জন্মদিন
স্ট্রিম ডেস্ক

‘আশা ছিল ভালোবাসা ছিল’, ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’, ‘মেরে সপ্নো কি রানি’, ‘রূপ তেরা মস্তানা’ কিংবা ‘জিন্দেগি এক সফর হ্যায় সুহানা’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কণ্ঠশিল্পী বলিউডের কিংবদন্তি কিশোর কুমার। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁর গান আজও মানুষের মনে একই রকম জনপ্রিয়। রোমান্টিক গানে যেমন শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়েছেন, তেমনি বিরহের গানেও কাঁদিয়েছেন তাঁদের।
শুধু গান নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও কিশোর কুমার ছিলেন বৈচিত্র্যে ভরা একজন মানুষ। তাঁকে নিয়ে বছরের পর বছর ধরে নানা গল্প, ঘটনা আর জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। এই প্রচলিত কাহিনিগুলোর মধ্যে কোনটি যে সত্য, আর কোনটি যে গুজব, তা আলাদা করা যায় না।
১৯২৯ সালের ৪ আগস্ট মধ্যপ্রদেশের খাণ্ডওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন কিশোর কুমার। তাঁর আসল নাম আভাস কুমার গাঙ্গুলি। গায়ক হিসেবে তিনি কিংবদন্তি হলেও তাঁর প্রতিভা কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অভিনয়, সুর করা, গান লেখা, চিত্রনাট্য লেখা, প্রযোজনা ও পরিচালনা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। বড় ভাই অশোক কুমার ছিলেন বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা। আরেক ভাই অনুপ কুমারও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রের পরিবেশে বড় হয়েছেন কিশোর। প্রথমে অভিনয় দিয়েই ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে তাঁর কণ্ঠই তাঁকে এনে দেয় জনপ্রিয়তা। বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার দেব আনন্দ, রাজেশ খান্না, অমিতাভ বচ্চন, জিতেন্দ্রসহ বহু তারকার কণ্ঠ হয়ে ওঠেন তিনি।

কিশোর কুমারকে ঘিরে একটি বহুল প্রচলিত গল্প আজও ভক্তদের মুখে মুখে ফেরে। বলা হয়, মাত্র পাঁচ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় তাঁর পায়ের আঙুল মারাত্মকভাবে আহত হয়। চিকিৎসার জন্য আঙুলের একটি অংশ কেটে ফেলতে হয়েছিল। তখন অ্যান্টিবায়োটিক সহজে পাওয়া যেত না। তাই ক্ষত সারতে অনেক সময় লাগে। ব্যথার কারণে তিনি দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাঁদতেন। জনশ্রুতি আছে, দীর্ঘদিন এভাবে কান্নার কারণেই তাঁর কণ্ঠে বিশেষ পরিবর্তন আসে। যদিও এর কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবু অনেক ভক্ত বিশ্বাস করেন, এই ঘটনাই তাঁর কণ্ঠকে আলাদা এক আবেদন এনে দিয়েছিল।
১৯৪৮ সালে কিশোর কুমার বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) যান। চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার প্রথম সুযোগ করে দেন সুরকার খেমচাঁদ প্রকাশ। তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দেন কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেব বর্মন। একদিন অশোক কুমারের বাড়িতে গিয়ে শচীন কর্তা শুনলেন, কিশোর কুমার হুবহু কে. এল. সায়গলের কণ্ঠে গান গাইছেন। কিশোর সায়গলকে নিজের গুরু মনে করতেন। কিন্তু এস. ডি. বর্মন তাঁকে বললেন, অন্যের কণ্ঠ নকল না করে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠে গান গাইতে। সেই পরামর্শই বদলে দেয় কিশোর কুমারের ভাগ্য। এরপর এস. ডি. বর্মনের সুরে একের পর এক গান গেয়ে তিনি হয়ে ওঠেন ভারতীয় সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।
গায়ক হিসেবে কিশোরের প্রতিভার আরেকটি উদাহরণ পাওয়া যায় ১৯৬২ সালের ‘হাফ টিকিট’ ছবিতে। একটি গানে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন লতা শহরের বাইরে ছিলেন। রেকর্ডিং পিছিয়ে না দিয়ে কিশোর নিজেই প্রস্তাব দেন, নারী ও পুরুষ দুই কণ্ঠই তিনি গাইবেন। সুরকার সলিল চৌধুরী তাঁর ওপর ভরসা রেখে সেই প্রস্তাবে রাজি হন। গানটি মুক্তির পর শ্রোতারা বিস্মিত হন তাঁর কণ্ঠের বহুমাত্রিকতা দেখে।

