সেলফ-লাভ
অফিস শেষে কফির মগে চুমুক দিয়ে ফোন স্ক্রল করতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অন্যের রঙিন 'এস্থেটিক' জীবন। বিলাসবহুল ট্রিপ আর দামি প্রসাধনী দেখে কি আপনার নিজের জীবনটা পানসে লাগছে? 'সেলফ-লাভ' বা নিজেকে ভালোবাসার এই আধুনিক ট্রেন্ড কি সত্যিই মুক্তি?
প্রিয়াংকা সমদ্দার অর্পা

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা খুব সহজেই অন্যের জীবনের খবর পেয়ে যাই। কে কোন জামা পরছে, উইকেন্ডে কোথায় ঘুরতে যাচ্ছে বা কোন রেস্তোরাঁয় খেতে যাচ্ছে। সবই চোখের সামনে চলে আসে। আর আমি হয়তো অফিস শেষে বাসায় ফিরে কফির মগটা নিয়ে ফোন হাতে বসেছি। তখনই এসব ছবি, রিল দেখে মনে হয়, ‘ইশ! আমার জীবন তো ওদের মতো সুন্দর না!’ আমিও যদি এই কফিটা কোনো কফিশপে বসে খেতে পারতাম! তাহলে ভালো লাগাটা বোধহয় দ্বিগুণ হতো।
আপনার টাইমলাইনেও নিশ্চয়ই এমন ‘সেলফ-লাভ’ বা নিজেকে ভালোবাসার ভিডিও আসে। সেখানে খুব 'এস্থেটিক'-ভাবে দেখানো হচ্ছে, একটি মেয়ে পাহাড়ের বিলাসবহুল রিসোর্টের বারান্দায় বসে সূর্যাস্ত দেখছে কিংবা একা কফিশপে বসে কফি খাচ্ছে। অথবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দামি স্কিনকেয়ার মাখছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে শান্ত কোনো গান। এই দৃশ্যগুলো আমাদের মনে এক ধরণের অতৃপ্তি তৈরি করে, যাকে বলা হয় ‘ফোমো’ বা পিছিয়ে পড়ার ভয়।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, ‘নিজের যত্ন নেওয়া’কে একটি নির্দিষ্ট ধরণের জীবনযাত্রার ছাঁচে ফেলে দেখানো হচ্ছে, এর সঙ্গে আমাদের মানসিক শান্তির আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না? আপাতদৃষ্টিতে যা আত্মতৃপ্তি মনে হচ্ছে, তার গভীরে কি অন্য কোনো ফাঁদ লুকিয়ে আছে? এই তথাকথিত ‘এস্থেটিক’ সেলফ-লাভের আড়ালে কি আসলে আমাদের মনের চেয়ে ব্যবসা বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে? বাজার কি আমাদের শিখিয়ে দিচ্ছে নিজেকে ভালোবাসতে হলেও আগে পকেটে টাকা থাকা চাই?
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করলেই মনে হয়, নিজেকে ভালোবাসার প্রথম শর্তই হলো দামি কোনো রেস্তোরাঁয় বা দামি স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলা। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে দেখা যায়, পুঁজিবাদ খুব সুকৌশলে আমাদের ‘আত্মতৃপ্তি’র ধারণাকে পণ্যের সঙ্গে গেঁথে দিয়েছে। বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের মনে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, আপনি যদি নিজেকে সত্যিই ভালোবাসেন, তবে এই দামি ব্র্যান্ডের পোশাক বা এই স্কিনকেয়ার আপনার কেনা উচিত। সারা সপ্তাহ কাজ করেছেন, তাই নিজেকে রিলাক্স করতে বান্দরবান বা সাজেক ট্যুরে যাওয়াটাই একমাত্র উপায়।

