স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তাঁর ছাত্রত্বের প্রসঙ্গ এসেছে আলোচনায়। এবার এতে যোগ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ঢাবি অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কিনা, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন, মাস দুয়েক ক্লাসও করেছেন।’
বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টা জানতাম।
এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে ঢাবির সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শিরোনামে দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন তারেক রহমান।
সেদিন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দেখে খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে, আজ থেকে প্রায় ৩০-৩৫ বছর আগে ফিরে গেছি। আমি অনুষ্ঠানে আসার সময় আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, আমি গাড়িতে যাব, নাকি হেঁটে। এত বছর পরে ক্যাম্পাসে এসেছি, আমার খুব ইচ্ছা ছিল একটু হেঁটে দেখতে দেখতে আসব। কিন্তু সেই সৌভাগ্যটা হয়নি আমার, বুঝতেই পারছেন কেন। বাইরে দেখলেই আন্দাজ করতে পারছেন।’ মূলত সে সময় বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে হাজারো শিক্ষার্থীর ভিড় করছিলেন।
অবশ্য অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে ক্যাম্পাস হেঁটে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় হাজারো শিক্ষার্থী স্লোগানে ও করতালিতে তাঁকে স্বাগত জানান।
পরে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি এই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণ করলেন। এই উপলক্ষে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের কলেজের ছাত্রদলের যেসব কর্মী-সমর্থক আছেন, তারা অনেক আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বড় একটি অংশ প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবেই গ্রহণ করেছেন এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।’
সেদিন কয়েকটি গণমাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানের খবরেও তারেক রহমানের ছাত্রত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তারেক রহমান পেশা হিসেবে ‘রাজনীতি’ উল্লেখ করেছেন। সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন ‘উচ্চ মাধ্যমিক’। এখন উচ্চ মাধ্যমিক পাস একজন কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
এর জবাব দিয়ে ফেসবুক পোস্টে অধ্যাপক আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।’
ড্রপআউট হওয়ার সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরে তিনি জানান, তখন এরশাদের প্রবল শাসন ছিল দেশে। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তাঁর ছাত্রত্বের প্রসঙ্গ এসেছে আলোচনায়। এবার এতে যোগ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ঢাবি অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কিনা, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন, মাস দুয়েক ক্লাসও করেছেন।’
বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টা জানতাম।
এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে ঢাবির সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শিরোনামে দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন তারেক রহমান।
সেদিন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দেখে খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে, আজ থেকে প্রায় ৩০-৩৫ বছর আগে ফিরে গেছি। আমি অনুষ্ঠানে আসার সময় আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, আমি গাড়িতে যাব, নাকি হেঁটে। এত বছর পরে ক্যাম্পাসে এসেছি, আমার খুব ইচ্ছা ছিল একটু হেঁটে দেখতে দেখতে আসব। কিন্তু সেই সৌভাগ্যটা হয়নি আমার, বুঝতেই পারছেন কেন। বাইরে দেখলেই আন্দাজ করতে পারছেন।’ মূলত সে সময় বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে হাজারো শিক্ষার্থীর ভিড় করছিলেন।
অবশ্য অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে ক্যাম্পাস হেঁটে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় হাজারো শিক্ষার্থী স্লোগানে ও করতালিতে তাঁকে স্বাগত জানান।
পরে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি এই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণ করলেন। এই উপলক্ষে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের কলেজের ছাত্রদলের যেসব কর্মী-সমর্থক আছেন, তারা অনেক আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বড় একটি অংশ প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবেই গ্রহণ করেছেন এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।’
সেদিন কয়েকটি গণমাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানের খবরেও তারেক রহমানের ছাত্রত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তারেক রহমান পেশা হিসেবে ‘রাজনীতি’ উল্লেখ করেছেন। সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন ‘উচ্চ মাধ্যমিক’। এখন উচ্চ মাধ্যমিক পাস একজন কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
এর জবাব দিয়ে ফেসবুক পোস্টে অধ্যাপক আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।’
ড্রপআউট হওয়ার সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরে তিনি জানান, তখন এরশাদের প্রবল শাসন ছিল দেশে। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে পরিবারের সঙ্গে আটক হওয়া ৫-১০ বছরের ২০ শিশুকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে তাদের মা-বাবাকে পাঠায়নি ভারত।
২ ঘণ্টা আগে
হাম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও চিকিৎসার অব্যবস্থাপনার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।
১২ ঘণ্টা আগে
মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে জনস্বাস্থ্য, পশুপাখি ও পরিবেশের কী ধরনের ক্ষতি হচ্ছে, তা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
১২ ঘণ্টা আগে
পারমাণবিক সুরক্ষাকে শুধু প্রযুক্তিগত নয় বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
১২ ঘণ্টা আগে