অভিনয় করতে গিয়েও কিশোর কুমার মাঝেমধ্যে পরিচালকদের সঙ্গে দুষ্টুমি করতেন। একবার একজন পরিচালক আদালতের নির্দেশ এনে তাঁকে শুটিংয়ে পরিচালকের সব কথা মেনে চলতে বাধ্য করেন। বিষয়টি জানার পর কিশোর ঠিক করলেন, তিনি প্রতিটি নির্দেশ হুবহু পালন করবেন। তাই পরিচালক গাড়ি থেকে নামতে না বলা পর্যন্ত তিনি গাড়ির ভেতরেই বসে রইলেন। আবার একটি দৃশ্যে পরিচালক ‘কাট’ বলতে ভুলে যাওয়ায় কিশোর নাকি গাড়ি চালাতে চালাতেই খাণ্ডালা পৌঁছে যান। পরে তাঁর ব্যাখ্যা ছিল, পরিচালক যেহেতু থামতে বলেননি, তাই অভিনয়ও থামানো যায় না।
কিশোর কুমারকে নিয়ে আরেকটি প্রচলিত গল্প হলো, তিনি নাকি বাড়িতে কঙ্কাল আর মানুষের মাথার খুলি রাখতেন। অনেকে মনে করতেন, মানুষকে ভয় দেখানোর জন্যই তিনি এমন করতেন। বিশেষ করে সাংবাদিকরা সাক্ষাৎকার নিতে এলে তাঁদের অস্বস্তিতে ফেলতেই এসব রাখা হতো বলে জনশ্রুতি আছে। তবে তাঁর ছেলে অমিত কুমার পরে এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাঁদের বাড়িতে সত্যিই মাথার খুলি ছিল, তবে সেটা কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়। পূর্ব আফ্রিকার নাইরোবিতে একটি শো করতে গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করেছিলেন তাঁরা। প্রাচীন ও বিরল জিনিস সংগ্রহ করা ছিল কিশোর কুমারের শখ। পরে সেগুলো ট্রাস্টের কাছে সংরক্ষণ করা হয়।
কাজের ক্ষেত্রে কিশোর কুমার কোনো আপস করতেন না। বিশেষ করে পারিশ্রমিকের ব্যাপারে তিনি ছিলেন খুবই কঠোর। পুরো টাকা না পেলে কাজ শুরু করতেন না। একবার একটি ছবির শুটিংয়ে তিনি মুখের শুধু এক পাশ মেকআপ করে হাজির হন। পরিচালক অবাক হয়ে কারণ জানতে চাইলে কিশোর হেসে বলেন, ‘অর্ধেক টাকা পেয়েছি, তাই অর্ধেক মেকআপ করেছি।’ এই ঘটনাটি পরে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় গল্প হয়ে ওঠে।
আরেকবার এক প্রযোজক দীর্ঘদিন তাঁর আট হাজার রুপি পারিশ্রমিক আটকে রাখেন। বারবার বলেও টাকা না পেয়ে কিশোর অন্য উপায় বের করেন। প্রতিদিন সকালে তিনি সেই প্রযোজকের বাড়ির সামনে গিয়ে জোরে জোরে বলতে শুরু করেন, ‘এই তালওয়ার, আমার আট হাজার টাকা ফিরিয়ে দাও!’ কয়েক দিন এভাবে চলার পর শেষ পর্যন্ত প্রযোজক বাধ্য হয়ে তাঁর পাওনা পরিশোধ করেন।
গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক কিংবা সুরকার, প্রতিটি পরিচয়েই কিশোর কুমার ছিলেন অসাধারণ। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়তো তাঁর খেয়ালি স্বভাব। তাঁকে ঘিরে প্রচলিত অসংখ্য গল্পের সবকটির সত্যতা যাচাই করা না গেলেও একটি বিষয় নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, তাঁর গান যেমন সময়কে হার মানিয়েছে, তেমনি তাঁর ব্যক্তিত্বও আজও মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।

