স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এই বৈঠকে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি, জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের যোগান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে আইএমএফের চলমান ঋণ কর্মসূচি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যা সম্ভব নয়, তা ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। ঋণের পরবর্তী রিভিউ হবে জুলাই মাসে। এ ছাড়া আগামী এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় ‘স্প্রিং মিটিং’-এ নতুন ঋণ ও জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের জোগান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের মাত্র এক মাস হলো। এর মধ্যে রমজান ও বৈশ্বিক যুদ্ধ শুরুর পরও সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে জ্বালানি তেলের সংকট সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। ভাড়াও বাড়েনি। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল এবং গার্মেন্টস খাতেও কোনো অস্থিরতা দেখা দেয়নি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।
বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘যুদ্ধ কোনো সরকারের হাতে নেই। আমরা এর ভুক্তভোগী মাত্র। এই সংকট থেকে উত্তরণ করতে হলে সরকারকে দেশবাসীর সহযোগিতা করতে হবে। ধৈর্য ও সংযমের মাধ্যমে আমরা সবাই মিলে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত চলমান ঋণ কর্মসূচির কিস্তি অবমুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শর্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি ঢাকা সফর করছে।
২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়। বর্তমানে এই ঋণের আকার ৮০ কোটি ডলার বেড়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ ৩৬৪ কোটি ডলার ঋণসহায়তা পেয়েছে। বাকি ১৮৬ কোটি ডলারের কিস্তি ছাড় ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে সরকার ও আইএমএফের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এই বৈঠকে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি, জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের যোগান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে আইএমএফের চলমান ঋণ কর্মসূচি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যা সম্ভব নয়, তা ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। ঋণের পরবর্তী রিভিউ হবে জুলাই মাসে। এ ছাড়া আগামী এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় ‘স্প্রিং মিটিং’-এ নতুন ঋণ ও জ্বালানি আমদানির অতিরিক্ত অর্থের জোগান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের মাত্র এক মাস হলো। এর মধ্যে রমজান ও বৈশ্বিক যুদ্ধ শুরুর পরও সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে জ্বালানি তেলের সংকট সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। ভাড়াও বাড়েনি। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল এবং গার্মেন্টস খাতেও কোনো অস্থিরতা দেখা দেয়নি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।
বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘যুদ্ধ কোনো সরকারের হাতে নেই। আমরা এর ভুক্তভোগী মাত্র। এই সংকট থেকে উত্তরণ করতে হলে সরকারকে দেশবাসীর সহযোগিতা করতে হবে। ধৈর্য ও সংযমের মাধ্যমে আমরা সবাই মিলে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত চলমান ঋণ কর্মসূচির কিস্তি অবমুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শর্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি ঢাকা সফর করছে।
২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়। বর্তমানে এই ঋণের আকার ৮০ কোটি ডলার বেড়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ ৩৬৪ কোটি ডলার ঋণসহায়তা পেয়েছে। বাকি ১৮৬ কোটি ডলারের কিস্তি ছাড় ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে সরকার ও আইএমএফের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ঋণচুক্তির আওতায় যেসব শর্ত দিচ্ছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যথোপযুক্ত (সুইটেবল) নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার আইএমএফের সব কথা মানতে পারবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্রেতার কাছে ব্যাগ বিক্রি করে সাত মাসে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা আয় হয়েছে বলে জানিয়েছে আড়ং। মুনাফায় যুক্ত না করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ এই অর্থ পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নভিত্তিক তিনটি প্রকল্পে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমলেও দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক নীতির কারণে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় মূলত বাংলাদেশ উপরে উঠেছে। আর বাজারে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ভিয়েতনাম।
২ দিন আগে