স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে স্বর্ণের ভরি বছরের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দামে পৌঁছেছে।
আজ বুধবার (১০ জুন) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এর আগে ১-৩ জানুয়ারি পর্যন্ত একই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল বছরের সর্বনিম্ন ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এরপর লাফিয়ে বেড়ে ২৯ জানুয়ারি দেশের বাজারে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকায় উঠেছিল স্বর্ণের ভরি।
বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সমন্বয় করে নতুন দর দেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বর্তমান দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ৬ জুন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
চলতি বছর দেশের বাজারে ৭২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ দফা দাম বেড়েছে। কমেছে ৩৫ বার। গত বছর সমন্বয় করা হয় ৯৩ বার, যার মধ্যে ৬৪ বার বাড়ে ও ২৯ বার কমে।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে স্বর্ণের ভরি বছরের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দামে পৌঁছেছে।
আজ বুধবার (১০ জুন) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এর আগে ১-৩ জানুয়ারি পর্যন্ত একই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল বছরের সর্বনিম্ন ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এরপর লাফিয়ে বেড়ে ২৯ জানুয়ারি দেশের বাজারে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকায় উঠেছিল স্বর্ণের ভরি।
বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সমন্বয় করে নতুন দর দেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বর্তমান দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ৬ জুন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
চলতি বছর দেশের বাজারে ৭২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ দফা দাম বেড়েছে। কমেছে ৩৫ বার। গত বছর সমন্বয় করা হয় ৯৩ বার, যার মধ্যে ৬৪ বার বাড়ে ও ২৯ বার কমে।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাধারণত নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে। তবে এসব সরকারের সামনে শুধু ভোট আয়োজনের চ্যালেঞ্জই ছিল না, একই সঙ্গে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা, উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং জনগণের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্বও ছিল।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে জাতীয় বাজেট রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক ও আইনিপ্রক্রিয়া। একই সাথে এটি আয়-ব্যয়ের একটি বার্ষিক হিসাব। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বিভিন্ন সময়ে বাজেটকে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক দর্শন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্ষিক প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের ইতিহাস শুরু হয়েছিল এক কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে। ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর সদ্য স্বাধীন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে ছিল ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো, ভেঙে পড়া অর্থনীতি, খাদ্যসংকট এবং সীমিত রাজস্ব আয়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর (মূসক) চালুর ঘটনাটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাকে আমূল বদলে দিয়েছিল। বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎসগুলোর একটি হলো মূসক।
১ দিন আগে