‘আশা ছিল ভালোবাসা ছিল’, ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’, ‘মেরে সপ্নো কি রানি’, ‘রূপ তেরা মস্তানা’ কিংবা ‘জিন্দেগি এক সফর হ্যায় সুহানা’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কণ্ঠশিল্পী বলিউডের কিংবদন্তি কিশোর কুমার। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁর গান আজও মানুষের মনে একই রকম জনপ্রিয়। রোমান্টিক গানে যেমন শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়েছেন, তেমনি বিরহের গানেও কাঁদিয়েছেন তাঁদের।
শুধু গান নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও কিশোর কুমার ছিলেন বৈচিত্র্যে ভরা একজন মানুষ। তাঁকে নিয়ে বছরের পর বছর ধরে নানা গল্প, ঘটনা আর জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। এই প্রচলিত কাহিনিগুলোর মধ্যে কোনটি যে সত্য, আর কোনটি যে গুজব, তা আলাদা করা যায় না।
১৯২৯ সালের ৪ আগস্ট মধ্যপ্রদেশের খাণ্ডওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন কিশোর কুমার। তাঁর আসল নাম আভাস কুমার গাঙ্গুলি। গায়ক হিসেবে তিনি কিংবদন্তি হলেও তাঁর প্রতিভা কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অভিনয়, সুর করা, গান লেখা, চিত্রনাট্য লেখা, প্রযোজনা ও পরিচালনা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। বড় ভাই অশোক কুমার ছিলেন বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা। আরেক ভাই অনুপ কুমারও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রের পরিবেশে বড় হয়েছেন কিশোর। প্রথমে অভিনয় দিয়েই ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে তাঁর কণ্ঠই তাঁকে এনে দেয় জনপ্রিয়তা। বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার দেব আনন্দ, রাজেশ খান্না, অমিতাভ বচ্চন, জিতেন্দ্রসহ বহু তারকার কণ্ঠ হয়ে ওঠেন তিনি।

কিশোর কুমারকে ঘিরে একটি বহুল প্রচলিত গল্প আজও ভক্তদের মুখে মুখে ফেরে। বলা হয়, মাত্র পাঁচ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় তাঁর পায়ের আঙুল মারাত্মকভাবে আহত হয়। চিকিৎসার জন্য আঙুলের একটি অংশ কেটে ফেলতে হয়েছিল। তখন অ্যান্টিবায়োটিক সহজে পাওয়া যেত না। তাই ক্ষত সারতে অনেক সময় লাগে। ব্যথার কারণে তিনি দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাঁদতেন। জনশ্রুতি আছে, দীর্ঘদিন এভাবে কান্নার কারণেই তাঁর কণ্ঠে বিশেষ পরিবর্তন আসে। যদিও এর কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবু অনেক ভক্ত বিশ্বাস করেন, এই ঘটনাই তাঁর কণ্ঠকে আলাদা এক আবেদন এনে দিয়েছিল।
১৯৪৮ সালে কিশোর কুমার বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) যান। চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার প্রথম সুযোগ করে দেন সুরকার খেমচাঁদ প্রকাশ। তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দেন কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেব বর্মন। একদিন অশোক কুমারের বাড়িতে গিয়ে শচীন কর্তা শুনলেন, কিশোর কুমার হুবহু কে. এল. সায়গলের কণ্ঠে গান গাইছেন। কিশোর সায়গলকে নিজের গুরু মনে করতেন। কিন্তু এস. ডি. বর্মন তাঁকে বললেন, অন্যের কণ্ঠ নকল না করে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠে গান গাইতে। সেই পরামর্শই বদলে দেয় কিশোর কুমারের ভাগ্য। এরপর এস. ডি. বর্মনের সুরে একের পর এক গান গেয়ে তিনি হয়ে ওঠেন ভারতীয় সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।
গায়ক হিসেবে কিশোরের প্রতিভার আরেকটি উদাহরণ পাওয়া যায় ১৯৬২ সালের ‘হাফ টিকিট’ ছবিতে। একটি গানে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন লতা শহরের বাইরে ছিলেন। রেকর্ডিং পিছিয়ে না দিয়ে কিশোর নিজেই প্রস্তাব দেন, নারী ও পুরুষ দুই কণ্ঠই তিনি গাইবেন। সুরকার সলিল চৌধুরী তাঁর ওপর ভরসা রেখে সেই প্রস্তাবে রাজি হন। গানটি মুক্তির পর শ্রোতারা বিস্মিত হন তাঁর কণ্ঠের বহুমাত্রিকতা দেখে।

