স্পোর্টস ডেস্ক

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। স্কোরলাইন তখনও ০-০। গ্যালারিতে বসা হাজারো কানাডিয়ান সমর্থক যখন অতিরিক্ত সময়ের উৎকণ্ঠায় নখ কামড়াচ্ছেন, ঠিক তখনই লস অ্যাঞ্জেলসের সোফি স্টেডিয়ামে তারা রোববার (২৮ জুন) মেতে ওঠে বুনো উল্লাসে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯০+২ মিনিটে) বক্সের থেকে দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়ান মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও। আর এই এক গোলেই ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক কানাডা।
বিশ্বকাপে শেষ-৩২-এর প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসের ৯৬ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে কোয়ালিফাই করে দুটি দেশ। প্রথমার্ধের লড়াই শেষে স্কোরবোর্ড হয়তো নিষ্প্রাণ (০-০) দেখাচ্ছে, কিন্তু মাঠের ভেতরের ফুটবলটা ছিল মূলত দুই ডাগআউটের মাস্টারমাইন্ড হুগো ব্রুস ও জেসি মার্শের ট্যাকটিক্যাল চালের এক ক্লাসিক প্রদর্শনী।
কানাডার কোচ জেসি মার্শ কাগজে-কলমে ৪-৪-২ ছকে খেলছিলন। যেখানে ফরওয়ার্ড লাইনের দুই খেলোয়াড় জোনাথন ডেভিড এবং ওলুয়াসেয়ি ফ্রন্ট-লাইন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ওকোন ও মবোখাজিকে কড়া পাহারায় রেখেছিলেন।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস তাঁর দলকে সাজিয়েছিলেন ৪-২-৩-১ ছকে। ব্রুসের মূল লক্ষ্যই ছিল পজিশনাল প্লে বা বলের দখল ধরে রেখে ধীরে ধীরে কানাডার ডিফেন্সিভ ব্লককে ভেঙে দেওয়া। মাঝমাঠে তেবোহো মকোয়েনা এবং স্পেফেলো সিথোলের ডাবল-পিভট (দুইজন সেন্টার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার) ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে বিল্ড-আপের অন্যতম কারিগর।
ম্যাচের ৬ মিনিটে কানাডার রক্ষণভাগ কিছুটা ওপরে উঠে এলে মাঝমাঠে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার তেবোহো মকোয়েনা, যদিও তা কানাডার গোলরক্ষক প্রতিহত করেন।সময় বাড়তে বাড়তে ম্যাচের শুরুর ১৫ মিনিট কানাডার হাই-প্রেসিংয়ের মুখে আফ্রিকার ডাবল পিভটের কল্যাণে তেমন কোন বিপদ ও ঘটেনি।
যদিও কানাডার এই লাগাতার চাপের সুফল তারা প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল ম্যাচের ১৯ মিনিটে। রাইট-ব্যাক অ্যালিস্টেয়ার জনস্টন ওভারল্যাপ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্স লাইনের ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে রিচিকে পাস দিলেও সেইটা তিনি ওয়ান-টু-ওয়ান পজেশনে থেকেও বল জালে জড়াতে পারেননি। প্রথমার্ধে ম্যাচ লিড নেওয়ার এটাই ছিল সবচেয়ে সহজ সুযোগ।‘বাফানা বাফানা’র লেফট-উইংয়ে ওসউইন আপোলিস এবং অব্রে মোদিবাকে দিয়ে ‘ওভারলোড’ তৈরি করে কানাডার রাইট-ব্যাক জনস্টনকে একা করে দেওয়ার ট্যাকটিকস খাটায়। ২৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম অন-টার্গেট শটটি আদায় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। মাঝমাঠ থেকে মকোয়েনার বাড়ানো এক নিখুঁত সুইচ-পাস ওসউইন আপোলির কাছে গেলে ডান পায়ে তাঁর নেওয়া এক নিচু জোরালো শট বাম দিকে চমৎকার ডাইভ দিয়ে গ্লাভসবন্দি করেন কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউয়ের চ্যালেঞ্জে বক্সে পড়েন কানাডার ডিফেন্ডার রিচি লারিয়া। কানাডার খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির দাবি করলেও তিনি খেলার নির্দেশ দিয়ে যান। পরবর্তীতে গোল শূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। এর আগে ওব্রে মোদিবার দুর্দান্ত এক গোললাইন ক্লিয়ারেন্সও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকাও নিজেদের গুটিয়ে রাখেনি। দলটির ফরওয়ার্ড ওসউইন আপোলিস বাঁ দিক থেকে কেটে এসে দূরপাল্লার শট তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে পরিষ্কার সুযোগ তৈরিতে এগিয়েই ছিল কানাডা। ম্যাচ যত এগোয়, ততই বাড়তে থাকে স্নায়ুচাপ। একদিকে কানাডা মরিয়া হয়ে গোল খুঁজেছে, অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা নিখুঁত রক্ষণে প্রতিপক্ষকে আটকে রেখেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার নকআউট খেলতে নামা দুই দলের লড়াইয়ে সেই চাপ স্পষ্ট ফুটে ওঠে প্রতিটি দ্বৈরথে। ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ম্যাচের ৯২ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার ডি-বক্সের ভেতর জটলার সুযোগ নিয়ে বল পান কানাডার মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক উইলিয়ামসকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ তে এগিয়ে নেন তিনি। ম্যাচের বাকি ৩ মিনিটে গোলটি শোধ করার মতো আর কোনো সময় পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। স্কোরলাইন তখনও ০-০। গ্যালারিতে বসা হাজারো কানাডিয়ান সমর্থক যখন অতিরিক্ত সময়ের উৎকণ্ঠায় নখ কামড়াচ্ছেন, ঠিক তখনই লস অ্যাঞ্জেলসের সোফি স্টেডিয়ামে তারা রোববার (২৮ জুন) মেতে ওঠে বুনো উল্লাসে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯০+২ মিনিটে) বক্সের থেকে দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়ান মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও। আর এই এক গোলেই ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক কানাডা।
