এইচএসসি পরীক্ষা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বন্যা-বৈরী আবহাওয়ার কারণে সারা দেশেই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন। একই দাবিতে সামাজিক মাধ্যমও সরগরম। তবে সারা দেশে পরীক্ষা স্থগিতের দাবিকে ‘বাস্তবসম্মত’ মনে করছে না আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিবৃতিতে কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামন বলেছেন, ‘অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় কেবল একটি বোর্ডের সমস্যার জন্য সারা দেশের পরীক্ষা স্থগিত করা বাস্তবসম্মত নয়।’
বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচ জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত ওই জেলাগুলোর পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এমন প্রেক্ষাপটে সারা দেশেই পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ওঠে। তবে পরীক্ষা চলমান রাখার পক্ষে অবস্থান পরিষ্কার করে ওই বিবৃতিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
এতে বলা হয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করার পাশাপাশি স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকদের মতামতের ভিত্তিতে পাঁচ জেলায় পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক মঙ্গলের কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোনো এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা মারাত্মক বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত বা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবারের পরীক্ষার উদাহরণ দিয়ে এতে বলা হয়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যাতায়াতে পরীক্ষার্থীরা কিছু ভোগান্তিতে পড়লেও স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্র কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় তারা সময় মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কমিটি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কেন্দ্রে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। একইসঙ্গে সবাইকে শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বন্যা-বৈরী আবহাওয়ার কারণে সারা দেশেই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন। একই দাবিতে সামাজিক মাধ্যমও সরগরম। তবে সারা দেশে পরীক্ষা স্থগিতের দাবিকে ‘বাস্তবসম্মত’ মনে করছে না আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিবৃতিতে কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামন বলেছেন, ‘অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় কেবল একটি বোর্ডের সমস্যার জন্য সারা দেশের পরীক্ষা স্থগিত করা বাস্তবসম্মত নয়।’
বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচ জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত ওই জেলাগুলোর পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এমন প্রেক্ষাপটে সারা দেশেই পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ওঠে। তবে পরীক্ষা চলমান রাখার পক্ষে অবস্থান পরিষ্কার করে ওই বিবৃতিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
এতে বলা হয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করার পাশাপাশি স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকদের মতামতের ভিত্তিতে পাঁচ জেলায় পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক মঙ্গলের কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোনো এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা মারাত্মক বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত বা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবারের পরীক্ষার উদাহরণ দিয়ে এতে বলা হয়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যাতায়াতে পরীক্ষার্থীরা কিছু ভোগান্তিতে পড়লেও স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্র কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় তারা সময় মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কমিটি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কেন্দ্রে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। একইসঙ্গে সবাইকে শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
.png)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাচ্ছে না। অবাক হলেও এটিই সত্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বিভাগের তিন শিক্ষাবর্ষ পর্যালোচনায় ২৪০ আসন ফাঁকা পাওয়া গেছে। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ডিনস কমিটির সভায় ওঠে। সেখানে ফাঁকা থাকার কারণ পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো পুনর্গঠনে প্রাথমিক আলাপ হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৬ হাজার ২৮১ জন।
১২ জুলাই ২০২৬
বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সব জেলায় আগামীকাল শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
১০ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ফাঁসের ঘটনায় মেহতাব কায়েস নামে এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার।
১০ জুলাই ২০২৬