শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৬৬। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, এই স্কোর নিয়ে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ বলে গণ্য করা হয়।
ইউএনবি

টানা কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কিছুটা কম। শহরের বাতাস ‘মাঝারি’ মানের। আজ শুক্রবার ছুটির দিনেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ পাঁচে উঠে এসেছে পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের দিল্লি।
শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৬৬। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, এই স্কোর নিয়ে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ বলে গণ্য করা হয়।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার স্কোর ছিল ৬৪। তার আগের দিন বুধবারও একই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে ছিল ঢাকার বাতাস।
সাধারণত বর্ষাকালে ঢাকার বাতাসের মানে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। গত কয়েকদিন ধরে টানা না হলেও কমবেশি বৃষ্টি ঝরেই চলেছে ঢাকাতে। যে কারণে বাতাসে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক কম রয়েছে।
তবে ঢাকার মতোই দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ুদূষণের শীর্ষে থাকা লাহোর ও দিল্লির বাতাসে লক্ষণীয় অবনতি দেখা গেছে। শহর দুটির বাতাস বাসিন্দাদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর' হয়ে উঠেছে।
আজ ১৫৫ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে লাহোর এবং ১৫৪ স্কোর নিয়ে পঞ্চম দিল্লি।
একই সময়ে আজ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বাহরাইনের মানামা, একিউআই স্কোর ২৪২। ২২৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে কাতারের দোহা। গতকাল শীর্ষে থাকলেও ১৬৩ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার তৃতীয় স্থানে উগান্ডার কাম্পালা।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।

টানা কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কিছুটা কম। শহরের বাতাস ‘মাঝারি’ মানের। আজ শুক্রবার ছুটির দিনেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ পাঁচে উঠে এসেছে পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের দিল্লি।
শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৬৬। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, এই স্কোর নিয়ে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ বলে গণ্য করা হয়।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার স্কোর ছিল ৬৪। তার আগের দিন বুধবারও একই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে ছিল ঢাকার বাতাস।
সাধারণত বর্ষাকালে ঢাকার বাতাসের মানে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। গত কয়েকদিন ধরে টানা না হলেও কমবেশি বৃষ্টি ঝরেই চলেছে ঢাকাতে। যে কারণে বাতাসে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক কম রয়েছে।
তবে ঢাকার মতোই দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ুদূষণের শীর্ষে থাকা লাহোর ও দিল্লির বাতাসে লক্ষণীয় অবনতি দেখা গেছে। শহর দুটির বাতাস বাসিন্দাদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর' হয়ে উঠেছে।
আজ ১৫৫ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে লাহোর এবং ১৫৪ স্কোর নিয়ে পঞ্চম দিল্লি।
একই সময়ে আজ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বাহরাইনের মানামা, একিউআই স্কোর ২৪২। ২২৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে কাতারের দোহা। গতকাল শীর্ষে থাকলেও ১৬৩ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার তৃতীয় স্থানে উগান্ডার কাম্পালা।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।

দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির অভূতপূর্ব সমাবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে একদিনে ৩০৪টি হাম্পব্যাক তিমি শনাক্ত হওয়ার ঘটনা ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টানা দুই দিনের পর্যবেক্ষণে মোট ৩৭২টি পৃথক তিমি শনাক্ত করা হয়
১০ ঘণ্টা আগে
তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২৪ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। গরমে বিপর্যস্ত জনজীবনে একটাই প্রশ্ন—স্বস্তির বৃষ্টি নামবে কবে? আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দাবদাহ থেকে মুক্তি পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই-তিন দিন। ২৫ এপ্রিলের আগে নেই কোনো সুখবর।
৩ দিন আগে
সময়টা ১৯৭০ সাল। এমন একটি তারিখ বেছে নেওয়া হলো, যেন স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরাও এতে যুক্ত হতে পারে। তারিখ হলো ২২ এপ্রিল। বসন্তকালীন ছুটির পর। সেদিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি মানুষ নেমে এসেছিল রাস্তায়। কারণ, পৃথিবীকে বাঁচাতে হবে।
৪ দিন আগে
চারদিকে রাজধানী উন্নয়ন প্রকল্পের (রাজউক) আবাসন প্রকল্প আর দ্রুত বাড়তে থাকা কংক্রিটের জঙ্গল। চলছে জলাভূমি ভরাটের মহোৎসব। কিন্তু এর মাঝেই যেন এক টুকরো স্বস্তি হয়ে টিকে আছে ঢাকার উত্তরা সংলগ্ন দিয়াবাড়ি এলাকার প্রকৃতি।
৪ দিন আগে