স্ট্রিম সংবাদদাতা

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে গোপালগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলেই বিএনপির রাজনীতি করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কেরাইলকোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আয়োজনে এক গণসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
এস এম জিলানী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই। আমি জানতাম আওয়ামী লীগের যদি কখনো দুঃসময় নেমে আসে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও তার থেকে রেহাই পাবে না। সেই জন্যই অন্য একটি দল (বিএনপি) করেছিলাম। আর সেই দলটি যদি কখনো ক্ষমতার মসনদে থাকে, তাহলে এ অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। অসহায়-বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে পারব।’
জিলানী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাই নেই তাই বলে আমরা সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত থাকব? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই বলে আমার অঞ্চলের বেকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানে কোনো ব্যবস্থা করা হবে না? আমার এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, মন্দির, মসজিদ সবকিছু কি মুখ থুবড়ে পড়বে? এটা হতে পারে না, সে জন্যই চিন্তা করেছিলাম আরেকটি রাজনৈতিক দল করি। এটা আমার কোনো অপরাধ হতে পারে না।’
জিলানী বলেন, ‘আজকে আমরা এখানে ৮জন প্রার্থী একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করছি। বিগত দিনে এই পরিবেশ ছিল না। এর কারণ ছিল একক ও একচেটিয়া একটি রাজনৈতিক দল। অন্য কোনো প্রতিযোগী প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত না। তাই আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে যদি আমাকে মহান সংসদে পাঠান, কথা দিচ্ছি এই টুঙ্গিপাড়াকে একটি মানবিক, বৈষম্যহীন, মাদকমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক টুঙ্গিপাড়া তৈরি করবো। আর জনগণের সাথে আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে টুঙ্গিপাড়ার কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য সংসদে কথা বলব।’
গণসমাবেশে টুঙ্গিপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ মোল্লার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী আবুল খায়ের, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার, যুবদলের সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে গোপালগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলেই বিএনপির রাজনীতি করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কেরাইলকোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আয়োজনে এক গণসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
এস এম জিলানী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই। আমি জানতাম আওয়ামী লীগের যদি কখনো দুঃসময় নেমে আসে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও তার থেকে রেহাই পাবে না। সেই জন্যই অন্য একটি দল (বিএনপি) করেছিলাম। আর সেই দলটি যদি কখনো ক্ষমতার মসনদে থাকে, তাহলে এ অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। অসহায়-বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে পারব।’
জিলানী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাই নেই তাই বলে আমরা সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত থাকব? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই বলে আমার অঞ্চলের বেকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানে কোনো ব্যবস্থা করা হবে না? আমার এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, মন্দির, মসজিদ সবকিছু কি মুখ থুবড়ে পড়বে? এটা হতে পারে না, সে জন্যই চিন্তা করেছিলাম আরেকটি রাজনৈতিক দল করি। এটা আমার কোনো অপরাধ হতে পারে না।’
জিলানী বলেন, ‘আজকে আমরা এখানে ৮জন প্রার্থী একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করছি। বিগত দিনে এই পরিবেশ ছিল না। এর কারণ ছিল একক ও একচেটিয়া একটি রাজনৈতিক দল। অন্য কোনো প্রতিযোগী প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত না। তাই আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে যদি আমাকে মহান সংসদে পাঠান, কথা দিচ্ছি এই টুঙ্গিপাড়াকে একটি মানবিক, বৈষম্যহীন, মাদকমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক টুঙ্গিপাড়া তৈরি করবো। আর জনগণের সাথে আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে টুঙ্গিপাড়ার কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য সংসদে কথা বলব।’
গণসমাবেশে টুঙ্গিপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ মোল্লার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী আবুল খায়ের, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার, যুবদলের সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৫টি আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত ও সাবেক নেতা এবং তাঁদের পরিবারের অন্তত ৮৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে ইসলাম ও গণতন্ত্র দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ঘাগড়া ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান যে পরিবর্তন এনেছে তা শুধু রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না, মানুষের ভাগ্যেও পরিবর্তন আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের চরজানা বাইপাস এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ওই তিন প্রার্থী হলেন– কুমিল্লা-১০ আসনে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
৫ ঘণ্টা আগে