স্ট্রিম প্রতিবেদক

টানা অস্থিরতার পর বিশ্ববাজারে অবশেষে স্বর্ণের দাম কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দেশে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৩০ হাজার টাকারও বেশি।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দ্বিতীয় দফায় ভরিতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের ভরির দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানায়। নতুন এই মূল্য আজ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, বিশ্ববাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে আজ থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা করে। আর ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এই দামের সঙ্গে ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত মজুরি যোগ হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
স্বর্ণের সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও কমেছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। আর ২১ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।
গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়। বৃহস্পতিবার এক ধাপে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এক ধাপে এত বড় মূল্যবৃদ্ধির নজিরও আগে ছিল না।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ দফা বাড়ানো এবং ৫ দফা কমানো হয়েছে।
আর ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে।

টানা অস্থিরতার পর বিশ্ববাজারে অবশেষে স্বর্ণের দাম কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দেশে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৩০ হাজার টাকারও বেশি।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দ্বিতীয় দফায় ভরিতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের ভরির দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানায়। নতুন এই মূল্য আজ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, বিশ্ববাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে আজ থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা করে। আর ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এই দামের সঙ্গে ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত মজুরি যোগ হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
স্বর্ণের সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও কমেছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। আর ২১ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।
গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়। বৃহস্পতিবার এক ধাপে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এক ধাপে এত বড় মূল্যবৃদ্ধির নজিরও আগে ছিল না।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ দফা বাড়ানো এবং ৫ দফা কমানো হয়েছে।
আর ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে।
.png)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উৎসে কর মনিটরিং ও যাচাইকরণ জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সোমবার (২০ জুলাই) বিবৃতিতে এই কথা জানায় সংগঠনটি।
৮ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশে নেমেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হিসাবে প্রবৃদ্ধি হ্রাসের এই চিত্র উঠে এসেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী বিভিন্ন পণ্যের উৎসে কর আদায় পর্যবেক্ষণ ও যাচাই কার্যক্রম জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলগুলোতে বিশেষ দল এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
১৯ জুলাই ২০২৬
দেশে নিষিদ্ধ অনলাইন গেমিং, বেটিং, জুয়া এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ততা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসব অবৈধ খাতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন করেছেন চাকরিজীবীরা। তাদের পরেই আছেন গৃহিণী, কৃষি ও মৎস্য খাতে যুক্তরা।
১৮ জুলাই ২০২৬