ফ্রিল্যান্সারদের ডলার আনা সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ১৫: ৫৩
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয়। সংগৃহীত ছবি

দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তিপর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বৈদেশিক আয় আনতে আনুষ্ঠানিক প্রমাণ দেখানোর জটিলতা কমানোর পাশাপাশি অনলাইন লেনদেন সহজ করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এখন থেকে ফ্রিল্যান্সাররা প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট, ই-মেইল, চুক্তিপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল যোগাযোগকে বৈদেশিক আয়ের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে অর্থ আনতে পারবেন। এতে প্রচলিত রপ্তানি নথির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের বাস্তবতার সঙ্গে বৈদেশিক লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই আনা যাবে। এ ছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারের (ওপিজিএসপি) মাধ্যমে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব অর্থ দেশে আসা নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ চালুর সুযোগ। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার (এমএফএসপি) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ব্যবহারও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

নতুন সার্কুলারে এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) সুবিধাও বহাল রাখা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সাররা তাদের রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করতে পারবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য সেবা রপ্তানিকারকদের জন্য এ সীমা ৩০ শতাংশ করা হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় আরও বেশি ফ্রিল্যান্সার বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক আয় দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন। এতে সেবা রপ্তানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে, লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত