স্ট্রিম ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে হাতিয়ায়। এছাড়া সীতাকুণ্ডে ৫৯ মিলিমিটার, মাদারীপুরে ৫৫ মিলিমিটার, ঈশ্বরদীতে ৫৩ মিলিমিটার এবং রাজশাহীর বাঘাবাড়িতে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। কুমারখালীতে ৩৩ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ৩৮ মিলিমিটার ও নারায়ণগঞ্জে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিও রেকর্ড করা হয়েছে।
তাপমাত্রার হিসাবে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বরিশালের খেপুপাড়ায় ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নারায়ণগঞ্জে ২০ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া মাদারিপুরে ২০ দশমিক ৫ এবং চুয়াডাঙ্গায় ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে ‘ভারি বর্ষণ’ হিসেবে ধরা হয়। সে হিসাবে সীতাকুণ্ড, মাদারীপুর, ঈশ্বরদী ও রাজশাহীতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আর ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে হাতিয়ায়। এছাড়া সীতাকুণ্ডে ৫৯ মিলিমিটার, মাদারীপুরে ৫৫ মিলিমিটার, ঈশ্বরদীতে ৫৩ মিলিমিটার এবং রাজশাহীর বাঘাবাড়িতে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। কুমারখালীতে ৩৩ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ৩৮ মিলিমিটার ও নারায়ণগঞ্জে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিও রেকর্ড করা হয়েছে।
তাপমাত্রার হিসাবে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বরিশালের খেপুপাড়ায় ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নারায়ণগঞ্জে ২০ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া মাদারিপুরে ২০ দশমিক ৫ এবং চুয়াডাঙ্গায় ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে ‘ভারি বর্ষণ’ হিসেবে ধরা হয়। সে হিসাবে সীতাকুণ্ড, মাদারীপুর, ঈশ্বরদী ও রাজশাহীতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আর ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাকে এখন বিশ্ব সাপ্লাই চেইনে ‘সবুজ কারখানা বিপ্লবের’ উদাহরণ হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ‘পরিবেশবান্ধব’ লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সার্টিফায়েড কারখানা এখন বাংলাদেশে।
৬ দিন আগে
গত নয় বছরে অন্তত ১৪০টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে কুয়াকাটা সৈকতে। শুধু চলতি বছরেই এসেছে চারটি ডলফিন। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটিরও পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ময়নাতদন্ত হয়নি।
৬ দিন আগে
দেশে গত এক বছরে সরকারি প্রকল্প ও দখলের জন্য কাটা পড়েছে ৫২ হাজার ৩৭৫টি গাছ। সংখ্যাটি বেশ বড় মনে হলেও, এটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম। মূলত দেশে বড় বড় নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্প আপাতত বন্ধ অথবা ধীরগতিতে চলায় গাছ কাটার হার কমেছে।
৭ দিন আগে