স্ট্রিম ডেস্ক

একসময় স্থানীয় সরকারের একজন জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন। এখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। তিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। গত শুক্রবার দলের সংসদ সদস্যরা তাঁকে কিয়ার স্টারমারের পরিবর্তে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন।
এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেন, তাঁর কাছে শুধু নেতৃত্বের দায়িত্ব নয়, বরং যুক্তরাজ্যকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুপরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর তিনি ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে যে জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের পরিচয় দেন, সেটিই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে নিয়ে এসেছে।
অ্যান্ড্রু মারে বার্নহ্যাম, যিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের ৭ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের লিভারপুলের কাছে অ্যাইনট্রিতে জন্মগ্রহণ করেন। লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে লেবার পার্টির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেই আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর টনি ব্লেয়ার ও গর্ডন ব্রাউনের সরকারের অধীনে তিনি ট্রেজারি, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য এবং পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে লেবার পার্টি ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বার্নহ্যাম। সে সময় এড মিলিব্যান্ডের কাছে পরাজিত হন। ২০১৫ সালেও নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেরেমি করবিনের কাছে হেরে যান তিনি।
পরপর দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর উত্থান হয়তো থেমে গেছে। কিন্তু বার্নহ্যাম ভিন্ন পথ বেছে নেন। তিনি বুঝতে পারেন, স্থানীয় সরকারে কার্যকর নেতৃত্বও জাতীয় পর্যায়ে প্রভাব তৈরি করতে পারে। ২০১৭ সালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এটি ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় মোড়। এরপর টানা প্রায় আট বছর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন।
মেয়র হিসেবে তিনি গণপরিবহন উন্নয়ন, সামাজিক আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়, গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনে একাধিক উদ্যোগ নেন। বিশেষ করে শহরের পরিবহন ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সিদ্ধান্তে ব্যাপক প্রশংসা পান তিনি । বার্নহ্যামের নেতৃত্বে গ্রেটার ম্যানচেস্টার স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা ও কার্যকারিতার একটি সফল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে।
২০২০ সালের করোনা মহামারির সময় অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। তৎকালীন উত্তর ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা ও উত্তর অঞ্চলের শ্রমিকদের অধিকার, স্বার্থ ও আর্থিক সুরক্ষার জন্য সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রতিবাদ করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, প্রয়োজনীয় সহায়তা ছাড়া স্থানীয় অর্থনীতি বন্ধ করে দেওয়া অন্যায়।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় অনেকের কাছে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ বা উত্তরের রাজা হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আপসহীন অবস্থান তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দেয়।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির দুর্দশা, দলের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বার্নহামের নাম নতুন করে আলোচনায় আসে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, স্টারমারের বিকল্প হিসেবে লেবার পার্টির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মুখ হতে পারেন তিনি।
এই প্রেক্ষাপটে উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সংসদীয় আসন মেকারফিল্ডের লেবার পার্টির হাউস অব কমন্সের সদস্য জশ সাইমন্স পদত্যাগ করেছেন, যাতে বার্নহাম উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে আবার পার্লামেন্টে ফিরতে পারেন। কারণ লেবার পার্টির নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিতে হলে পার্লামেন্টের সদস্য হতে হয়।
ঐতিহাসিকভাবে মেকারফিল্ড লেবার পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে ১৮ জুনের উপনির্বাচনে বার্নহ্যামের বিপুল ভোটে জয়ী হওয়াকে বিশ্লেষকরা একজন এমপি নির্বাচন হিসেবে দেখছেন না, বরং যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বা প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। সাধারণ নির্বাচনে যে দল হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, সেই দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন। অ্যান্ডি বার্নহ্যামের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে ধারাবাহিক সফলতা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে লেবার পার্টির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পরবর্তীতে তিনি দলীয় নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বিজয়ের পথে নিয়ে যান।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাজা বার্নহ্যামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন এবং ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করবেন।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বার্নহ্যামের সামনে একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংকট, আবাসন সমস্যা, অবৈধ অভিবাসন, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতা। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করাও এই চ্যালেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত।
তথ্যসূত্র: এপি, রয়টার্স ও আল-জাজিরা

একসময় স্থানীয় সরকারের একজন জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন। এখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। তিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। গত শুক্রবার দলের সংসদ সদস্যরা তাঁকে কিয়ার স্টারমারের পরিবর্তে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন।
এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেন, তাঁর কাছে শুধু নেতৃত্বের দায়িত্ব নয়, বরং যুক্তরাজ্যকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুপরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর তিনি ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে যে জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের পরিচয় দেন, সেটিই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে নিয়ে এসেছে।
