জুলাইয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমলেও আশাবাদী বিজিএমইএ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ০০
বিজিএমইএ। ছবি: সংগৃহীত

নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩৮৯ কোটি ডলারের রপ্তানিকে ইতিবাচক সূচনা হিসেবেই দেখছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বিজিএমইএ জানায়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই মাসে এর পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।

সংগঠনটি বলছে, ২০২৫ সালের জুলাই ছিল বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রপ্তানির সময়। ফলে সেই ব্যতিক্রমী রেকর্ডের বিপরীতে এবারের সামান্য পতনকে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা উচিত বলে মনে করছে বিজিএমইএ।

পণ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে ছিল ওভেন পোশাক রপ্তানি। এ খাতের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে নিটওয়্যার রপ্তানিতে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা বজায় ছিল; এ খাতে রপ্তানি কমেছে মাত্র শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।

বিজিএমইএর ইউনিট ডিক্লারেশন (ইউডি) তথ্যেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ইউডি মূল্য আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।

বিজিএমইএ বলছে, শিল্প খাত বর্তমানে একাধিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প উল্লেখযোগ্য স্থিতিস্থাপকতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি। বিজিএমইএর ভাষ্য, বিদ্যমান প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এক মাসে প্রায় ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি অর্জন দেশের পোশাক শিল্পের সক্ষমতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অবস্থানকে আরও একবার তুলে ধরেছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত