স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীসেরা গোলের’ ৪০ বছর পূর্তি আজ।
১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের ৫২ মিনিটে ফুটবলপ্রেমীরা সাক্ষী হন ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ও আলোচিত গোলের।
ডি-বক্সের ভেতর বাতাসে ভাসমান বল গ্লাভসবন্দী করতে লাফিয়ে ওঠেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটন। ঠিক একই সময়ে ৫ ফুট ১১ ইঞ্চির ডিয়েগো ম্যারাডোনা শূন্যে লাফিয়ে উঠে শিলটনের আগেই নিজের বাঁ হাত দিয়ে বল জালে ঠেলে দেন। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডবলের দাবি তুললেও তা নাকচ করে দেন রেফারি আলী বিন নাসের।
ম্যাচ শেষে এই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এই গোল খানিকটা আমার মাথা আর খানিকটা ঈশ্বরের হাত।’ এরপর থেকেই বিশ্ব ফুটবলে এই গোল ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়।
এই বিতর্কিত গোলের তিন মিনিট পর, ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ম্যারাডোনা উপহার দেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম জাদুকরী গোল। মাঝমাঠের কিছুটা পেছন থেকে বল পেয়ে ম্যারাডোনা তাঁর বাঁ পায়ে ড্রিবলিং শুরু করেন। ক্ষিপ্র গতিতে একে একে পাঁচজন ইংলিশ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন। এরপর ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে আলতো এক টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন।

এই গোল পরবর্তী সময়ে ফিফার ভোটে ‘শতাব্দীসেরা গোল’ বা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র স্বীকৃতি পায়।
মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি এই ম্যাচ উপভোগ করা সাংবাদিক ফার্নান্দেজ মুরস বলেন, ‘আমি একদম কাছ থেকে পুরো বিষয়টা দেখেছি এবং ম্যারাডোনার হাতের ছোঁয়া পরিষ্কার লক্ষ করেছি। আমরা সাংবাদিকেরা তখন নিজেদের মধ্যে তর্ক করছিলাম। কিন্তু ঠিক কয়েক মিনিট পরেই ম্যারাডোনা সেই অবিশ্বাস্য গোলটি করেন। আমাদের সব বিতর্ক নিমিষেই মিলিয়ে যায়।’
ম্যারাডোনার জাদুকরী পারফরম্যান্সে ভর করে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা।
আরেক সাংবাদিক ওয়ালি প্রিমোসিচ বলেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবল ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এই ম্যাচ এক অনন্য ঘটনা। ইংরেজরাই ফুটবল খেলা তৈরি করেছে এবং এর নিয়মকানুন বেঁধে দিয়েছে। সেই ইংল্যান্ডকে তাদেরই খেলায় আমাদের নিজস্ব ঘরানার শৈল্পিক ও চতুর ফুটবল দিয়ে হারানোর বড় তাগিদ ছিল। এই জয় আমাদের বিশাল আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছিল।’
ইতিহাসের বিশেষ এই দিনে আজ আবারও মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ ইউরোপের দল অস্ট্রিয়া।
১৯৮৬ সালের এই দিনে ফুটবল বিশ্ব দেখেছিল ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুকরী ম্যাজিক, আর আজ কোটি ফুটবলপ্রেমী অপেক্ষায় আরেক মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুময় ফুটবলের।

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীসেরা গোলের’ ৪০ বছর পূর্তি আজ।
১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের ৫২ মিনিটে ফুটবলপ্রেমীরা সাক্ষী হন ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ও আলোচিত গোলের।
ডি-বক্সের ভেতর বাতাসে ভাসমান বল গ্লাভসবন্দী করতে লাফিয়ে ওঠেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটন। ঠিক একই সময়ে ৫ ফুট ১১ ইঞ্চির ডিয়েগো ম্যারাডোনা শূন্যে লাফিয়ে উঠে শিলটনের আগেই নিজের বাঁ হাত দিয়ে বল জালে ঠেলে দেন। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডবলের দাবি তুললেও তা নাকচ করে দেন রেফারি আলী বিন নাসের।
ম্যাচ শেষে এই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এই গোল খানিকটা আমার মাথা আর খানিকটা ঈশ্বরের হাত।’ এরপর থেকেই বিশ্ব ফুটবলে এই গোল ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়।
এই বিতর্কিত গোলের তিন মিনিট পর, ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ম্যারাডোনা উপহার দেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম জাদুকরী গোল। মাঝমাঠের কিছুটা পেছন থেকে বল পেয়ে ম্যারাডোনা তাঁর বাঁ পায়ে ড্রিবলিং শুরু করেন। ক্ষিপ্র গতিতে একে একে পাঁচজন ইংলিশ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন। এরপর ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে আলতো এক টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন।

এই গোল পরবর্তী সময়ে ফিফার ভোটে ‘শতাব্দীসেরা গোল’ বা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র স্বীকৃতি পায়।
মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি এই ম্যাচ উপভোগ করা সাংবাদিক ফার্নান্দেজ মুরস বলেন, ‘আমি একদম কাছ থেকে পুরো বিষয়টা দেখেছি এবং ম্যারাডোনার হাতের ছোঁয়া পরিষ্কার লক্ষ করেছি। আমরা সাংবাদিকেরা তখন নিজেদের মধ্যে তর্ক করছিলাম। কিন্তু ঠিক কয়েক মিনিট পরেই ম্যারাডোনা সেই অবিশ্বাস্য গোলটি করেন। আমাদের সব বিতর্ক নিমিষেই মিলিয়ে যায়।’
ম্যারাডোনার জাদুকরী পারফরম্যান্সে ভর করে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা।
আরেক সাংবাদিক ওয়ালি প্রিমোসিচ বলেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবল ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এই ম্যাচ এক অনন্য ঘটনা। ইংরেজরাই ফুটবল খেলা তৈরি করেছে এবং এর নিয়মকানুন বেঁধে দিয়েছে। সেই ইংল্যান্ডকে তাদেরই খেলায় আমাদের নিজস্ব ঘরানার শৈল্পিক ও চতুর ফুটবল দিয়ে হারানোর বড় তাগিদ ছিল। এই জয় আমাদের বিশাল আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছিল।’
ইতিহাসের বিশেষ এই দিনে আজ আবারও মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ ইউরোপের দল অস্ট্রিয়া।
১৯৮৬ সালের এই দিনে ফুটবল বিশ্ব দেখেছিল ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুকরী ম্যাজিক, আর আজ কোটি ফুটবলপ্রেমী অপেক্ষায় আরেক মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুময় ফুটবলের।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়ম ‘হাইড্রেশন ব্রেকের’ ওপর চটেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, এই নিয়ম ফুটবল ম্যাচকে চার ভাগে বিভক্ত করছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’র দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া লিওনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ আজ ইউরোপের শক্তিশালী দল অস্ট্রিয়া। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয় পেল মিসর। সোমবার (২২ জুন) সকালে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটান মোহাম্মদ সালাহর দল।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রথম ম্যাচে দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের সেই স্পেন নিজেদের জাত চেনালো। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে রোববার (২১ জুন) মাঠে নেমে গতি, নিখুঁত ট্রানজিশন ও হাইপ্রেসিং ফুটবলের পসরা সাজিয়ে চিরচেনা রূপে ধরা দিল স্প্যানিশ ফুটবলের সৌন্দর্য। সৌদি আরবকে হারালো ৪-০ গোলে।
১০ ঘণ্টা আগে