অ্যান্ড্রু মারে বার্নহ্যাম, যিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের ৭ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের লিভারপুলের কাছে অ্যাইনট্রিতে জন্মগ্রহণ করেন। লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে লেবার পার্টির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেই আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর টনি ব্লেয়ার ও গর্ডন ব্রাউনের সরকারের অধীনে তিনি ট্রেজারি, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য এবং পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে লেবার পার্টি ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বার্নহ্যাম। সে সময় এড মিলিব্যান্ডের কাছে পরাজিত হন। ২০১৫ সালেও নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেরেমি করবিনের কাছে হেরে যান তিনি।
পরপর দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর উত্থান হয়তো থেমে গেছে। কিন্তু বার্নহ্যাম ভিন্ন পথ বেছে নেন। তিনি বুঝতে পারেন, স্থানীয় সরকারে কার্যকর নেতৃত্বও জাতীয় পর্যায়ে প্রভাব তৈরি করতে পারে। ২০১৭ সালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এটি ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় মোড়। এরপর টানা প্রায় আট বছর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন।
মেয়র হিসেবে তিনি গণপরিবহন উন্নয়ন, সামাজিক আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়, গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনে একাধিক উদ্যোগ নেন। বিশেষ করে শহরের পরিবহন ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সিদ্ধান্তে ব্যাপক প্রশংসা পান তিনি । বার্নহ্যামের নেতৃত্বে গ্রেটার ম্যানচেস্টার স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা ও কার্যকারিতার একটি সফল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে।
২০২০ সালের করোনা মহামারির সময় অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। তৎকালীন উত্তর ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা ও উত্তর অঞ্চলের শ্রমিকদের অধিকার, স্বার্থ ও আর্থিক সুরক্ষার জন্য সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রতিবাদ করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, প্রয়োজনীয় সহায়তা ছাড়া স্থানীয় অর্থনীতি বন্ধ করে দেওয়া অন্যায়।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় অনেকের কাছে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ বা উত্তরের রাজা হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আপসহীন অবস্থান তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দেয়।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির দুর্দশা, দলের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বার্নহামের নাম নতুন করে আলোচনায় আসে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, স্টারমারের বিকল্প হিসেবে লেবার পার্টির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মুখ হতে পারেন তিনি।
এই প্রেক্ষাপটে উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সংসদীয় আসন মেকারফিল্ডের লেবার পার্টির হাউস অব কমন্সের সদস্য জশ সাইমন্স পদত্যাগ করেছেন, যাতে বার্নহাম উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে আবার পার্লামেন্টে ফিরতে পারেন। কারণ লেবার পার্টির নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিতে হলে পার্লামেন্টের সদস্য হতে হয়।
ঐতিহাসিকভাবে মেকারফিল্ড লেবার পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে ১৮ জুনের উপনির্বাচনে বার্নহ্যামের বিপুল ভোটে জয়ী হওয়াকে বিশ্লেষকরা একজন এমপি নির্বাচন হিসেবে দেখছেন না, বরং যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বা প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। সাধারণ নির্বাচনে যে দল হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, সেই দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন। অ্যান্ডি বার্নহ্যামের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে ধারাবাহিক সফলতা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে লেবার পার্টির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পরবর্তীতে তিনি দলীয় নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বিজয়ের পথে নিয়ে যান।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাজা বার্নহ্যামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন এবং ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করবেন।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বার্নহ্যামের সামনে একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংকট, আবাসন সমস্যা, অবৈধ অভিবাসন, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং ব্রেক্সিট-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতা। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করাও এই চ্যালেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত।
তথ্যসূত্র: এপি, রয়টার্স ও আল-জাজিরা
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির সব শর্ত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। শনিবার (১৮ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এই তথ্য জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একটি লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার ভোরে দেশটির হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় বুনজি গ্রামে চালানো এই হামলায় একটি পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট ধ্বংস হয়ে গেছে। এতে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে পড়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার রপ্তানি পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। কানাডায় দাবানলের ধোঁয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর আচ্ছন্ন করে পড়ার শাস্তি হিসেবে তিনি একথা বলেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় শুক্রবার অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একটি দাফন অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলায় আটজন রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। খবর আলজাজিরার।
৯ ঘণ্টা আগে