স্ট্রিম প্রতিবেদক

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ধাপে ধাপে এক অঙ্কে নামিয়ে আনা এবং রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) পরিসর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।
ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেবল সুদের হার বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; এর জন্য আর্থিক খাত, রাজস্ব নীতি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, অর্থনীতির স্বার্থে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি রপ্তানিমুখী সব খাতের জন্য ইডিএফ ফান্ডের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নীতিগত সহায়তা দেওয়া, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ কমানোর ওপর জোর দেন ব্যবসায়ী নেতারা। এছাড়া জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে বিদেশগামী কর্মীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ নির্বিঘ্ন করার সুপারিশ করা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এফবিসিসিআই প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সভায় এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের সমস্যা সমাধানে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের (ডিসিআইআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মাদ হাতেমসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ধাপে ধাপে এক অঙ্কে নামিয়ে আনা এবং রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) পরিসর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।
ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেবল সুদের হার বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; এর জন্য আর্থিক খাত, রাজস্ব নীতি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, অর্থনীতির স্বার্থে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি রপ্তানিমুখী সব খাতের জন্য ইডিএফ ফান্ডের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নীতিগত সহায়তা দেওয়া, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ কমানোর ওপর জোর দেন ব্যবসায়ী নেতারা। এছাড়া জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে বিদেশগামী কর্মীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ নির্বিঘ্ন করার সুপারিশ করা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এফবিসিসিআই প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সভায় এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের সমস্যা সমাধানে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের (ডিসিআইআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মাদ হাতেমসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মাথাপিছু আয় ৩ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সাময়িক হিসাবে এই তথ্য জানানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের ক্ষণ ঘনিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১৫ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (১০ জুন) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এর আগে ১-৩ জানুয়ারি পর্যন্ত একই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল বছরের সর্বনিম্ন ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।
২১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইলেকট্রনিক খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে একদিকে যেমন দেশে তৈরি বিভিন্ন গৃহস্থালিসামগ্রী ও প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের দাম কমতে পারে। অন্যদিকে দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং বিলাসী পণ্য নিরুৎসাহিত করতে কিছু আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
২ দিন আগে