এখানেই পুঁজিবাদের আসল ম্যাজিক। তারা আমাদের অনুভূতিগুলোকে কেনাবেচার বস্তুতে পরিণত করছে। একসময় নিজের সঙ্গে সময় কাটানো মানে ছিল প্রিয় কোনো বই পড়া। বারান্দায় এক কাপ চা নিয়ে আকাশ দেখা বা প্রিয় কোনো রান্না করা। কিন্তু সময় আমাদের শেখাচ্ছে, সেই একই চা যদি কোনো নামী ক্যাফেতে বসে এস্থেটিক ছবি তুলে পোস্ট না করা হয়, তবে তার কোনো সামাজিক মূল্য নেই। অর্থাৎ, নিজের প্রতি ভালোবাসা এখন আর মনের প্রশান্তির ওপর নির্ভর করছে না। বরং তা নির্ভর করছে, আপনি কতটা খরচ করতে পারছেন তার ওপর।
পুঁজিবাদ আমাদের বিশ্বাস করায় যে আমাদের অনেক কিছুর অভাব আছে। যদিও হয়তো সেগুলো ছাড়াই আমাদের জীবন চলবে। আপনার হয়তো এক জোড়া ভালো জুতো আছে, কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখাবে যে নতুন ব্র্যান্ডের স্নিকার্সটি না থাকলে আপনার স্টাইল অসম্পূর্ণ। এভাবে আমাদের মনে এক ধরণের ‘অভাববোধ’ তৈরি করা হয়। এতে আমরা পণ্যটি কিনতে বাধ্য হই।
তারা আমাদের শেখাচ্ছে যে নিজেকে ভালোবাসার অর্থ হলো নিজেকে ক্রমাগত দামী কিছু ‘উপহার’ দেওয়া। ফলে আমরা যখনই মন খারাপ করি বা একা বোধ করি, আমরা অনেকেই কিছু একটা কেনার মাধ্যমে সেই শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করি। আমরা ভাবি, নতুন একটা ফোন বা দামী ড্রেস কিনলে বুঝি নিজেকে বেশি ভালোবাসা হবে। আসলে কি তাই? আমরা কি অজান্তেই পকেটের টাকা খরচ করার এক অন্তহীন চক্রে নিজেদের আটকে ফেলছি না?
সলো ট্রাভেল বা একা কফিশপে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজের সঙ্গে সময় কাটানো। শহুরে ব্যস্ত জীবনের মাঝে একটু অবসর খোঁজা। কিন্তু এখন যেন এগুলো হয়ে উঠেছে লোক দেখানো বিষয়। শেষ কবে কোনো ছবি না তুলে শুধু নিজের জন্য সময় কাটিয়েছেন, মনে করতে পারেন?
পুঁজিবাদের বাইরে সত্যিকারের নিজেকে ভালোবাসা বা সেলফ-লাভ শুরু হয় নিজের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে। সব ধরণের নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকা উচিত। প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটা বা শরীরচর্চা দরকারি। এতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে মন ভালো রাখার হরমোন নিঃসরণ হয়।

পাশাপাশি সঠিক ঘুমের রুটিন মেনে চলাও খুব জরুরি। কারণ শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেলে মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হয়। নিজের যত্নের জন্য সবসময় নামিদামি প্রসাধনী বা স্কিনকেয়ার দরকার নেই। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা আর শাকসবজি খাওয়ার মাধ্যমেও শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।
সোশ্যাল মিডিয়ার সাজানো ‘পারফেক্ট’ জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা বন্ধ করতে হবে। এর উপায় ‘ডিজিটাল ডিটক্স’। প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকতে হবে। অন্যের জীবনের ‘রিল’ দেখার চেয়ে নিজের জীবনের রিয়েলিটি বা বাস্তবতাকে উপভোগ করা শিখতে হবে। বারান্দায় বসে সূর্যাস্ত দেখা বা বৃষ্টির শব্দ শোনার মতো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো ক্যামেরা ছাড়াই উপভোগ করতে শিখতে হবে। তখনই নিজেকে ভালোবাসার শুরু হবে।
আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, অনেক কাজ শুধু আনন্দের জন্যও করা যায়। কেবল তা টাকা উপার্জনের জন্য নয়। গান গাওয়া, ডায়েরি লেখা, বাগান করা বা রান্না করার মতো শখগুলো নিজের প্রশান্তির জন্যই নিয়মিত করা উচিত। হয়তো অনেকেই শখকেও ব্যবসায় রূপান্তরের পরামর্শ দেবে। কিন্তু কেবল নিজের ভালোলাগার জন্য কোনো কাজ করা হলো নিজেকে দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার।

