স্ট্রিম প্রতিবেদক

সবুজ কারখানা হিসেবে বিশ্বে সর্বোচ্চ লিড (এলইইডি) স্কোর অর্জনের জন্য হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। শনিবার সকালে বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নূরুল কাদের অডিটোরিয়ামে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিএমইএ সূত্র জানায়, হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) ‘লিড ভি৪ অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স (ও+এম): এক্সিসটিং বিল্ডিংস ক্যাটাগরিতে’ ১১০-এর মধ্যে ১০৮ পয়েন্ট অর্জন করেছে। এটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোর।
এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি লিড প্লাটিনাম সনদ লাভ করে এবং বিশ্বে সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত লিড-সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার স্বীকৃতি পায়। এই সনদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় জানুয়ারির মাঝামাঝি। ইউএসজিবিসির প্রেসিডেন্ট ও সিইও পিটার টেম্পলটন হ্যামস গার্মেন্টসকে এই স্বীকৃতি প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি, পোশাক শিল্পের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ এবং হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এই অর্জন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সম্মিলিত সাফল্য। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারে, হ্যামস গার্মেন্টস তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যে নম্বর পেয়ে ইউএসজিবিসি লিড প্লাটিনাম সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে, তা বিশ্বের যেকোনো গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে সর্বোচ্চ।
তিনি বলেন, এই সাফল্যের মাধ্যমে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মান ও সক্ষমতা বিশ্বজুড়ে আরও বেশি স্বীকৃতি পেল। এটি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প এখন আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছেছে।
এই অর্জন দেশের পোশাক খাতের জন্য একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ১১০ নম্বরের মধ্যে ১০৮ পাওয়া ছিল বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তবে হ্যামস গার্মেন্টস তা সফলভাবে অর্জন করেছে। তিনি বলেন, কারখানাগুলোকে পরিবেশবান্ধব করতে গ্রিন টেকনোলজি ফান্ড পাওয়া আরও সহজ করা দরকার।
হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, বিজিএমইএর বর্তমান পর্ষদ পোশাকশিল্পের প্রতিটি সাফল্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই সাফল্য তারা বিশ্বদরবারে তুলে ধরছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, বিজিএমইএর এই সংবর্ধনা শিল্পমালিকদের টেকসই শিল্পায়নের পথে এগোতে উৎসাহ দেবে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ কয়েক দশক ধরে লিড সার্টিফিকেশনে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে। এতে দেশের পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রিন ফ্যাক্টরিগুলো কাজের অর্ডারে অগ্রাধিকার পেলেও পণ্যের দামে তার সঠিক প্রতিফলন এখনো পাওয়া যাচ্ছে না।
লিড (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইান) একটি আন্তর্জাতিক গ্রিন বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম। এতে ভবনের জ্বালানি ব্যবহার, পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং টেকসই পরিচালনা মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমানের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন, পরিচালক ফারুক হাসান, ইউএসজিবিসির কনসালট্যান্ট অনন্ত আহমেদ, ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টসের অন্তর্বর্তী কমিটির কনভেনর এহসানুল করিম কায়সার প্রমুখ।
বর্তমানে বাংলাদেশে ২৭৩টি লিড-সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড। বিশ্বের শীর্ষ ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৬৯টি বাংলাদেশে অবস্থিত।

সবুজ কারখানা হিসেবে বিশ্বে সর্বোচ্চ লিড (এলইইডি) স্কোর অর্জনের জন্য হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। শনিবার সকালে বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নূরুল কাদের অডিটোরিয়ামে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিএমইএ সূত্র জানায়, হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) ‘লিড ভি৪ অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স (ও+এম): এক্সিসটিং বিল্ডিংস ক্যাটাগরিতে’ ১১০-এর মধ্যে ১০৮ পয়েন্ট অর্জন করেছে। এটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোর।
এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি লিড প্লাটিনাম সনদ লাভ করে এবং বিশ্বে সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত লিড-সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার স্বীকৃতি পায়। এই সনদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় জানুয়ারির মাঝামাঝি। ইউএসজিবিসির প্রেসিডেন্ট ও সিইও পিটার টেম্পলটন হ্যামস গার্মেন্টসকে এই স্বীকৃতি প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি, পোশাক শিল্পের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ এবং হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এই অর্জন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সম্মিলিত সাফল্য। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারে, হ্যামস গার্মেন্টস তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যে নম্বর পেয়ে ইউএসজিবিসি লিড প্লাটিনাম সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে, তা বিশ্বের যেকোনো গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে সর্বোচ্চ।
তিনি বলেন, এই সাফল্যের মাধ্যমে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মান ও সক্ষমতা বিশ্বজুড়ে আরও বেশি স্বীকৃতি পেল। এটি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প এখন আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছেছে।
এই অর্জন দেশের পোশাক খাতের জন্য একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ১১০ নম্বরের মধ্যে ১০৮ পাওয়া ছিল বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তবে হ্যামস গার্মেন্টস তা সফলভাবে অর্জন করেছে। তিনি বলেন, কারখানাগুলোকে পরিবেশবান্ধব করতে গ্রিন টেকনোলজি ফান্ড পাওয়া আরও সহজ করা দরকার।
হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, বিজিএমইএর বর্তমান পর্ষদ পোশাকশিল্পের প্রতিটি সাফল্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই সাফল্য তারা বিশ্বদরবারে তুলে ধরছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, বিজিএমইএর এই সংবর্ধনা শিল্পমালিকদের টেকসই শিল্পায়নের পথে এগোতে উৎসাহ দেবে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ কয়েক দশক ধরে লিড সার্টিফিকেশনে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে। এতে দেশের পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রিন ফ্যাক্টরিগুলো কাজের অর্ডারে অগ্রাধিকার পেলেও পণ্যের দামে তার সঠিক প্রতিফলন এখনো পাওয়া যাচ্ছে না।
লিড (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইান) একটি আন্তর্জাতিক গ্রিন বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম। এতে ভবনের জ্বালানি ব্যবহার, পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং টেকসই পরিচালনা মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমানের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন, পরিচালক ফারুক হাসান, ইউএসজিবিসির কনসালট্যান্ট অনন্ত আহমেদ, ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টসের অন্তর্বর্তী কমিটির কনভেনর এহসানুল করিম কায়সার প্রমুখ।
বর্তমানে বাংলাদেশে ২৭৩টি লিড-সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড। বিশ্বের শীর্ষ ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৬৯টি বাংলাদেশে অবস্থিত।
.png)

১০ বছরের বেশি সময় আটকে থাকার পর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় শুরু হচ্ছে চাইনিজ ইকোনমিক জোনের নির্মাণ কাজ। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে মূল কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে হবে।
৩০ মিনিট আগে
পণ্য উৎপাদনে ‘জোরপূর্বক শ্রম’ বন্ধে ব্যর্থতায় নতুন করে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক নির্ধারণে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
এন্টারপ্রাইজ বেইজড ট্রেনিং (ইবিটি) কর্মসূচির অধীনে প্রশিক্ষণ নেওয়া ২ হাজার ৩২৮ জনকে সনদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে তাদের এই সনদ দেওয়া হয়। বিজিএমইএ ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাসেট যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশের তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও ওষুধশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে রাসায়নিক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি কার্যকর জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা।
২১ ঘণ্টা আগে