
অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। কিন্তু সংবিধানকে কেবল একটি আইনি দলিল হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবন করা যায় না। এটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দর্শন, ক্ষমতার বণ্টন, নাগরিকের অধিকার এবং রাষ্ট্র-নাগরিক সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি নির্ধারণ করে।
৩ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। অনেকের মনে প্রশ্ন-বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন? রাষ্ট্রপতি হতে কী যোগ্যতা প্রয়োজন? নির্বাচন কি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে, নাকি সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে হয়? সংসদ সদস্যরা কি গোপন নাকি প্রকাশ্য ভোট দেন?
২৬ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতার প্রকৃত তাৎপর্য কেবল সংবিধানের বিধান বিশ্লেষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপতিদের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক ভূমিকা এবং ক্ষমতা থেকে বিদায়ের প্রেক্ষাপটেও এর সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়।
২৪ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্প্রতি একটি প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে—কোনো সংসদ সদস্য গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগে নিজ রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কৃত হলে কি তাঁর সংসদ সদস্যপদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে?
২৩ জুলাই ২০২৬
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নির্বাচন কমিশন ও সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৯ জুলাই ২০২৬
সংবিধান সংস্কারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ নতুন সংসদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। মতপার্থক্যের মূল বিষয়টি সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নয়; বরং সেই সংস্কারের প্রক্রিয়া। সরকার মনে করে, বিদ্যমান সংবিধানের আওতায়...
১৭ জুলাই ২০২৬
সংসদ সদস্যদের স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে হবে যে তাদের মূল দায়িত্ব দুটি—আইন প্রণয়ন এবং সরকারের কাজের তদারকি করা। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সংসদ সদস্যদের কাজ নয়।। সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ না দিয়ে তাদের সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বেশি সময় দিতে হবে। নয়তো সংসদ তার কার্যকারিতা হারাবে।
১২ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত অধ্যায় পার করে আমরা এমন এক নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর ৩১ জুলাই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে, জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ হবে ১০০ আসন বিশিষ্ট। আর এর সদস্য মনোনীত হবেন সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে। অর্থাৎ, দলগুলো জাতীয় নির্বাচনে যে ভোট পাবে, তার ভিত্তিতে তাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে আসন।
০১ আগস্ট ২০২৫.png)