বিশ্বকাপে শেষ-৩২-এর প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসের ৯৬ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে কোয়ালিফাই করে দুটি দেশ। প্রথমার্ধের লড়াই শেষে স্কোরবোর্ড হয়তো নিষ্প্রাণ (০-০) দেখাচ্ছে, কিন্তু মাঠের ভেতরের ফুটবলটা ছিল মূলত দুই ডাগআউটের মাস্টারমাইন্ড হুগো ব্রুস ও জেসি মার্শের ট্যাকটিক্যাল চালের এক ক্লাসিক প্রদর্শনী।
কানাডার কোচ জেসি মার্শ কাগজে-কলমে ৪-৪-২ ছকে খেলছিলন। যেখানে ফরওয়ার্ড লাইনের দুই খেলোয়াড় জোনাথন ডেভিড এবং ওলুয়াসেয়ি ফ্রন্ট-লাইন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ওকোন ও মবোখাজিকে কড়া পাহারায় রেখেছিলেন।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস তাঁর দলকে সাজিয়েছিলেন ৪-২-৩-১ ছকে। ব্রুসের মূল লক্ষ্যই ছিল পজিশনাল প্লে বা বলের দখল ধরে রেখে ধীরে ধীরে কানাডার ডিফেন্সিভ ব্লককে ভেঙে দেওয়া। মাঝমাঠে তেবোহো মকোয়েনা এবং স্পেফেলো সিথোলের ডাবল-পিভট (দুইজন সেন্টার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার) ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে বিল্ড-আপের অন্যতম কারিগর।
ম্যাচের ৬ মিনিটে কানাডার রক্ষণভাগ কিছুটা ওপরে উঠে এলে মাঝমাঠে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার তেবোহো মকোয়েনা, যদিও তা কানাডার গোলরক্ষক প্রতিহত করেন।সময় বাড়তে বাড়তে ম্যাচের শুরুর ১৫ মিনিট কানাডার হাই-প্রেসিংয়ের মুখে আফ্রিকার ডাবল পিভটের কল্যাণে তেমন কোন বিপদ ও ঘটেনি।
যদিও কানাডার এই লাগাতার চাপের সুফল তারা প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল ম্যাচের ১৯ মিনিটে। রাইট-ব্যাক অ্যালিস্টেয়ার জনস্টন ওভারল্যাপ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্স লাইনের ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে রিচিকে পাস দিলেও সেইটা তিনি ওয়ান-টু-ওয়ান পজেশনে থেকেও বল জালে জড়াতে পারেননি। প্রথমার্ধে ম্যাচ লিড নেওয়ার এটাই ছিল সবচেয়ে সহজ সুযোগ।‘বাফানা বাফানা’র লেফট-উইংয়ে ওসউইন আপোলিস এবং অব্রে মোদিবাকে দিয়ে ‘ওভারলোড’ তৈরি করে কানাডার রাইট-ব্যাক জনস্টনকে একা করে দেওয়ার ট্যাকটিকস খাটায়। ২৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম অন-টার্গেট শটটি আদায় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। মাঝমাঠ থেকে মকোয়েনার বাড়ানো এক নিখুঁত সুইচ-পাস ওসউইন আপোলির কাছে গেলে ডান পায়ে তাঁর নেওয়া এক নিচু জোরালো শট বাম দিকে চমৎকার ডাইভ দিয়ে গ্লাভসবন্দি করেন কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউয়ের চ্যালেঞ্জে বক্সে পড়েন কানাডার ডিফেন্ডার রিচি লারিয়া। কানাডার খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির দাবি করলেও তিনি খেলার নির্দেশ দিয়ে যান। পরবর্তীতে গোল শূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। এর আগে ওব্রে মোদিবার দুর্দান্ত এক গোললাইন ক্লিয়ারেন্সও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকাও নিজেদের গুটিয়ে রাখেনি। দলটির ফরওয়ার্ড ওসউইন আপোলিস বাঁ দিক থেকে কেটে এসে দূরপাল্লার শট তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে পরিষ্কার সুযোগ তৈরিতে এগিয়েই ছিল কানাডা। ম্যাচ যত এগোয়, ততই বাড়তে থাকে স্নায়ুচাপ। একদিকে কানাডা মরিয়া হয়ে গোল খুঁজেছে, অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা নিখুঁত রক্ষণে প্রতিপক্ষকে আটকে রেখেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার নকআউট খেলতে নামা দুই দলের লড়াইয়ে সেই চাপ স্পষ্ট ফুটে ওঠে প্রতিটি দ্বৈরথে। ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ম্যাচের ৯২ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার ডি-বক্সের ভেতর জটলার সুযোগ নিয়ে বল পান কানাডার মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক উইলিয়ামসকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ তে এগিয়ে নেন তিনি। ম্যাচের বাকি ৩ মিনিটে গোলটি শোধ করার মতো আর কোনো সময় পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১০ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