এপ্রিলের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালএপ্রিলেও প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী ধারা লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম ১১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে শেষ তিন দিনে এসেছে ২৪ কোটি ডলারের বেশি।
মার্চে এলো দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সসদ্য বিদায়ী মার্চে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে দেশে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ হাজার ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এসেছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।
বিদেশে কর্মসংস্থানসৌদি আরবে আটকে শ্রমবাজার, সুখবর নেই কোথাওবাংলাদেশ থেকে গত কয়েক বছরে বিদেশ পাড়ি দেওয়া শ্রমিকের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশই গেছে সৌদি আরব। চলতি বছরের আড়াই মাসেও দেখা গেছে একই ধারা। এই সময়ে কর্মীদের ৬৫ শতাংশই গেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে।
সংঘাত সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে বেড়েছে প্রবাসী আয়সংঘাতের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বাড়ছে। মার্চের প্রথম ১১ দিনে ১৯২ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ১১ মার্চ একদিনেই দেশে এসেছে ১৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
উপসাগরীয় সংকটে কৌশলগত স্বার্থ হাসিল করতে পারে বাংলাদেশমধ্যপ্রাচ্য সংকট আমাদের একটি নতুন সুযোগ দিয়েছে। আমরা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে নতুন করে সাজাতে পারি। এখন পর্যন্ত এই সম্পর্ক শুধু শ্রমিক পাঠানো আর টাকা আনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন সময় এসেছে আরও গভীর সম্পর্ক তৈরির।
ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুকের প্রতিবেদনমূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয়ে ধীরগতি: অর্থনীতিতে মিশ্র সংকেত২০২৬ সালের শুরুতেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। চালের দাম কমায় খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে সামান্য স্বস্তি এসেছে এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।
নির্বাচন সামনে রেখে বাড়ছে রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালআসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় ততই বাড়ছে। চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১৩৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮১ শতাংশ বেশি।
২০২৫ সাল: অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জটিল যাত্রা২০২৫ সালকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বিজয়ের বছর বলা যাবে না, আবার একেবারে ভেঙে পড়ার গল্পও নয়। এই বছরটা যেন মাঝনদীতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি নৌকা; পেছনে তীব্র স্রোত, সামনে অজানা গন্তব্য।
ডিসেম্বরের ২০ দিনে এলো ২.১৭ বিলিয়ন ডলার, প্রথমার্ধে ছাড়াল ১৫ বিলিয়নচলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ। ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনেই দেশে এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। এর ফলে অর্থবছরের প্রথমার্ধেই (জুলাই-ডিসেম্বর) ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ।
নভেম্বরে রেমিট্যান্স এল ২৮৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৩১ শতাংশসদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২৮৮ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। গত বছরের একই মাসের তুলনায় যা ৩১ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। গত বছর নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
সাক্ষাৎকার•আমাদের শিল্প খাত প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যর্থ হচ্ছেবর্তমান অর্থনীতির অবস্থাকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। প্রথমটি হলো সামষ্টিক স্থিতিশীলতা, যা ৫ আগস্টের আগে বেশ কয়েক বছর ধরেই একটি সংকটের মধ্যে ছিল। দ্বিতীয়টি হলো অর্থনীতির সার্বিক কর্মচাঞ্চল্য বা গতিশীলতা।
বাংলাদেশ যেভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘শান্তি রপ্তানিকারক’ দেশ হয়ে উঠলবিশ্বের বুকে বাংলাদেশের পরিচয় আজ শুধু একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নীরবে, নিভৃতে নতুন পরিচয় গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ; যা দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য সম্মান ও মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।