথম সবার নজরে আসেন। তবে রিয়াল মাদ্রিদের মূল দলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছিলেন কম। ২০২৫ সালে পাড়ি জমান ইতালির সিরি আ’র ক্লাব কোমো এফসিতে। সেখানে স্প্যানিশ কিংবদন্তি সেস্ক ফ্যাব্রিগাসের অধীনে নিজের খেলার আরও উন্নতি করেছেন।
মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করা, নিখুঁত ড্রিবলিং আর সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর কারিগর হয়ে উঠেছেন নিকো পাজ। সেরি আ’তে তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘নিকোর ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।’
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয় তাঁর। প্রথম ম্যাচেই মেসির একটি গোলে অ্যাসিস্ট করে সবার নজর কাড়েন নিকো।
জাতীয় দলের হয়ে নিকোর ঝুলিতে আছে এক গোল। ২০২৫-২৬ মৌসুমে কোমো এফসির হয়ে করেছেন ১৩ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট। এর আগে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, স্প্যানিশ কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও লা লিগার শিরোপাও জিতেছেন নিকো।

নিখুঁত লং পাস, দূরপাল্লার জোরালো শট এবং উইং ও সেন্ট্রাল মিডফিল্ড—দুই পজিশনেই সমান দক্ষতায় খেলতে পারা নিকোকে বলা হচ্ছে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের নতুন ‘ইঞ্জিন’।
আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন নিকো। এরপর ২২ জুন অস্ট্রিয়া এবং ২৮ জুন জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। গ্রুপ পর্বের বাধা টপকালে শেষ ৩২, এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং সবশেষে ফাইনাল খেলেই শিরোপা ধরে রাখতে হবে আর্জেন্টিনাকে।
এই মিশনের স্পটলাইট নিঃসন্দেহে ফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ওপরেই থাকবে। তবে আলভারেজ, এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টারদের ভিড়ে তরুণ নিকো পাজ চাইবেন দলের জন্য সেরা ভূমিকাই রাখতে। চাইবেন কাতার বিশ্বকাপে মেসির ম্যাজিকের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে শিরোপা ধরে রাখতে। কতটুকু সফল হবেন তা অবশ্য সময়ই বলে দেবে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
২০ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১ দিন আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
২০ জুলাই ২০২৬
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ জুলাই ২০২৬