স্ট্রিম সংবাদদাতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের সামনে এই সংঘর্ষ হয়।
একপর্যায়ে তা ক্যাম্পাসের বাইরে ও ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ মিলনায়তনে প্রবেশের সময় বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন ইনকিলাব মঞ্চের কয়েক প্রতিনিধি।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দিলে জবি ছাত্রশিবির সভাপতি ও জকসুর এজিএস আব্দুল আলিম আরিফের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। ছাত্রদলের পাল্টা স্লোগানের একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেধে যায়।
সংবাদ সংগ্রহের সময় ঢাকা স্ট্রিমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রজব আল ফাহিম, দ্য ডেইলি স্টারের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা ট্রিবিউনের সোহায়েল আহমেদ, স্টার নিউজের প্রতিনিধি জুয়েল মিয়াসহ ছয় সাংবাদিক আহত হন।
সোহায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমি ভিডিওচিত্র ও ছবি তোলার জন্য মাত্র ফোন বের করেছি। এ সময় পেছন থেকে ধর ধর বলে একজন আক্রমণ করে। পরে অন্যরাও হামলায় অংশ নেয়। একপর্যায়ে দৌড়ে প্রশাসনিক ভবনের ভেতর ঢুকে রক্ষা পাই। হামলায় আমার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে।’
এদিকে, আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে দ্বিতীয় দফায় দুপক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
সংঘর্ষে জবি ছাত্রশিবির সভাপতি ও জকসুর এজিএস আব্দুল আলিম আরিফ, জবি ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসিব, জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ এবং ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখসহ অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে জবি ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসিব বলেন, ‘আজকের ছাত্রদলের এই ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে শিবিরের দীর্ঘদিনের দখলদারির মানসিকতাও একটি ঘৃণ্য কাজ। প্রক্টরিয়াল টিম দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, তাদের পদত্যাগ করা উচিত।’
প্রক্টর অধ্যাপক নাসির উদ্দীন বলেন, ‘মিলনায়তনে জুলাইয়ের একটি কর্মসূচির সময় বাইরে একদল বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করে। জুলাইবিরোধী শক্তি এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে, এর পেছনে ছাত্রলীগের ভূমিকা আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের সামনে এই সংঘর্ষ হয়।
একপর্যায়ে তা ক্যাম্পাসের বাইরে ও ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ মিলনায়তনে প্রবেশের সময় বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন ইনকিলাব মঞ্চের কয়েক প্রতিনিধি।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দিলে জবি ছাত্রশিবির সভাপতি ও জকসুর এজিএস আব্দুল আলিম আরিফের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। ছাত্রদলের পাল্টা স্লোগানের একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেধে যায়।
সংবাদ সংগ্রহের সময় ঢাকা স্ট্রিমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রজব আল ফাহিম, দ্য ডেইলি স্টারের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা ট্রিবিউনের সোহায়েল আহমেদ, স্টার নিউজের প্রতিনিধি জুয়েল মিয়াসহ ছয় সাংবাদিক আহত হন।
সোহায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমি ভিডিওচিত্র ও ছবি তোলার জন্য মাত্র ফোন বের করেছি। এ সময় পেছন থেকে ধর ধর বলে একজন আক্রমণ করে। পরে অন্যরাও হামলায় অংশ নেয়। একপর্যায়ে দৌড়ে প্রশাসনিক ভবনের ভেতর ঢুকে রক্ষা পাই। হামলায় আমার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে।’
এদিকে, আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে দ্বিতীয় দফায় দুপক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
সংঘর্ষে জবি ছাত্রশিবির সভাপতি ও জকসুর এজিএস আব্দুল আলিম আরিফ, জবি ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসিব, জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ এবং ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখসহ অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে জবি ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসিব বলেন, ‘আজকের ছাত্রদলের এই ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে শিবিরের দীর্ঘদিনের দখলদারির মানসিকতাও একটি ঘৃণ্য কাজ। প্রক্টরিয়াল টিম দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, তাদের পদত্যাগ করা উচিত।’
প্রক্টর অধ্যাপক নাসির উদ্দীন বলেন, ‘মিলনায়তনে জুলাইয়ের একটি কর্মসূচির সময় বাইরে একদল বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করে। জুলাইবিরোধী শক্তি এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে, এর পেছনে ছাত্রলীগের ভূমিকা আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী থাকার পরও এসএসসি পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। একই ইউনিয়নের আরেকটি বিদ্যালয়ের ১৫ পরীক্ষার্থীর ফলও শূন্য।
১০ আগস্ট ২০২৬
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮টি বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে অংশ নেওয়া ১২৪ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য শতাংশ।
১০ আগস্ট ২০২৬
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হারে বিপর্যয় ঘটেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও কমেছে।
১০ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে প্রতিবন্ধী কোটায় সিট বরাদ্দ পেলেও উঠতে পারছেন না মোহাম্মদ মুসাদ্দেক হোসেন। তাঁর বরাদ্দ সিটে অবস্থান করছেন আরেক শিক্ষার্থী। তাঁকে হল সংসদের নেতারা আশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১০ আগস্ট ২০২৬