স্ট্রিম প্রতিবেদক

সিলেট টেস্টে প্রথম দিনেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সংগ্রহও ছিল মামুলি ২৭৮ রান। তবে বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সেই সংগ্রহেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরুতেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। আগের দিন বিনা উইকেটে ২১ রান তোলা পাকিস্তান ২৩ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারায়। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ দুই উইকেট নিলে প্রথম সেশনেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে হারায় পাকিস্তান।
মাঝে পাকিস্তানের ভরসা হয়ে বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফ সেঞ্চুরিও তুলে নেন বাবর। ৬৩ বলে আট চারে ফিফটি পূর্ণ করেন সাবেক পাক অধিনায়ক। সালমান আলী আঘাকে পঞ্চম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ ৬৩ রানের জুটিও গড়েন।
তবে বাবরকে ৬৮ রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশ ব্রেক-থ্রু এনে দেন নাহিদ রানা। মিডল স্ট্যাম্পের ফুল লেংথ বলে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন বাবর। এরপর ম্যাচে ফের চালকের আসনে চলে আসে বাংলাদেশ।
বাবরের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সালমান আলী আঘাও (২১)। তাইজুলের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর পাকিস্তানি ব্যাটিং লাইনআপের লেজ ছাঁটতে খুব একটা সময় নেয়নি বাংলাদেশ। এর মধ্যে মোহাম্মদ রিজওয়ান কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও ১৩ রানে তাইজুলের শিকার হন। অপরপ্রান্তে থাকা হাসান (১৮) লং সুইপ খেলতে গিয়ে তাইজুলের বলে নাহিদ রানার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন।
এই পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ২০০ রানের আগেই অলআউট হয়ে যাবে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের বোলার খুররম শেহজাদ তাইজুলকে একটি চার ও ছক্কা মেরে চাপ সরানোর চেষ্টা করেন। অন্য প্রান্তে সাজিদ খানও কাউন্টার অ্যাটাক করে দলের রান দুই শ পার করান। ৮ উইকেটে ২০৬ রান তুলে চা বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
এরপর তৃতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন গতি তারকা নাহিদ রানা। প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরান ১০ রান করা শেহজাদকে। এটি ছিল রানার দ্বিতীয় উইকেট।
শেষ উইকেটে পাকিস্তানের সাজিদ খান লিডের ব্যবধান কমাতে বাংলাদেশের ওপর চড়াও হন। ফার্স্ট ক্লাসে সেঞ্চুরি থাকা সাজিদ তাইজুলকে তিন বলে তিনটি ছক্কা হাঁকান। তবে তাঁর এই ক্যামিও ইনিংস বেশি দীর্ঘ হতে দেননি নাহিদ রানা। ২৮ বলে ৩৮ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন সাজিদ। ২৩২ রানে শেষ হয় পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল ও নাহিদ ৩টি করে এবং মিরাজ ও তাসকিন ২টি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২৭৮/১০ (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯; শেহজাদ ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)
পাকিস্তান (১ম ইনিংস): ২৩২/১০ (বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮, শান মাসুদ ২১, সালমান ২১; তাইজুল ৩/৬৭, নাহিদ ৩/৬০, মিরাজ ২/২১, তাসকিন ২/৩৭)

সিলেট টেস্টে প্রথম দিনেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সংগ্রহও ছিল মামুলি ২৭৮ রান। তবে বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সেই সংগ্রহেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরুতেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। আগের দিন বিনা উইকেটে ২১ রান তোলা পাকিস্তান ২৩ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারায়। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ দুই উইকেট নিলে প্রথম সেশনেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে হারায় পাকিস্তান।
মাঝে পাকিস্তানের ভরসা হয়ে বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফ সেঞ্চুরিও তুলে নেন বাবর। ৬৩ বলে আট চারে ফিফটি পূর্ণ করেন সাবেক পাক অধিনায়ক। সালমান আলী আঘাকে পঞ্চম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ ৬৩ রানের জুটিও গড়েন।
তবে বাবরকে ৬৮ রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশ ব্রেক-থ্রু এনে দেন নাহিদ রানা। মিডল স্ট্যাম্পের ফুল লেংথ বলে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন বাবর। এরপর ম্যাচে ফের চালকের আসনে চলে আসে বাংলাদেশ।
বাবরের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সালমান আলী আঘাও (২১)। তাইজুলের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর পাকিস্তানি ব্যাটিং লাইনআপের লেজ ছাঁটতে খুব একটা সময় নেয়নি বাংলাদেশ। এর মধ্যে মোহাম্মদ রিজওয়ান কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও ১৩ রানে তাইজুলের শিকার হন। অপরপ্রান্তে থাকা হাসান (১৮) লং সুইপ খেলতে গিয়ে তাইজুলের বলে নাহিদ রানার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন।
এই পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ২০০ রানের আগেই অলআউট হয়ে যাবে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের বোলার খুররম শেহজাদ তাইজুলকে একটি চার ও ছক্কা মেরে চাপ সরানোর চেষ্টা করেন। অন্য প্রান্তে সাজিদ খানও কাউন্টার অ্যাটাক করে দলের রান দুই শ পার করান। ৮ উইকেটে ২০৬ রান তুলে চা বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
এরপর তৃতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন গতি তারকা নাহিদ রানা। প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরান ১০ রান করা শেহজাদকে। এটি ছিল রানার দ্বিতীয় উইকেট।
শেষ উইকেটে পাকিস্তানের সাজিদ খান লিডের ব্যবধান কমাতে বাংলাদেশের ওপর চড়াও হন। ফার্স্ট ক্লাসে সেঞ্চুরি থাকা সাজিদ তাইজুলকে তিন বলে তিনটি ছক্কা হাঁকান। তবে তাঁর এই ক্যামিও ইনিংস বেশি দীর্ঘ হতে দেননি নাহিদ রানা। ২৮ বলে ৩৮ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন সাজিদ। ২৩২ রানে শেষ হয় পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল ও নাহিদ ৩টি করে এবং মিরাজ ও তাসকিন ২টি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২৭৮/১০ (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯; শেহজাদ ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)
পাকিস্তান (১ম ইনিংস): ২৩২/১০ (বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮, শান মাসুদ ২১, সালমান ২১; তাইজুল ৩/৬৭, নাহিদ ৩/৬০, মিরাজ ২/২১, তাসকিন ২/৩৭)

ডালাসে শনিবার (৪ জুলাই) শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর, টাইব্রেকার নামের স্নায়ুর পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়াকে ৪–২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করেছে মিসর। ৯২ বছর পর, এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠে আফ্রিকার দলটি। নকআউটে প্রথম জয়ও পেল তারা।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালে অন্যতম সেরা লিওনেল মেসি, গোলপোস্টের নিচে ‘চীনের প্রাচীর’ এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কথা বাদ দেন। দলের র্যাঙ্কিংয়ের হিসাবেও আর্জেন্টিনা (২ নম্বর) ও কেপ ভার্দের (৬৪ নম্বর) তুলনা চলে না। তবে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটিই বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর ম্যাচে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই অবিশ্বাস্য সব রূপকথা। এবার নিজেদের অভিষেকেই রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে। নকআউট খেলার রেকর্ড গড়েছে দেশটি।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানা তিন আসরের নকআউট ‘জুজু’ কাটিয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) দাপুটে ফুটবল খেলে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর বাধা টপকে রাজকীয়ভাবে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
০৩ জুলাই ২০২৬