স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এতে তারা ক্রেতা সামলাতে পারছেন না।
রাজধানীর গাবতলী এলাকার এস পি ফিলিং স্টেশনের মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ২০২৫ সালের মার্চ মাসের হিসাব অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে চাহিদা অনেক বাড়লেও সেই অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। মাঝে মাঝে কমও আসছে। এখনকার বাড়তি চাপে আমরা ৬-৭ ঘণ্টার বেশি অকটেন দিতে পারছি না।’
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সংকট বাড়াচ্ছে কৃত্রিম চাহিদাও। গ্রাহকপর্যায়ে তেল মজুদের হার অনেকে বেড়েছে। এতে সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি। অথচ বর্তমানে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হয়েছে। দেশে যদি ১ কোটি মোটরসাইকেল থাকে আর সবাই যদি ৫-১০ লিটার করে তেল মজুত করে তাহলে একটি জাহাজের সব তেলেও ওই চাহিদা মেটানো সম্ভব না। অতিরিক্ত তেল কেনা না কমালে সমাধান হবে না।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরোনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জ্বালানি সরবরাহ, অতিরিক্ত চাহিদা ও মজুদের কারণে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে ক্রেতাদের লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে। রোদের মধ্যে মোটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষকে। এতে পরদিন আবারও পাম্পের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
রাজধানীতে অ্যাপসের মাধ্যমে বাইক রাইড শেয়ার করেন যাত্রাবাড়ির মোহাম্মদ আরিফ। শনিবার কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পান তিনি। তবে চোখে মুখে ছিল হতাশা। তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে স্ট্রিমকে বলেন, ‘এতক্ষণ রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে ৩০০ টাকার তেল পেয়েছি। এই দিয়ে কতক্ষণ যাবে। আবার কাল রোদ গরমের মধ্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে। প্রত্যেক দিন আমাদের অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে তেলের জন্য। ’
ওই লাইনে দাঁড়ানো আরও অনেকের মুখেই ছিল বিরক্তির সুর। চাহিদামতো তেল না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তারা। মোটরসাইকেল প্রতি ৩০০ টাকার এবং প্রাইভেট কারগুলো ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার তেল কিনতে পারলেও কেউই সন্তুষ্ট ছিলেন না।
খালেক সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার তোফাজ্জেল হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে না পারায় একদিন পর আবার তারা তেল নিতে আসছে। এতে পাম্পে গ্রাহকদের লাইন লম্বা হচ্ছে। টানা কয়েকদিন যদি গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা যায় তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের দৈনিক অকটেনের চাহিদা ২৭-২৮ হাজার লিটার, অথচ আমরা গত দুই দিনে তেল পেয়েছি মাত্র ৯ হাজার লিটার করে। চাহিদা অনুযায়ী শুধু ডিজেলের সরবরাহ ঠিক আছে।’
এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায় বলেন, ‘আমরা ডিজেলের চাহিদার পুরোটা আমদানি করলেও অকটেনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ নিজেরা উৎপাদন করি। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে তেল মজুত করছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়েও অনেকে তেল মজুত করছে এমন খবর আমরা পেয়েছি, যা সংকট তৈরি করছে। আমাদের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। ভোক্তারা দায়িত্বশীল আচরণ করলে দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এতে তারা ক্রেতা সামলাতে পারছেন না।
রাজধানীর গাবতলী এলাকার এস পি ফিলিং স্টেশনের মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ২০২৫ সালের মার্চ মাসের হিসাব অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে চাহিদা অনেক বাড়লেও সেই অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। মাঝে মাঝে কমও আসছে। এখনকার বাড়তি চাপে আমরা ৬-৭ ঘণ্টার বেশি অকটেন দিতে পারছি না।’
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সংকট বাড়াচ্ছে কৃত্রিম চাহিদাও। গ্রাহকপর্যায়ে তেল মজুদের হার অনেকে বেড়েছে। এতে সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি। অথচ বর্তমানে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হয়েছে। দেশে যদি ১ কোটি মোটরসাইকেল থাকে আর সবাই যদি ৫-১০ লিটার করে তেল মজুত করে তাহলে একটি জাহাজের সব তেলেও ওই চাহিদা মেটানো সম্ভব না। অতিরিক্ত তেল কেনা না কমালে সমাধান হবে না।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরোনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জ্বালানি সরবরাহ, অতিরিক্ত চাহিদা ও মজুদের কারণে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে ক্রেতাদের লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে। রোদের মধ্যে মোটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষকে। এতে পরদিন আবারও পাম্পের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
রাজধানীতে অ্যাপসের মাধ্যমে বাইক রাইড শেয়ার করেন যাত্রাবাড়ির মোহাম্মদ আরিফ। শনিবার কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পান তিনি। তবে চোখে মুখে ছিল হতাশা। তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে স্ট্রিমকে বলেন, ‘এতক্ষণ রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে ৩০০ টাকার তেল পেয়েছি। এই দিয়ে কতক্ষণ যাবে। আবার কাল রোদ গরমের মধ্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে। প্রত্যেক দিন আমাদের অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে তেলের জন্য। ’
ওই লাইনে দাঁড়ানো আরও অনেকের মুখেই ছিল বিরক্তির সুর। চাহিদামতো তেল না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তারা। মোটরসাইকেল প্রতি ৩০০ টাকার এবং প্রাইভেট কারগুলো ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার তেল কিনতে পারলেও কেউই সন্তুষ্ট ছিলেন না।
খালেক সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার তোফাজ্জেল হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে না পারায় একদিন পর আবার তারা তেল নিতে আসছে। এতে পাম্পে গ্রাহকদের লাইন লম্বা হচ্ছে। টানা কয়েকদিন যদি গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা যায় তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের দৈনিক অকটেনের চাহিদা ২৭-২৮ হাজার লিটার, অথচ আমরা গত দুই দিনে তেল পেয়েছি মাত্র ৯ হাজার লিটার করে। চাহিদা অনুযায়ী শুধু ডিজেলের সরবরাহ ঠিক আছে।’
এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায় বলেন, ‘আমরা ডিজেলের চাহিদার পুরোটা আমদানি করলেও অকটেনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ নিজেরা উৎপাদন করি। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে তেল মজুত করছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়েও অনেকে তেল মজুত করছে এমন খবর আমরা পেয়েছি, যা সংকট তৈরি করছে। আমাদের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। ভোক্তারা দায়িত্বশীল আচরণ করলে দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। জ্বালানি খাতে প্রায় ৯৫ শতাংশ আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ বর্তমানে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে। ২০২০ অর্থবছরে দৈনিক গড় উৎপাদন ছিল ২,৪২৩ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। ২০২৪ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২,০৪৯ মিলিয়ন ঘনফুটে। এই পতনের মূল কারণ পুরনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা দিন দিন হ্রাস পাওয়া। সঙ্গে আছে গত কয়েক দশক ধরে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনি
১৭ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দফা কমার পর দেশের বাজারে এবার স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১ দিন আগে