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা খুব সহজেই অন্যের জীবনের খবর পেয়ে যাই। কে কোন জামা পরছে, উইকেন্ডে কোথায় ঘুরতে যাচ্ছে বা কোন রেস্তোরাঁয় খেতে যাচ্ছে। সবই চোখের সামনে চলে আসে। আর আমি হয়তো অফিস শেষে বাসায় ফিরে কফির মগটা নিয়ে ফোন হাতে বসেছি। তখনই এসব ছবি, রিল দেখে মনে হয়, ‘ইশ! আমার জীবন তো ওদের মতো সুন্দর না!’ আমিও যদি এই কফিটা কোনো কফিশপে বসে খেতে পারতাম! তাহলে ভালো লাগাটা বোধহয় দ্বিগুণ হতো।
আপনার টাইমলাইনেও নিশ্চয়ই এমন ‘সেলফ-লাভ’ বা নিজেকে ভালোবাসার ভিডিও আসে। সেখানে খুব 'এস্থেটিক'-ভাবে দেখানো হচ্ছে, একটি মেয়ে পাহাড়ের বিলাসবহুল রিসোর্টের বারান্দায় বসে সূর্যাস্ত দেখছে কিংবা একা কফিশপে বসে কফি খাচ্ছে। অথবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দামি স্কিনকেয়ার মাখছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে শান্ত কোনো গান। এই দৃশ্যগুলো আমাদের মনে এক ধরণের অতৃপ্তি তৈরি করে, যাকে বলা হয় ‘ফোমো’ বা পিছিয়ে পড়ার ভয়।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, ‘নিজের যত্ন নেওয়া’কে একটি নির্দিষ্ট ধরণের জীবনযাত্রার ছাঁচে ফেলে দেখানো হচ্ছে, এর সঙ্গে আমাদের মানসিক শান্তির আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না? আপাতদৃষ্টিতে যা আত্মতৃপ্তি মনে হচ্ছে, তার গভীরে কি অন্য কোনো ফাঁদ লুকিয়ে আছে? এই তথাকথিত ‘এস্থেটিক’ সেলফ-লাভের আড়ালে কি আসলে আমাদের মনের চেয়ে ব্যবসা বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে? বাজার কি আমাদের শিখিয়ে দিচ্ছে নিজেকে ভালোবাসতে হলেও আগে পকেটে টাকা থাকা চাই?
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করলেই মনে হয়, নিজেকে ভালোবাসার প্রথম শর্তই হলো দামি কোনো রেস্তোরাঁয় বা দামি স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলা। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে দেখা যায়, পুঁজিবাদ খুব সুকৌশলে আমাদের ‘আত্মতৃপ্তি’র ধারণাকে পণ্যের সঙ্গে গেঁথে দিয়েছে। বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের মনে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, আপনি যদি নিজেকে সত্যিই ভালোবাসেন, তবে এই দামি ব্র্যান্ডের পোশাক বা এই স্কিনকেয়ার আপনার কেনা উচিত। সারা সপ্তাহ কাজ করেছেন, তাই নিজেকে রিলাক্স করতে বান্দরবান বা সাজেক ট্যুরে যাওয়াটাই একমাত্র উপায়।

এখানেই পুঁজিবাদের আসল ম্যাজিক। তারা আমাদের অনুভূতিগুলোকে কেনাবেচার বস্তুতে পরিণত করছে। একসময় নিজের সঙ্গে সময় কাটানো মানে ছিল প্রিয় কোনো বই পড়া। বারান্দায় এক কাপ চা নিয়ে আকাশ দেখা বা প্রিয় কোনো রান্না করা। কিন্তু সময় আমাদের শেখাচ্ছে, সেই একই চা যদি কোনো নামী ক্যাফেতে বসে এস্থেটিক ছবি তুলে পোস্ট না করা হয়, তবে তার কোনো সামাজিক মূল্য নেই। অর্থাৎ, নিজের প্রতি ভালোবাসা এখন আর মনের প্রশান্তির ওপর নির্ভর করছে না। বরং তা নির্ভর করছে, আপনি কতটা খরচ করতে পারছেন তার ওপর।
পুঁজিবাদ আমাদের বিশ্বাস করায় যে আমাদের অনেক কিছুর অভাব আছে। যদিও হয়তো সেগুলো ছাড়াই আমাদের জীবন চলবে। আপনার হয়তো এক জোড়া ভালো জুতো আছে, কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখাবে যে নতুন ব্র্যান্ডের স্নিকার্সটি না থাকলে আপনার স্টাইল অসম্পূর্ণ। এভাবে আমাদের মনে এক ধরণের ‘অভাববোধ’ তৈরি করা হয়। এতে আমরা পণ্যটি কিনতে বাধ্য হই।
তারা আমাদের শেখাচ্ছে যে নিজেকে ভালোবাসার অর্থ হলো নিজেকে ক্রমাগত দামী কিছু ‘উপহার’ দেওয়া। ফলে আমরা যখনই মন খারাপ করি বা একা বোধ করি, আমরা অনেকেই কিছু একটা কেনার মাধ্যমে সেই শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করি। আমরা ভাবি, নতুন একটা ফোন বা দামী ড্রেস কিনলে বুঝি নিজেকে বেশি ভালোবাসা হবে। আসলে কি তাই? আমরা কি অজান্তেই পকেটের টাকা খরচ করার এক অন্তহীন চক্রে নিজেদের আটকে ফেলছি না?
সলো ট্রাভেল বা একা কফিশপে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজের সঙ্গে সময় কাটানো। শহুরে ব্যস্ত জীবনের মাঝে একটু অবসর খোঁজা। কিন্তু এখন যেন এগুলো হয়ে উঠেছে লোক দেখানো বিষয়। শেষ কবে কোনো ছবি না তুলে শুধু নিজের জন্য সময় কাটিয়েছেন, মনে করতে পারেন?
পুঁজিবাদের বাইরে সত্যিকারের নিজেকে ভালোবাসা বা সেলফ-লাভ শুরু হয় নিজের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে। সব ধরণের নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকা উচিত। প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটা বা শরীরচর্চা দরকারি। এতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে মন ভালো রাখার হরমোন নিঃসরণ হয়।

