স্ট্রিম প্রতিবেদক

ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সংকটাপন্ন পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে একটি স্থায়ী আইনি ভিত্তি দিতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’– এর অধীনে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়াকে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। মূলত ব্যাংক খাতের দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার এবং আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
একীভূতই থাকছে ৫ ব্যাংক
সরকার পরিবর্তনের পর ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠলেও শেষ পর্যন্ত আলোচিত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন আইনের মাধ্যমে এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ এবং শক্তিশালী আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
অধ্যাদেশ সংশোধনে উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বিদ্যমান অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আজিমুদ্দিন বিশ্বাসকে এই কমিটির আহ্বায়ক এবং একই বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন– অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ রাশিদুল আমিন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ ও ফরিদা ইয়াসমিন, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম শাফায়েত হোসেন, উপসচিব মৌসুমী দাস, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক আসাদুজ্জামান খান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও লুৎফুল হায়দার পাশা।
৫ এপ্রিলের মধ্যে খসড়া তৈরির নির্দেশ
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, গঠিত কমিটিকে আগামী চার কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ ৫ এপ্রিলের (রোববার) মধ্যে ‘ব্যাংক রেগুলেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে ‘ব্যাংক রেগুলেশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করতে হবে। কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো বিশেষজ্ঞকে সভায় আমন্ত্রণ জানাতে বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।
আইনি কাঠামোর গুরুত্ব
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া বা সংকটে পড়ার ক্ষেত্রে আইনি সমাধানের পথ সুগম হবে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর দায়-দেনা নির্ধারণ এবং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের মাধ্যমে এই আইনটি কার্যকর করার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা হবে।
সিনিয়র সহকারী সচিব জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এই আদেশটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ইতোমধ্যে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সংকটাপন্ন পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে একটি স্থায়ী আইনি ভিত্তি দিতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’– এর অধীনে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়াকে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। মূলত ব্যাংক খাতের দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার এবং আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
একীভূতই থাকছে ৫ ব্যাংক
সরকার পরিবর্তনের পর ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠলেও শেষ পর্যন্ত আলোচিত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন আইনের মাধ্যমে এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ এবং শক্তিশালী আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
অধ্যাদেশ সংশোধনে উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বিদ্যমান অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আজিমুদ্দিন বিশ্বাসকে এই কমিটির আহ্বায়ক এবং একই বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন– অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ রাশিদুল আমিন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ ও ফরিদা ইয়াসমিন, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম শাফায়েত হোসেন, উপসচিব মৌসুমী দাস, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক আসাদুজ্জামান খান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও লুৎফুল হায়দার পাশা।
৫ এপ্রিলের মধ্যে খসড়া তৈরির নির্দেশ
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, গঠিত কমিটিকে আগামী চার কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ ৫ এপ্রিলের (রোববার) মধ্যে ‘ব্যাংক রেগুলেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে ‘ব্যাংক রেগুলেশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করতে হবে। কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো বিশেষজ্ঞকে সভায় আমন্ত্রণ জানাতে বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।
আইনি কাঠামোর গুরুত্ব
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া বা সংকটে পড়ার ক্ষেত্রে আইনি সমাধানের পথ সুগম হবে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর দায়-দেনা নির্ধারণ এবং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের মাধ্যমে এই আইনটি কার্যকর করার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা হবে।
সিনিয়র সহকারী সচিব জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এই আদেশটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ইতোমধ্যে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন উৎস হিসেবে কাজাখস্তান থেকে ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (১ এপ্রিল) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জরুরি ভিত্তিতে এ আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি অফিসের জন্য নতুন সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশের ব্যাংকগুলোতে লেনদেনের সময় কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামীকাল রোববার থেকে ব্যাংকে লেনদেনের জন্য বেলা ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
চলমান জ্বালানি সংকটে চাষিরা ঠিকমতো সেচ দিতে পারছেন না। তাদের অভিযোগ, অনেক সেচ পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো চালু, সেখানেও সেচ দিতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে বোরো মৌসুমের উৎপাদন ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন তারা।
১ দিন আগে