গবেষণা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

সারা দিনের কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমের পর মানুষ অপেক্ষায় থাকে রাতের একটু শীতলতার। কিন্তু সেই স্বস্তিটুকুও এখন আর মিলছে না। বরং দিনের চেয়ে রাতের তাপমাত্রা এখন বাড়ছে আরও দ্রুতগতিতে। হিসাব বলছে, প্রতি দশকে যেখানে দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে শূন্য দশমিক ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে, সেখানে রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে শূন্য দশমিক ৩২ ডিগ্রি হারে।
প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এ গত ২২ জুন প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন ভয়াবহ চিত্র। ১৯৫০ থেকে ২০২৪—দীর্ঘ ৭৪ বছরের আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করে ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টসের (ইসিএমডব্লিউএফ) একদল গবেষক দেখিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ১০০ কোটি মানুষ নতুন করে চরম তাপপ্রবাহের শিকার হচ্ছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, সত্তরের দশকে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ মানুষ বছরে অন্তত ৯০ দিন তীব্র গরমের কষ্ট ভোগ করত। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশে। দিন ও রাতের এই একটানা দমবন্ধ করা পরিস্থিতি জনজীবনে এক নীরব বিপর্যয় ডেকে আনছে। বাড়ছে হিটস্ট্রোকসহ নানা প্রাণঘাতী রোগ। স্থবির হয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষের জীবন। চরম হুমকিতে পড়েছে বৈশ্বিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা।
দীর্ঘ হচ্ছে গরমের দিন
গবেষকেরা শুধু থার্মোমিটারের পারদ দিয়ে এই হিসাব করেননি। বাতাসের আর্দ্রতা, গতি এবং রোদের তেজ মিলিয়ে মানুষের শরীরে ঠিক কতটা গরম অনুভূত হয় (ফিলস লাইক টেম্পারেচার), তা হিসাব করেছেন তাঁরা। এতে দেখা যায়, বিংশ শতকের সত্তরের দশকের তুলনায় গত এক দশকে (২০১৫-২০২৪) চরম তাপপ্রবাহের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে।
এই সময়ে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায় চরম তাপপ্রবাহ আগের চেয়ে আড়াই গুণ বেড়েছে। উত্তর আমেরিকায় বেড়েছে দ্বিগুণ, আর আফ্রিকা ও এশিয়ায় বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৭ গুণ। শুধু তা-ই নয়, গরমের মৌসুম আগের চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়েছে। উত্তর গোলার্ধে গরমের দিন গড়ে ৬ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত বেড়েছে। আর আফ্রিকায় চরম তাপপ্রবাহের মৌসুম দীর্ঘ হয়েছে প্রায় ২৮ দিন।
দিনে-রাতে একটানা গরম
গবেষণাপত্রের সবচেয়ে ভয়ের দিকটি হলো দিন ও রাতের একটানা এই তাপপ্রবাহ (যৌথ তাপপ্রবাহ)। দিনে তীব্র গরমের পর রাতেও তাপমাত্রা কমছে না। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও থাকছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৯৯৮ সালের আগে রাতে এমন তীব্র গরম বা তাপ-পীড়নের ঘটনা প্রায় দেখাই যেত না। কিন্তু এখন দিন-রাতের এই একটানা অসহনীয় গরম সারা বিশ্বেই বাড়ছে। যেমন— ইউরোপে ১৯৭০-এর দশকের তুলনায় এখন দিন-রাতের একটানা গরমের ঘটনা ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। ১৫ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত টানা এমন গরম থাকার ঘটনা আগের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ (৩ দশমিক ৪ গুণ) বেশি ঘটছে। রাতে শরীর প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতিকে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
বিপদে ১০০ কোটি মানুষ, ঝুঁকিতে শিশুরা
তাপমাত্রার এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ সরাসরি আঘাত হানছে সাধারণ মানুষের ওপর। ১৯৭০-এর দশকে বিশ্বের অন্তত ১৬ শতাংশ মানুষ বছরে অন্তত এক দিন চরম তাপপ্রবাহের শিকার হতো, যা এখন বেড়ে ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসাব যোগ করলে এর সোজা অর্থ হলো, নতুন করে আরও ১০০ কোটি মানুষ চরম এই বিপদের মুখে পড়েছেন।
গবেষণায় ইউনিসেফের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলা হয়েছে, এই তাপপ্রবাহের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে শিশুরা। সারা বিশ্বে প্রায় ৫৫ কোটি ৯০ লাখ শিশু এখন নিয়মিত তীব্র গরমের মুখে পড়ছে। বড়দের তুলনায় শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কম থাকায় এই একটানা গরম তাদের জন্য সরাসরি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বাঁচার উপায় কী?