অভিনয় করতে গিয়েও কিশোর কুমার মাঝেমধ্যে পরিচালকদের সঙ্গে দুষ্টুমি করতেন। একবার একজন পরিচালক আদালতের নির্দেশ এনে তাঁকে শুটিংয়ে পরিচালকের সব কথা মেনে চলতে বাধ্য করেন। বিষয়টি জানার পর কিশোর ঠিক করলেন, তিনি প্রতিটি নির্দেশ হুবহু পালন করবেন। তাই পরিচালক গাড়ি থেকে নামতে না বলা পর্যন্ত তিনি গাড়ির ভেতরেই বসে রইলেন। আবার একটি দৃশ্যে পরিচালক ‘কাট’ বলতে ভুলে যাওয়ায় কিশোর নাকি গাড়ি চালাতে চালাতেই খাণ্ডালা পৌঁছে যান। পরে তাঁর ব্যাখ্যা ছিল, পরিচালক যেহেতু থামতে বলেননি, তাই অভিনয়ও থামানো যায় না।
কিশোর কুমারকে নিয়ে আরেকটি প্রচলিত গল্প হলো, তিনি নাকি বাড়িতে কঙ্কাল আর মানুষের মাথার খুলি রাখতেন। অনেকে মনে করতেন, মানুষকে ভয় দেখানোর জন্যই তিনি এমন করতেন। বিশেষ করে সাংবাদিকরা সাক্ষাৎকার নিতে এলে তাঁদের অস্বস্তিতে ফেলতেই এসব রাখা হতো বলে জনশ্রুতি আছে। তবে তাঁর ছেলে অমিত কুমার পরে এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাঁদের বাড়িতে সত্যিই মাথার খুলি ছিল, তবে সেটা কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়। পূর্ব আফ্রিকার নাইরোবিতে একটি শো করতে গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করেছিলেন তাঁরা। প্রাচীন ও বিরল জিনিস সংগ্রহ করা ছিল কিশোর কুমারের শখ। পরে সেগুলো ট্রাস্টের কাছে সংরক্ষণ করা হয়।
কাজের ক্ষেত্রে কিশোর কুমার কোনো আপস করতেন না। বিশেষ করে পারিশ্রমিকের ব্যাপারে তিনি ছিলেন খুবই কঠোর। পুরো টাকা না পেলে কাজ শুরু করতেন না। একবার একটি ছবির শুটিংয়ে তিনি মুখের শুধু এক পাশ মেকআপ করে হাজির হন। পরিচালক অবাক হয়ে কারণ জানতে চাইলে কিশোর হেসে বলেন, ‘অর্ধেক টাকা পেয়েছি, তাই অর্ধেক মেকআপ করেছি।’ এই ঘটনাটি পরে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় গল্প হয়ে ওঠে।
আরেকবার এক প্রযোজক দীর্ঘদিন তাঁর আট হাজার রুপি পারিশ্রমিক আটকে রাখেন। বারবার বলেও টাকা না পেয়ে কিশোর অন্য উপায় বের করেন। প্রতিদিন সকালে তিনি সেই প্রযোজকের বাড়ির সামনে গিয়ে জোরে জোরে বলতে শুরু করেন, ‘এই তালওয়ার, আমার আট হাজার টাকা ফিরিয়ে দাও!’ কয়েক দিন এভাবে চলার পর শেষ পর্যন্ত প্রযোজক বাধ্য হয়ে তাঁর পাওনা পরিশোধ করেন।
গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক কিংবা সুরকার, প্রতিটি পরিচয়েই কিশোর কুমার ছিলেন অসাধারণ। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়তো তাঁর খেয়ালি স্বভাব। তাঁকে ঘিরে প্রচলিত অসংখ্য গল্পের সবকটির সত্যতা যাচাই করা না গেলেও একটি বিষয় নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, তাঁর গান যেমন সময়কে হার মানিয়েছে, তেমনি তাঁর ব্যক্তিত্বও আজও মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।
.png)

বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে আছে ‘মুখ ও মুখোশ’। এই সিনেমার হাত ধরেই এ দেশে নিজেদের সিনেমা তৈরির স্বপ্ন সত্যি হয়। ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পাওয়া ছবিটি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) প্রথম সবাক পূর্ণাঙ্গ বাংলা সিনেমা। এই ছবির পেছনের কারিগর ছিলেন আবদুল জব্বার খান। তিনি অনেক
০৩ আগস্ট ২০২৬
বাজার থেকে টাটকা ফল ও সবজি কিনে আনার পর অনেকেই সেগুলো ফ্রিজে বা রান্নাঘরের এক কোণে রেখে দেন। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দেখতে ভালো থাকলেও এ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার ফ্রিজে ফেলে রাখা সবজি বা ফলে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও জন্মাতে পারে। সব খাবার যে একই সময়
০৩ আগস্ট ২০২৬
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
০২ আগস্ট ২০২৬
ছোটবেলায় মনে হতো বন্ধুদের ছাড়া থাকা একেবারেই অসম্ভব। প্রতিদিন ক্লাসের ফাঁকে লুকিয়ে টিফিন খাওয়া, টিফিনের সময় আড্ডা বা ক্লাসের মধ্যে হাসাহাসি করা দিনগুলো যে একদিন ছেড়ে আসতে হবে, তখন তা ভাবিওনি।
০২ আগস্ট ২০২৬