স্ট্রিম প্রতিবেদক

৮০ শতাংশ রপ্তানি করে– এমন সচল শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শ্রমিক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারির বেতন-ভাতা পরিশোধে সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২ মার্চ) জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, এই ঋণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন মাসে পরিশোধিত গড় বেতন-ভাতার সমান হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে এই দাবিতে সভা করেছিলেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। তৎকালীন গভর্নরের কাছে বিজিএমই নেতারা দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রায় ১৩-১৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়েছিলেন।
সার্কুলারে বলা হয়, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপে রপ্তানি কমে যাওয়া, ক্রয়াদেশ পিছিয়ে যাওয়া ও তারল্য সংকটের কারণে অনেক রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন ও রপ্তানির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই ঋণ সুবিধা চালু করা হয়েছে।
তবে শর্ত রয়েছে– ফেব্রুয়ারির বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন ঋণসীমার বাইরে মেয়াদি ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণের পরিমাণ গত তিন মাসে প্রদত্ত গড় বেতন-ভাতার বেশি হবে না। বাজারভিত্তিক প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। ঋণের অর্থ সরাসরি শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে পাঠাতে হবে।
ঋণ তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে সমান কিস্তিতে (মাসিক বা ত্রৈমাসিক) পরিশোধ করতে হবে। নিয়মিত সুদ ছাড়া অতিরিক্ত কোনো সুদ, মুনাফা, ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। তবে এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান বিজিএমই ও বিকেএমই–এর মাধ্যমে প্রত্যয়নপত্রে সমর্থিত হতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

৮০ শতাংশ রপ্তানি করে– এমন সচল শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শ্রমিক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারির বেতন-ভাতা পরিশোধে সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২ মার্চ) জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, এই ঋণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন মাসে পরিশোধিত গড় বেতন-ভাতার সমান হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে এই দাবিতে সভা করেছিলেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। তৎকালীন গভর্নরের কাছে বিজিএমই নেতারা দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রায় ১৩-১৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়েছিলেন।
সার্কুলারে বলা হয়, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপে রপ্তানি কমে যাওয়া, ক্রয়াদেশ পিছিয়ে যাওয়া ও তারল্য সংকটের কারণে অনেক রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন ও রপ্তানির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই ঋণ সুবিধা চালু করা হয়েছে।
তবে শর্ত রয়েছে– ফেব্রুয়ারির বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন ঋণসীমার বাইরে মেয়াদি ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণের পরিমাণ গত তিন মাসে প্রদত্ত গড় বেতন-ভাতার বেশি হবে না। বাজারভিত্তিক প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। ঋণের অর্থ সরাসরি শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে পাঠাতে হবে।
ঋণ তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে সমান কিস্তিতে (মাসিক বা ত্রৈমাসিক) পরিশোধ করতে হবে। নিয়মিত সুদ ছাড়া অতিরিক্ত কোনো সুদ, মুনাফা, ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। তবে এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান বিজিএমই ও বিকেএমই–এর মাধ্যমে প্রত্যয়নপত্রে সমর্থিত হতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে নিটওয়্যার খাতের জন্য কর-ভ্যাট সুবিধাসহ ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
৬ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
করদাতাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ই-ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আইসিএমএবি মিলনায়তনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ভ্যাট ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বাড়াতে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কিউআর কোড’ বা আধুনিক ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে উৎপাদন পর্যায় থেকেই প্রতিটি পণ্যের তথ্য এনবিআরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে