মিরপুর টেস্টে বৃষ্টির বাধা, বড় সংগ্রহের পথে পাকিস্তান

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৫: ১৮
বৃষ্টিতে থেমে আছে ম্যাচ

প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ দল যখন ম্যাচে কামব্যাক করেছিল, ঠিক তখনই বাধ সাধলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আঘা। তাদের দৃঢ়তায় তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পাকিস্তান নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে বৃষ্টিতে ম্যাচে খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও বৃষ্টি আসার আগে তাইজুলের বলে আউট হয়েছেন রিজওয়ান।

লাঞ্চ বিরতির পর পাকিস্তান যখন ২৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে ছিল, তখন ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ রিজওয়ান ও সালমান। তাদের অনবদ্য ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভর করে সেশন শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৩৪৯/৬ (৮৯.৪ ওভার)। রিজওয়ান ৫৯ রানে আউট হলেও সালমান ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।

দ্বিতীয় সেশনে আগ্রাসী ভাবে ব্যাট চালাতে শুরু করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। মধ্যাহ্ন ভোজের পর ৫ ওভারে ৭ রানরেটে দ্রুত রান বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

অবশ্য ইনিংসের ৭৩তম ওভারে বড় একটি সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অফ-স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন সালমান আঘা। কিন্তু দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে লেগে বলটি মাটিতে পড়ে যায়।

ব্যক্তিগত ১৫ রানে জীবন ফিরে পাওয়া সালমান এরপর হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ান। যদিও তার আগে শূন্য রানের সময় নো বলের কল্যানে বেঁচে যায় এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ইনিংসের ৭৬তম ও ৮৩তম ওভারে পাকিস্তান বাংলাদেশের বোলারদের ওপর মানসিকভাবে চড়াও হতে শুরু করে। বিশেষ করে ৮৩ দশমিক ৪ ওভারে নাহিদ রানার ১৪৩.৭ কিমি গতির বলে রিজওয়ান দর্শনীয় এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের আক্রমণাত্মক মেজাজ জানান দেন।

এই সেশনে পাকিস্তানি ব্যাটাররা সেট হয়ে যাওয়ার পর তাইজুল ও মিরাজের স্পিনকেও সাবলীলভাবে মোকাবিলা করেছেন। যখনই মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচটা ফসকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই তাইজুলের বলে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন রিজওয়ান। দ্বিতীয় সেশনে এইটাই ছিল বাংলাদেশের এক মাত্র সাফল্য।

বৃষ্টি আসার আগেই চা-বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান এখনও ৬৪ রানে পিছিয়ে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ৪১৩/১০ (শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১; আব্বাস ৫/৯২, শাহীন ৩/১১৩)

পাকিস্তান ৩৪৯/৬ (আজান ১০৩, ফাজাল ৬০, সালমান ৫৫* ; মিরাজ ৩/৯৪ তাসকিন ২/৭০)

সম্পর্কিত