স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ দল যখন ম্যাচে কামব্যাক করেছিল, ঠিক তখনই বাধ সাধলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আঘা। তাদের দৃঢ়তায় তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পাকিস্তান নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে বৃষ্টিতে ম্যাচে খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও বৃষ্টি আসার আগে তাইজুলের বলে আউট হয়েছেন রিজওয়ান।
লাঞ্চ বিরতির পর পাকিস্তান যখন ২৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে ছিল, তখন ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ রিজওয়ান ও সালমান। তাদের অনবদ্য ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভর করে সেশন শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৩৪৯/৬ (৮৯.৪ ওভার)। রিজওয়ান ৫৯ রানে আউট হলেও সালমান ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।
দ্বিতীয় সেশনে আগ্রাসী ভাবে ব্যাট চালাতে শুরু করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। মধ্যাহ্ন ভোজের পর ৫ ওভারে ৭ রানরেটে দ্রুত রান বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।
অবশ্য ইনিংসের ৭৩তম ওভারে বড় একটি সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অফ-স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন সালমান আঘা। কিন্তু দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে লেগে বলটি মাটিতে পড়ে যায়।
ব্যক্তিগত ১৫ রানে জীবন ফিরে পাওয়া সালমান এরপর হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ান। যদিও তার আগে শূন্য রানের সময় নো বলের কল্যানে বেঁচে যায় এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ইনিংসের ৭৬তম ও ৮৩তম ওভারে পাকিস্তান বাংলাদেশের বোলারদের ওপর মানসিকভাবে চড়াও হতে শুরু করে। বিশেষ করে ৮৩ দশমিক ৪ ওভারে নাহিদ রানার ১৪৩.৭ কিমি গতির বলে রিজওয়ান দর্শনীয় এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের আক্রমণাত্মক মেজাজ জানান দেন।
এই সেশনে পাকিস্তানি ব্যাটাররা সেট হয়ে যাওয়ার পর তাইজুল ও মিরাজের স্পিনকেও সাবলীলভাবে মোকাবিলা করেছেন। যখনই মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচটা ফসকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই তাইজুলের বলে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন রিজওয়ান। দ্বিতীয় সেশনে এইটাই ছিল বাংলাদেশের এক মাত্র সাফল্য।
বৃষ্টি আসার আগেই চা-বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান এখনও ৬৪ রানে পিছিয়ে।
বাংলাদেশ: ৪১৩/১০ (শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১; আব্বাস ৫/৯২, শাহীন ৩/১১৩)
পাকিস্তান ৩৪৯/৬ (আজান ১০৩, ফাজাল ৬০, সালমান ৫৫* ; মিরাজ ৩/৯৪ তাসকিন ২/৭০)

প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ দল যখন ম্যাচে কামব্যাক করেছিল, ঠিক তখনই বাধ সাধলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আঘা। তাদের দৃঢ়তায় তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পাকিস্তান নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে বৃষ্টিতে ম্যাচে খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও বৃষ্টি আসার আগে তাইজুলের বলে আউট হয়েছেন রিজওয়ান।
লাঞ্চ বিরতির পর পাকিস্তান যখন ২৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে ছিল, তখন ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ রিজওয়ান ও সালমান। তাদের অনবদ্য ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভর করে সেশন শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৩৪৯/৬ (৮৯.৪ ওভার)। রিজওয়ান ৫৯ রানে আউট হলেও সালমান ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।
দ্বিতীয় সেশনে আগ্রাসী ভাবে ব্যাট চালাতে শুরু করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। মধ্যাহ্ন ভোজের পর ৫ ওভারে ৭ রানরেটে দ্রুত রান বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।
অবশ্য ইনিংসের ৭৩তম ওভারে বড় একটি সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অফ-স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন সালমান আঘা। কিন্তু দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে লেগে বলটি মাটিতে পড়ে যায়।
ব্যক্তিগত ১৫ রানে জীবন ফিরে পাওয়া সালমান এরপর হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ান। যদিও তার আগে শূন্য রানের সময় নো বলের কল্যানে বেঁচে যায় এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ইনিংসের ৭৬তম ও ৮৩তম ওভারে পাকিস্তান বাংলাদেশের বোলারদের ওপর মানসিকভাবে চড়াও হতে শুরু করে। বিশেষ করে ৮৩ দশমিক ৪ ওভারে নাহিদ রানার ১৪৩.৭ কিমি গতির বলে রিজওয়ান দর্শনীয় এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের আক্রমণাত্মক মেজাজ জানান দেন।
এই সেশনে পাকিস্তানি ব্যাটাররা সেট হয়ে যাওয়ার পর তাইজুল ও মিরাজের স্পিনকেও সাবলীলভাবে মোকাবিলা করেছেন। যখনই মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচটা ফসকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই তাইজুলের বলে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন রিজওয়ান। দ্বিতীয় সেশনে এইটাই ছিল বাংলাদেশের এক মাত্র সাফল্য।
বৃষ্টি আসার আগেই চা-বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান এখনও ৬৪ রানে পিছিয়ে।
বাংলাদেশ: ৪১৩/১০ (শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১; আব্বাস ৫/৯২, শাহীন ৩/১১৩)
পাকিস্তান ৩৪৯/৬ (আজান ১০৩, ফাজাল ৬০, সালমান ৫৫* ; মিরাজ ৩/৯৪ তাসকিন ২/৭০)
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