ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জ

ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে লণ্ডভণ্ড বাসা। স্ট্রিম ছবি

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর ভূঁইগড়ের গিরিধারা এলাকায় শাহজাহান মিয়ার ৮ তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ পাঁচজন হলেন, সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ কালাম মিয়া (৪৭), তার স্ত্রী সায়েমা আক্তার (৩৮), দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫) এবং ছেলে মুন্না (১২)। তারা সবাই রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আশপাশের লোকজন গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা হাসপাতালে পাঠায়।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইনে লিকেজ থেকে রান্নাঘরে গ্যাস জমে এই বিস্ফোরণ হয়েছে।

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মোহাম্মদ রাকিব বলেন, ভোরে সায়েমা আক্তার রান্নাঘরে ম্যাচ জ্বালালে বিস্ফোরণ হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আগে থেকেই লাইনের গ্যাস লিকেজ হয়ে ঘরে জমে ছিল। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা স্বামী ও তিন সন্তান গুরুতর দগ্ধ হন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কালাম মিয়ার শরীরের ৯৫ শতাংশ, তাঁর স্ত্রীর ৬০ শতাংশ, শিশু কথার ৫২ শতাংশ, মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং মুন্নার ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সবার শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কালাম মিয়ার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানার বলুকদিয়া গ্রামে। তিনি ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় ভ্যানগাড়িতে সবজি বিক্রি করতেন।

সম্পর্কিত