‘রাশিয়ার তেল কিনলেই শাস্তি’, তবে ছাড় পেল হাঙ্গেরিরাশিয়ার দুটি বড় তেল কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষণা দিয়েছে—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কোনো দেশ তেল কিনলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। তবে ইউরোপে একমাত্র হাঙ্গেরি এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
ট্রাম্প কি নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল তহবিল আটকে দিতে পারবেননিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির ঐতিহাসিক বিজয়কে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা দেখছেন গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে। মামদানির বিজয় কেবল নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের জন্যই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক রাজনীতির জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশের সবচেয়ে বড় শহর এখন ‘কমিউনিস্ট শহর’ হয়ে উঠবে: মামদানির জয়ে ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম নগরী নিউইয়র্ক সিটির রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন ঘটেছে। ৩৪ বছর বয়সী গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সাবেক ডেমোক্র্যাট গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো এবং রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়াকে পরাজিত করেছেন।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম তিন বড় নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিশাল জয়প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদকালে যুক্তরাষ্ট্রের অনুষ্ঠিত প্রথম বড় তিনটি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা বিশাল জয় পেয়েছে। জানুয়ারি মাসে ট্রাম্পের অভিষেকের পর এই প্রথম বড় আকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ট্রাম্প কেন মামদানিকে হুমকি হিসেবে দেখছেনট্রাম্প মামদানিকে ‘কমিউনিস্ট’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, তিনি জয়ী হলে নিউইয়র্কের ফেডারেল তহবিল কমিয়ে দেওয়া হবে। ফলে এই নির্বাচন এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতির প্রতীকী সংঘাতে পরিণত হয়েছে।
ট্রাম্পের হুমকি: ‘কমিউনিস্ট’ মামদানি জিতলে নিউইয়র্কে ফেডারেল তহবিল বন্ধনিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনের আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটারদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়েছেন—জোহরান মামদানীকে থামাও, না হলে শাস্তি পেতে হবে।
‘খ্রিস্টান হত্যার’ অভিযোগে নাইজেরিয়ায় হামলার হুমকি ট্রাম্পেরযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার অভিযোগ তুলে দেশটিতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্প জানান, যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আমেরিকার প্রথম ‘সৎ’ প্রেসিডেন্টক্ষোভ এখন এক ধরনের জীবনধারা, নৈরাশ্য এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশন। রাজনৈতিক সমালোচনা এখন পণ্য—মিডিয়া ও প্রকাশনা শিল্প মানুষের ক্ষোভকে বই, ডকুমেন্টারি, বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রূপ দিচ্ছে।
ট্রাম্পের এশিয়া সফরে যুক্তরাষ্ট্র কী পেলো, বাণিজ্যযুদ্ধ কি শেষ হলোচীনের সঙ্গে বাণিজ্য-যুদ্ধের দামার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পাঁচ দিনের এশিয়া সফর শেষ করেন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)। ট্রাম্প মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া সফর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।
ট্রাম্পের এশিয়া সফরে অর্জন ভালো, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা ফুটে উঠেছেযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের বিদেশ সফর সাধারণত বিশ্বমঞ্চে আমেরিকার শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পাঁচ দিনের পূর্ব এশিয়া সফরও ছিল মূলত তার ক্ষমতা ও প্রভাবের প্রদর্শন। তবে এবার একই সঙ্গে, সেই ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ট্রাম্প ও শি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তেজনা কমলোদুই নেতা দক্ষিণ কোরিয়ায় এপেক সম্মেলনের ফাঁকে এক বছরের জন্য এই বাণিজ্য চুক্তি করেন। এটি ছিল ২০১৯ সালের পর তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ।
চীনা পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক কমালেন ট্রাম্পচীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, চীনের পণ্যে শুল্ক হার ৫৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৭ শতাংশ করা হয়েছে।
বৈঠক শেষে ট্রাম্প বললেন, ‘আমরা প্রায় সবকিছুতেই একমত’প্রত্যাশার চেয়ে কম সময়েই চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এবং শি ‘প্রায় সবকিছুতেই একমত’ হয়েছেন।
দ. কোরিয়ায় বৈঠকে ট্রাম্প-শিমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ট্রাম্প কি প্রভাব ফেলতে পারবেনমালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৪৭তম আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর এশিয়া সফর শুরু করেন। এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের চাপের মধ্যে কৌশলগত স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টা করছে।
প্রতিবাদের প্রতীক যখন ব্যাঙসবুজ ফোলানো ব্যাঙের পোশাক পরে যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় নেমেছেন হাজারো মানুষ। গত সপ্তাহের পর থেকেই টিকটক, ইন্সটাগ্রাম, ব্লুস্কাইসহ যুক্তরাষ্ট্রের নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভরে গেছে ফোলানো ব্যাঙের ছবি ও ভিডিওতে। কিন্তু কেন?