স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
আবহাওয়া এমন অস্বস্তিদায়ক কেন—জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির স্ট্রিমকে বলেন, দেশে এখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রায় দোরগোড়ায় চলে এসেছে। গ্রীষ্মকাল শেষের দিকে, জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ ভাগ চলছে। গ্রীষ্ম থেকে বর্ষাকালে প্রবেশের এই সময়টাতে আবহাওয়া এ রকমই থাকে। তিনি বলেন, ‘এখন রোদ, বৃষ্টি ও মেঘের লুকোচুরি খেলা থাকবেই।’
ভ্যাপসা গরমের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘যখন বৃষ্টি হবে তখন তাপমাত্রা অনেকটা সহনশীল পর্যায়ে থাকবে, বৃষ্টি কমে গেলে তাপমাত্রা আবার বাড়বে। এ ছাড়া এখন বাতাসটা দক্ষিণের দিক থেকে আসে। বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে আসার কারণে বাতাসে প্রচুর পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে।’
বিজ্ঞানভিত্তিক কারণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুকনো বাতাসের চেয়ে জলীয়বাষ্প যুক্ত বাতাস বা আর্দ্রতা বেশি থাকলে বাতাসের তাপ ধারণক্ষমতা বাড়ে। এ কারণে চারপাশের বাতাস তুলনামূলকভাবে বেশি গরম থাকে। এ ছাড়া বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকার কারণে শরীর থেকে যে ঘাম বের হয়, তা সহজে শুকাতে চায় না। সবমিলে এখনকার আবহাওয়া এত অস্বস্তিকর।’
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এরই মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল অবস্থা রয়েছে।
মৌসুমী বায়ু সারাদেশে বিস্তৃত হলে বর্ষাকাল শুরু হবে জানিয়ে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরায় এই বায়ু। বৃষ্টি শুরু হলে অস্বস্তিভাব কমতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজ করছে। আজ সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকার প্রমাণ মিলেছে ঢাকার পরিসংখ্যানেও। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। আর গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকালে ঢাকায় হালকা বৃষ্টি নিয়ে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘ঢাকায় খুব সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, যা আবহাওয়া অধিদপ্তরে প্রায় রেকর্ডই হয়নি।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় সিলেটে– ৯৬ মিলিমিটার। আজ চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
আবহাওয়া এমন অস্বস্তিদায়ক কেন—জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির স্ট্রিমকে বলেন, দেশে এখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রায় দোরগোড়ায় চলে এসেছে। গ্রীষ্মকাল শেষের দিকে, জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ ভাগ চলছে। গ্রীষ্ম থেকে বর্ষাকালে প্রবেশের এই সময়টাতে আবহাওয়া এ রকমই থাকে। তিনি বলেন, ‘এখন রোদ, বৃষ্টি ও মেঘের লুকোচুরি খেলা থাকবেই।’
ভ্যাপসা গরমের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘যখন বৃষ্টি হবে তখন তাপমাত্রা অনেকটা সহনশীল পর্যায়ে থাকবে, বৃষ্টি কমে গেলে তাপমাত্রা আবার বাড়বে। এ ছাড়া এখন বাতাসটা দক্ষিণের দিক থেকে আসে। বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে আসার কারণে বাতাসে প্রচুর পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে।’
বিজ্ঞানভিত্তিক কারণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুকনো বাতাসের চেয়ে জলীয়বাষ্প যুক্ত বাতাস বা আর্দ্রতা বেশি থাকলে বাতাসের তাপ ধারণক্ষমতা বাড়ে। এ কারণে চারপাশের বাতাস তুলনামূলকভাবে বেশি গরম থাকে। এ ছাড়া বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকার কারণে শরীর থেকে যে ঘাম বের হয়, তা সহজে শুকাতে চায় না। সবমিলে এখনকার আবহাওয়া এত অস্বস্তিকর।’
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এরই মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল অবস্থা রয়েছে।
মৌসুমী বায়ু সারাদেশে বিস্তৃত হলে বর্ষাকাল শুরু হবে জানিয়ে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরায় এই বায়ু। বৃষ্টি শুরু হলে অস্বস্তিভাব কমতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজ করছে। আজ সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকার প্রমাণ মিলেছে ঢাকার পরিসংখ্যানেও। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। আর গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকালে ঢাকায় হালকা বৃষ্টি নিয়ে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘ঢাকায় খুব সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, যা আবহাওয়া অধিদপ্তরে প্রায় রেকর্ডই হয়নি।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় সিলেটে– ৯৬ মিলিমিটার। আজ চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাকে এখন বিশ্ব সাপ্লাই চেইনে ‘সবুজ কারখানা বিপ্লবের’ উদাহরণ হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ‘পরিবেশবান্ধব’ লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সার্টিফায়েড কারখানা এখন বাংলাদেশে।
৪ দিন আগে
গত নয় বছরে অন্তত ১৪০টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে কুয়াকাটা সৈকতে। শুধু চলতি বছরেই এসেছে চারটি ডলফিন। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটিরও পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ময়নাতদন্ত হয়নি।
৪ দিন আগে
দেশে গত এক বছরে সরকারি প্রকল্প ও দখলের জন্য কাটা পড়েছে ৫২ হাজার ৩৭৫টি গাছ। সংখ্যাটি বেশ বড় মনে হলেও, এটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম। মূলত দেশে বড় বড় নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্প আপাতত বন্ধ অথবা ধীরগতিতে চলায় গাছ কাটার হার কমেছে।
৫ দিন আগে
আগামী পাঁচ বছরে (২০২৬-২০৩০) বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, এর ফলে হুমকির মুখে পড়বে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা।
১২ দিন আগে