কেমব্রিজ প্রিন্সিপালস মিট
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাপী শিক্ষণ পদ্ধতিতে বাড়ছে কৃত্রিক বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব। তবে এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের পাশাপাশি গুরুত্ব দিতে হবে ‘এথিক্যাল এআই’ বা নৈতিক এআই চর্চায়। নজর রাখতে হবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশ, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ‘কেমব্রিজ প্রিন্সিপালস মিটে’ এমন অভিমত উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর উত্তরার গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাসে এই অনুষ্ঠানে কেমব্রিজ কারিকুলামের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক অধ্যক্ষ, স্কুল প্রধান ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী অংশ নেন।
উপস্থিত ছিলেন কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের গ্লোবাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর রড স্মিথ, দক্ষিণ এশিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অরুণ রাজামণি ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং শিক্ষার পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করেন।
স্বাগত বক্তব্যে এসটিএস গ্রুপের সিইও মানাস সিং বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য অর্থবহ শেখার পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। দেশের শিক্ষা খাতের নেতৃত্বস্থানীয়দের একত্র করে অর্থবহ আলোচনা ও মতবিনিময়ের পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য আরও দক্ষ করে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা শুধু পরীক্ষাভিত্তিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, অংশগ্রহণমূলক এবং যুগোপযোগী পাঠদান পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে কেমব্রিজ ইংলিশ প্রোগ্রামের বিভিন্ন উদাহরণ ও কেস স্টাডি উপস্থাপন করে দেখানো হয়, কীভাবে এসব কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাস্তব জীবনে ভাষা ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শুধু আধুনিক কারিকুলাম নয়, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে সহকর্মীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে কেমব্রিজ প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট কোয়ালিফিকেশনস (পিডিকিউ) কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি শিক্ষকদের আত্মমূল্যায়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বকে আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কেমব্রিজ বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা, গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ অম্লান কে সাহা, অ্যাপল ট্রি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ তাহসিনা রাসুল ও চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলের ডিরেক্টর শিরীন ইস্পাহানি।

বিশ্বব্যাপী শিক্ষণ পদ্ধতিতে বাড়ছে কৃত্রিক বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব। তবে এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের পাশাপাশি গুরুত্ব দিতে হবে ‘এথিক্যাল এআই’ বা নৈতিক এআই চর্চায়। নজর রাখতে হবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশ, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ‘কেমব্রিজ প্রিন্সিপালস মিটে’ এমন অভিমত উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর উত্তরার গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাসে এই অনুষ্ঠানে কেমব্রিজ কারিকুলামের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক অধ্যক্ষ, স্কুল প্রধান ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী অংশ নেন।
উপস্থিত ছিলেন কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের গ্লোবাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর রড স্মিথ, দক্ষিণ এশিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অরুণ রাজামণি ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং শিক্ষার পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করেন।
স্বাগত বক্তব্যে এসটিএস গ্রুপের সিইও মানাস সিং বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য অর্থবহ শেখার পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। দেশের শিক্ষা খাতের নেতৃত্বস্থানীয়দের একত্র করে অর্থবহ আলোচনা ও মতবিনিময়ের পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য আরও দক্ষ করে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা শুধু পরীক্ষাভিত্তিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, অংশগ্রহণমূলক এবং যুগোপযোগী পাঠদান পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে কেমব্রিজ ইংলিশ প্রোগ্রামের বিভিন্ন উদাহরণ ও কেস স্টাডি উপস্থাপন করে দেখানো হয়, কীভাবে এসব কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাস্তব জীবনে ভাষা ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শুধু আধুনিক কারিকুলাম নয়, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে সহকর্মীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে কেমব্রিজ প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট কোয়ালিফিকেশনস (পিডিকিউ) কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি শিক্ষকদের আত্মমূল্যায়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বকে আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কেমব্রিজ বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা, গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ অম্লান কে সাহা, অ্যাপল ট্রি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ তাহসিনা রাসুল ও চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলের ডিরেক্টর শিরীন ইস্পাহানি।
.png)

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী থাকার পরও এসএসসি পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। একই ইউনিয়নের আরেকটি বিদ্যালয়ের ১৫ পরীক্ষার্থীর ফলও শূন্য।
১০ আগস্ট ২০২৬
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮টি বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে অংশ নেওয়া ১২৪ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য শতাংশ।
১০ আগস্ট ২০২৬
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হারে বিপর্যয় ঘটেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও কমেছে।
১০ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে প্রতিবন্ধী কোটায় সিট বরাদ্দ পেলেও উঠতে পারছেন না মোহাম্মদ মুসাদ্দেক হোসেন। তাঁর বরাদ্দ সিটে অবস্থান করছেন আরেক শিক্ষার্থী। তাঁকে হল সংসদের নেতারা আশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১০ আগস্ট ২০২৬