গবেষক দলের প্রধান রেবেকা এমারটন সতর্ক করে বলেছেন, কার্বন নির্গমন কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের লাগাম এখনই টেনে ধরা না গেলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হবে।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখাও সম্ভব হয়, তবু ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় প্রতিটি শিশু চরম তাপপ্রবাহের শিকার হবে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন থেকেই প্রতিটি দেশকে প্রস্তুতি নিতে হবে।
গবেষকেরা বলছেন, শুধু দিনের বেলায় রোদের হাত থেকে বাঁচলে চলবে না, রাতের তাপমাত্রার দিকেও নজর দিতে হবে। এ জন্য তাপদাহ মোকাবিলায় জাতীয় পরিকল্পনা (হিট-অ্যাকশন প্ল্যান), আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা এবং শহরগুলোকে গাছপালা বা জলাশয় দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা রাখার (আর্বান কুলিং) কোনো বিকল্প নেই। এসব পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই এই তাপপ্রবাহ মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় ঘাতকে পরিণত হবে।

সারা দিনের কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমের পর মানুষ অপেক্ষায় থাকে রাতের একটু শীতলতার। কিন্তু সেই স্বস্তিটুকুও এখন আর মিলছে না। বরং দিনের চেয়ে রাতের তাপমাত্রা এখন বাড়ছে আরও দ্রুতগতিতে। হিসাব বলছে, প্রতি দশকে যেখানে দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে শূন্য দশমিক ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে, সেখানে রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে শূন্য দশমিক ৩২ ডিগ্রি হারে।
প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এ গত ২২ জুন প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন ভয়াবহ চিত্র। ১৯৫০ থেকে ২০২৪—দীর্ঘ ৭৪ বছরের আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করে ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টসের (ইসিএমডব্লিউএফ) একদল গবেষক দেখিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ১০০ কোটি মানুষ নতুন করে চরম তাপপ্রবাহের শিকার হচ্ছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, সত্তরের দশকে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ মানুষ বছরে অন্তত ৯০ দিন তীব্র গরমের কষ্ট ভোগ করত। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশে। দিন ও রাতের এই একটানা দমবন্ধ করা পরিস্থিতি জনজীবনে এক নীরব বিপর্যয় ডেকে আনছে। বাড়ছে হিটস্ট্রোকসহ নানা প্রাণঘাতী রোগ। স্থবির হয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষের জীবন। চরম হুমকিতে পড়েছে বৈশ্বিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা।
দীর্ঘ হচ্ছে গরমের দিন
গবেষকেরা শুধু থার্মোমিটারের পারদ দিয়ে এই হিসাব করেননি। বাতাসের আর্দ্রতা, গতি এবং রোদের তেজ মিলিয়ে মানুষের শরীরে ঠিক কতটা গরম অনুভূত হয় (ফিলস লাইক টেম্পারেচার), তা হিসাব করেছেন তাঁরা। এতে দেখা যায়, বিংশ শতকের সত্তরের দশকের তুলনায় গত এক দশকে (২০১৫-২০২৪) চরম তাপপ্রবাহের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে।
এই সময়ে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায় চরম তাপপ্রবাহ আগের চেয়ে আড়াই গুণ বেড়েছে। উত্তর আমেরিকায় বেড়েছে দ্বিগুণ, আর আফ্রিকা ও এশিয়ায় বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৭ গুণ। শুধু তা-ই নয়, গরমের মৌসুম আগের চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়েছে। উত্তর গোলার্ধে গরমের দিন গড়ে ৬ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত বেড়েছে। আর আফ্রিকায় চরম তাপপ্রবাহের মৌসুম দীর্ঘ হয়েছে প্রায় ২৮ দিন।
দিনে-রাতে একটানা গরম
