স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একাধিক ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জ্বালানি, ভোজ্যতেল, ভ্যাকসিন ও সার আমদানি এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খাতে ব্যয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অয়েল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ক্রয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রতি লিটার তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৩ টাকা ৪৮ পয়সা। মেসার্স শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে এই তেলের সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ‘টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার দরে এই এলএনজি কেনা হবে। প্রতিটি কার্গোর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫১২ টাকা।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইপিআই কার্যক্রমে ব্যবহৃত ভ্যাকসিনসমূহ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউনিসেফ থেকে সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬০৪ কোটি ৫ লাখ ৫ হাজার ৮৯৫ টাকা।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও সভায় অনুমোদন পায়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৭৫ কোটি ৩৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭৫ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ৪৭৬.৩৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ ডলার ব্যাগিং চার্জ অন্তর্ভুক্ত।
একই সঙ্গে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ সুবিধা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় একটি সাইটে গুদাম নির্মাণকাজের ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ৪৩ কোটি ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৫৯ টাকা। ‘এসএস রহমান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ এই কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে ‘বাপবিবোর বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এসপিসি পোল (খুঁটি) ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। যৌথভাবে ‘দাদা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’, ‘কনটেক কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’, ‘টিএসসিও পাওয়ার লিমিটেড’ এবং ‘পাশা পোলস লিমিটেড’ এই কাজ বাস্তবায়ন করবে।
বৈঠকে উপস্থাপিত সব প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কমিটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ, কৃষি উৎপাদন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং নিত্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একাধিক ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জ্বালানি, ভোজ্যতেল, ভ্যাকসিন ও সার আমদানি এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খাতে ব্যয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অয়েল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ক্রয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রতি লিটার তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৩ টাকা ৪৮ পয়সা। মেসার্স শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে এই তেলের সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ‘টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার দরে এই এলএনজি কেনা হবে। প্রতিটি কার্গোর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫১২ টাকা।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইপিআই কার্যক্রমে ব্যবহৃত ভ্যাকসিনসমূহ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউনিসেফ থেকে সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬০৪ কোটি ৫ লাখ ৫ হাজার ৮৯৫ টাকা।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও সভায় অনুমোদন পায়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৭৫ কোটি ৩৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭৫ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ৪৭৬.৩৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ ডলার ব্যাগিং চার্জ অন্তর্ভুক্ত।
একই সঙ্গে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ সুবিধা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় একটি সাইটে গুদাম নির্মাণকাজের ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ৪৩ কোটি ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৫৯ টাকা। ‘এসএস রহমান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ এই কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে ‘বাপবিবোর বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এসপিসি পোল (খুঁটি) ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। যৌথভাবে ‘দাদা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’, ‘কনটেক কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’, ‘টিএসসিও পাওয়ার লিমিটেড’ এবং ‘পাশা পোলস লিমিটেড’ এই কাজ বাস্তবায়ন করবে।
বৈঠকে উপস্থাপিত সব প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কমিটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ, কৃষি উৎপাদন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং নিত্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লেও দেশের বাজারে এখনো জ্বালানির খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
১ দিন আগে
গত ১৯ মার্চ দেশের বাজারে সর্বশেষ দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওইদিন পৌনে ছয় ঘণ্টা ব্যবধানে দুবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ভরিতে ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমিয়েছিল।
১ দিন আগে
আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এই বৈঠকে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি, জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের যোগান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং খাত সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।
২ দিন আগে
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
২ দিন আগে