স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “গ্রাহক পর্যায়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।” পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্রাহকরা আতঙ্কিত হয়ে বেশি তেল কেনায় আগে সারাদিনে পাম্পগুলো যে পরিমাণ তেল বিক্রি করত, তা তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মজুত পরিস্থিতি
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত আছে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১৩ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। অকটেনের মজুত আছে প্রায় ১০ হাজার টন (৮ দিনের চাহিদা) এবং পেট্রোলের মজুত রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টন (১০ দিনের চাহিদা)। এ ছাড়া ফার্নেস তেলের মজুত প্রায় ৬৮ হাজার ৩৯০ টন (২৮ দিন), জেট ফুয়েল ৩৩ হাজার ৩৬০ টন (২২ দিন) এবং ৮ হাজার ৩৮৫ টন কেরোসিন মজুত রয়েছে, যা দিয়ে ৪৫ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বর্তমানে প্রায় ৭৬ হাজার টন অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪ হাজার টন করে পরিশোধিত জ্বালানি উৎপাদিত হচ্ছে, যা আগামী ১৭ দিন সরবরাহ সচল রাখতে সহায়ক হবে। তবে আমদানি বিলম্বিত হলে পরিস্থিতি চাপের মুখে পড়তে পারে।
সামনে স্বস্তির সম্ভাবনা
আগামী ২৫ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা প্রায় সাড়ে ৬ দিনের ডিজেল সরবরাহ যোগ করবে। এপ্রিল মাসে ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও ৬টি জাহাজ আসবে, যা প্রায় ১২ দিনের সমপরিমাণ ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি দেশীয় বেসরকারি সরবরাহকারীরাও এই ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে।
অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি
তবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি করে রেখেছে। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে জাহাজ চলাচলে জটিলতা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে চীন ও মালয়েশিয়ার কিছু সরবরাহকারী ‘ফোর্স মাজ্যুর’ ঘোষণা করায় এপ্রিলের চালান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। চলতি মাসে ১৭টি জাহাজ আসার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত পৌঁছেছে মাত্র ৮টি। বাকি ৭টির বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় প্রায় দেড় লাখ টন জ্বালানির সরবরাহ ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিকল্প উৎস ও কূটনৈতিক তৎপরতা
সরকার ইতিমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কাজাখস্তান ও নেদারল্যান্ডস থেকে জ্বালানি কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি রাশিয়া থেকে আমদানি সহজ করতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। এপ্রিল মাসে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন এবং মে মাসে আরও ১৭টি জাহাজে সাড়ে ৩ লাখ টন জ্বালানি আসার সূচি নির্ধারিত আছে। এদিকে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আনার নিশ্চয়তা মিলেছে।
জরুরি পদক্ষেপে জোর
বিপিসি জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে ১৮ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ৮ লাখ টনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও হংকংভিত্তিক কোম্পানির কাছ থেকে কেনা হবে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আরও ১০ লাখ টন জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদার, বিতরণ তদারকি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে বড় সংকট এড়ানো সম্ভব হবে।

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “গ্রাহক পর্যায়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।” পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্রাহকরা আতঙ্কিত হয়ে বেশি তেল কেনায় আগে সারাদিনে পাম্পগুলো যে পরিমাণ তেল বিক্রি করত, তা তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মজুত পরিস্থিতি
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত আছে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১৩ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। অকটেনের মজুত আছে প্রায় ১০ হাজার টন (৮ দিনের চাহিদা) এবং পেট্রোলের মজুত রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টন (১০ দিনের চাহিদা)। এ ছাড়া ফার্নেস তেলের মজুত প্রায় ৬৮ হাজার ৩৯০ টন (২৮ দিন), জেট ফুয়েল ৩৩ হাজার ৩৬০ টন (২২ দিন) এবং ৮ হাজার ৩৮৫ টন কেরোসিন মজুত রয়েছে, যা দিয়ে ৪৫ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বর্তমানে প্রায় ৭৬ হাজার টন অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪ হাজার টন করে পরিশোধিত জ্বালানি উৎপাদিত হচ্ছে, যা আগামী ১৭ দিন সরবরাহ সচল রাখতে সহায়ক হবে। তবে আমদানি বিলম্বিত হলে পরিস্থিতি চাপের মুখে পড়তে পারে।
সামনে স্বস্তির সম্ভাবনা
আগামী ২৫ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা প্রায় সাড়ে ৬ দিনের ডিজেল সরবরাহ যোগ করবে। এপ্রিল মাসে ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও ৬টি জাহাজ আসবে, যা প্রায় ১২ দিনের সমপরিমাণ ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি দেশীয় বেসরকারি সরবরাহকারীরাও এই ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে।
অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি
তবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি করে রেখেছে। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে জাহাজ চলাচলে জটিলতা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে চীন ও মালয়েশিয়ার কিছু সরবরাহকারী ‘ফোর্স মাজ্যুর’ ঘোষণা করায় এপ্রিলের চালান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। চলতি মাসে ১৭টি জাহাজ আসার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত পৌঁছেছে মাত্র ৮টি। বাকি ৭টির বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় প্রায় দেড় লাখ টন জ্বালানির সরবরাহ ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিকল্প উৎস ও কূটনৈতিক তৎপরতা
সরকার ইতিমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কাজাখস্তান ও নেদারল্যান্ডস থেকে জ্বালানি কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি রাশিয়া থেকে আমদানি সহজ করতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। এপ্রিল মাসে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন এবং মে মাসে আরও ১৭টি জাহাজে সাড়ে ৩ লাখ টন জ্বালানি আসার সূচি নির্ধারিত আছে। এদিকে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আনার নিশ্চয়তা মিলেছে।
জরুরি পদক্ষেপে জোর
বিপিসি জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে ১৮ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ৮ লাখ টনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও হংকংভিত্তিক কোম্পানির কাছ থেকে কেনা হবে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আরও ১০ লাখ টন জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদার, বিতরণ তদারকি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে বড় সংকট এড়ানো সম্ভব হবে।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এই বৈঠকে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি, জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের যোগান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং খাত সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।
১৮ মিনিট আগে
ইরান যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বেড়ে নতুন করে জ্বালানি-সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাপানের শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ সকালে লেনদেনের শুরুতেই ৩.৪ শতাংশ নেমে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচকে ধস নামে প্রায় ৫ শতাংশ। আর চীনের সাংহাই কম্পোজিট পয়েন্ট কমেছে ২.৩ শতাংশ।
১ দিন আগে