গবেষণাপত্রের সবচেয়ে ভয়ের দিকটি হলো দিন ও রাতের একটানা এই তাপপ্রবাহ (যৌথ তাপপ্রবাহ)। দিনে তীব্র গরমের পর রাতেও তাপমাত্রা কমছে না। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও থাকছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৯৯৮ সালের আগে রাতে এমন তীব্র গরম বা তাপ-পীড়নের ঘটনা প্রায় দেখাই যেত না। কিন্তু এখন দিন-রাতের এই একটানা অসহনীয় গরম সারা বিশ্বেই বাড়ছে। যেমন— ইউরোপে ১৯৭০-এর দশকের তুলনায় এখন দিন-রাতের একটানা গরমের ঘটনা ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। ১৫ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত টানা এমন গরম থাকার ঘটনা আগের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ (৩ দশমিক ৪ গুণ) বেশি ঘটছে। রাতে শরীর প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতিকে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
বিপদে ১০০ কোটি মানুষ, ঝুঁকিতে শিশুরা
তাপমাত্রার এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ সরাসরি আঘাত হানছে সাধারণ মানুষের ওপর। ১৯৭০-এর দশকে বিশ্বের অন্তত ১৬ শতাংশ মানুষ বছরে অন্তত এক দিন চরম তাপপ্রবাহের শিকার হতো, যা এখন বেড়ে ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসাব যোগ করলে এর সোজা অর্থ হলো, নতুন করে আরও ১০০ কোটি মানুষ চরম এই বিপদের মুখে পড়েছেন।
গবেষণায় ইউনিসেফের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলা হয়েছে, এই তাপপ্রবাহের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে শিশুরা। সারা বিশ্বে প্রায় ৫৫ কোটি ৯০ লাখ শিশু এখন নিয়মিত তীব্র গরমের মুখে পড়ছে। বড়দের তুলনায় শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কম থাকায় এই একটানা গরম তাদের জন্য সরাসরি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বাঁচার উপায় কী?
গবেষক দলের প্রধান রেবেকা এমারটন সতর্ক করে বলেছেন, কার্বন নির্গমন কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের লাগাম এখনই টেনে ধরা না গেলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হবে।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখাও সম্ভব হয়, তবু ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় প্রতিটি শিশু চরম তাপপ্রবাহের শিকার হবে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন থেকেই প্রতিটি দেশকে প্রস্তুতি নিতে হবে।
গবেষকেরা বলছেন, শুধু দিনের বেলায় রোদের হাত থেকে বাঁচলে চলবে না, রাতের তাপমাত্রার দিকেও নজর দিতে হবে। এ জন্য তাপদাহ মোকাবিলায় জাতীয় পরিকল্পনা (হিট-অ্যাকশন প্ল্যান), আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা এবং শহরগুলোকে গাছপালা বা জলাশয় দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা রাখার (আর্বান কুলিং) কোনো বিকল্প নেই। এসব পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই এই তাপপ্রবাহ মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় ঘাতকে পরিণত হবে।
.png)

পুরোপুরি চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর প্রাণীরা যখন সুস্থ্য হয়ে উঠবে তখন তাদের অবমুক্ত করা হবে। এর আগ পর্যন্ত তাদের ওখানেই রাখা হবে।
৯ দিন আগে
প্রতিবছর মৌসুমি ও আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, তাপদাহ, শৈত্যপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি, খরা, নদীভাঙন ও ভূমিকম্পের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে দেশ। এতে প্রাণহানিও ঘটছে প্রতিবছর। তবে আগাম সতর্কবার্তা প্রচার এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
১১ দিন আগে
দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
১৪ দিন আগে
বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাকে এখন বিশ্ব সাপ্লাই চেইনে ‘সবুজ কারখানা বিপ্লবের’ উদাহরণ হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ‘পরিবেশবান্ধব’ লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সার্টিফায়েড কারখানা এখন বাংলাদেশে।
১৮ দিন আগে