পাশাপাশি সঠিক ঘুমের রুটিন মেনে চলাও খুব জরুরি। কারণ শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেলে মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হয়। নিজের যত্নের জন্য সবসময় নামিদামি প্রসাধনী বা স্কিনকেয়ার দরকার নেই। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা আর শাকসবজি খাওয়ার মাধ্যমেও শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।
সোশ্যাল মিডিয়ার সাজানো ‘পারফেক্ট’ জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা বন্ধ করতে হবে। এর উপায় ‘ডিজিটাল ডিটক্স’। প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকতে হবে। অন্যের জীবনের ‘রিল’ দেখার চেয়ে নিজের জীবনের রিয়েলিটি বা বাস্তবতাকে উপভোগ করা শিখতে হবে। বারান্দায় বসে সূর্যাস্ত দেখা বা বৃষ্টির শব্দ শোনার মতো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো ক্যামেরা ছাড়াই উপভোগ করতে শিখতে হবে। তখনই নিজেকে ভালোবাসার শুরু হবে।
আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, অনেক কাজ শুধু আনন্দের জন্যও করা যায়। কেবল তা টাকা উপার্জনের জন্য নয়। গান গাওয়া, ডায়েরি লেখা, বাগান করা বা রান্না করার মতো শখগুলো নিজের প্রশান্তির জন্যই নিয়মিত করা উচিত। হয়তো অনেকেই শখকেও ব্যবসায় রূপান্তরের পরামর্শ দেবে। কিন্তু কেবল নিজের ভালোলাগার জন্য কোনো কাজ করা হলো নিজেকে দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার।

ইগোর কাজ হলো মানুষের মনের ভেতরে নিজের সম্পর্কে একটি কাল্পনিক শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা তৈরি করা। ইগো মানুষকে সারাক্ষণ বোঝাতে থাকে যে সে-ই সবচেয়ে বুদ্ধিমান, সে সবসময় সঠিক এবং তার চিন্তাভাবনাই সবার চেয়ে উন্নত। ইগোসম্পন্ন মানুষ নিজেকে এতটাই নিখুঁত মনে করে যে, সে অন্যের কোনো যৌক্তিক কথা বা পরামর্শ গ্রহণ করতে প
৫ ঘণ্টা আগে
আটলান্টিক মহাসাগরে ঘুরতে বেরিয়েছিল প্রমোদতরী ‘এমভি হন্ডিয়াস’। আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করা এই জাহাজে ছড়িয়ে পড়েছে হান্টাভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, ভাইরাসের সংক্রমণে ইতিমধ্যে তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
আজ ১২ই মে। এই তারিখ এলেই অঞ্জন দত্তের ‘মালা’ গানের কথা মনে পড়ে যায় আমাদের। মনে প্রশ্ন জাগে, কে এই মালা? আজ কি তাঁর জন্মদিন! নাকি মালা-অঞ্জনের বিচ্ছেদের দিন!
১ দিন আগে
ফ্লাফি লোম, চাপা মুখ, বড় চোখ। দেখতে খুব কিউট। বর্তমানে আমাদের শহরের অ্যাপার্টমেন্টে, ইন্টারনেটে বা পোষা প্রাণীর দোকানে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম হলো ‘পার্সিয়ান বিড়াল’।
১ দিন আগে