স্ট্রিম প্রতিবেদক

এলডিসি থেকে উত্তরণ মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না (জি-৭৭)।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা জানানো হয়।
শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন ইইউর প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস এবং জি-৭৭ অ্যান্ড চায়নার চেয়ার লরা দুপুই লাসের।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য তিন বছর সময় বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের আবেদনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং চলমান কাঠামোগত সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের স্বার্থে আরও সময় প্রয়োজন।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, অতিরিক্ত সময় পেলে সংস্কার কার্যক্রম আরও সুসংহত হবে এবং বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ হবে মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয়।
স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে আলোচনা শুরুকে স্বাগত জানান।
বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়ায় ইইউর অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস। একইসঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
লরা দুপুই লাসের বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিকে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য উল্লেখ করেন। তিনি সরকারের বাস্তবমুখী সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে জি-৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এসব বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, এলএফএমইএবি সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এলডিসি থেকে উত্তরণ মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না (জি-৭৭)।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা জানানো হয়।
শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন ইইউর প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস এবং জি-৭৭ অ্যান্ড চায়নার চেয়ার লরা দুপুই লাসের।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য তিন বছর সময় বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের আবেদনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং চলমান কাঠামোগত সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের স্বার্থে আরও সময় প্রয়োজন।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, অতিরিক্ত সময় পেলে সংস্কার কার্যক্রম আরও সুসংহত হবে এবং বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ হবে মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয়।
স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে আলোচনা শুরুকে স্বাগত জানান।
বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়ায় ইইউর অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস। একইসঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
লরা দুপুই লাসের বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিকে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য উল্লেখ করেন। তিনি সরকারের বাস্তবমুখী সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে জি-৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এসব বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, এলএফএমইএবি সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
.png)

দেশে নিষিদ্ধ অনলাইন গেমিং, বেটিং, জুয়া এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ততা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসব অবৈধ খাতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন করেছেন চাকরিজীবীরা। তাদের পরেই আছেন গৃহিণী, কৃষি ও মৎস্য খাতে যুক্তরা।
২৯ মিনিট আগে
২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট ঘটা করে চালু হয় সর্বজনীন পেনশন স্কিম। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পরে এই স্কিম থমকে যায়। তবে বিএনপি সরকার প্রাণসঞ্চারে একগুচ্ছ সংশোধনী এনেছে।
১ দিন আগে
গ্রাহকদের দাবি আদায়ে পিছু হটার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর নবী মানিক। তিনি বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে গ্রাহকেরা এখনো ইসলামী ব্যাংককে আস্থায় নিতে পারছেন না।
১৭ জুলাই ২০২৬
প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারে শ্রমবাজারে প্রয়োজনীয় নীতিগত প্রস্তুতি না থাকলে তৈরি পোশাক খাতে ১২ লাখের বেশি চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
১৬ জুলাই ২০২৬