স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। নতুন এই দাম আজ রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা।
এর আগে একই দিন সকাল ১০টায় প্রথম দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সকালের সমন্বয়ে প্রতি ভরি ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। সেই সময় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা। এই দাম কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল ১০টা থেকেই।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২১ দফায় কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই বছরে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ১৮ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ দফায় কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই বছরে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমানো হয়েছিল।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। নতুন এই দাম আজ রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা।
এর আগে একই দিন সকাল ১০টায় প্রথম দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সকালের সমন্বয়ে প্রতি ভরি ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। সেই সময় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা। এই দাম কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল ১০টা থেকেই।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২১ দফায় কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই বছরে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ১৮ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ দফায় কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই বছরে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমানো হয়েছিল।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কাজ করবে না এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে শতভাগ পেশাদার কাঠামোর আওতায় পরিচালিত করা হবে।
২ দিন আগে
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকট মোকাবিলা, বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু এবং রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
২ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ঋণচুক্তির আওতায় যেসব শর্ত দিচ্ছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যথোপযুক্ত (সুইটেবল) নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার আইএমএফের সব কথা মানতে পারবে না।
৩ দিন আগে
ক্রেতার কাছে ব্যাগ বিক্রি করে সাত মাসে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা আয় হয়েছে বলে জানিয়েছে আড়ং। মুনাফায় যুক্ত না করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ এই অর্থ পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নভিত্তিক তিনটি প্রকল্পে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন।
৪ দিন আগে