এক্সপ্লেইনার
কাজী নিশাত তাবাসসুম

দৃশ্যটি এরইমধ্যে অনেকেই দেখে ফেলেছেন নিশ্চয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে বলছেন—‘এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মিস্টার আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট (এটা শাহবাগ চত্বর নয়, এটা সংসদ)। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে।’
গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংশোধিত আকারে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ বিল পাস নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্কের সময় হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার এসব কথা বলেন। স্পিকারের এই বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
এছাড়া কিছুদিন আগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে জামায়াতের এমপি আমির হামজার করা কটূক্তির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সেই আলোচনাও সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। রুমিন ফারহানা কটূক্তিমূলক বক্তব্যের বিচার চেয়ে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে স্পিকার তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেন, সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা অবশ্যই শালীনতা ও বিধিমালার মধ্যে থাকতে হবে। কোনো সদস্য যদি ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, তা সংসদের গ্রহণযোগ্যতার বাইরে পড়ে। স্পিকারের এই বক্তব্য সংসদের আচরণবিধির গুরুত্ব পুনরায় সামনে নিয়ে আসে।
চলতি সংসদ অধিবেশনেই আরেক দিন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ তাঁর বাবাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, এই সংসদে আমার সম্মানিত পিতা, মাদরাসার শিক্ষক উপস্থিত আছেন। তার সামনে দাঁড়িয়েই আমি আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ৯৪ সংসদে উপস্থাপন করছি।
এসময় স্পিকার তাঁকে সংশোধন করে দিয়ে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, কার্যপ্রণালি বিধি অনুসারে, আপনি গ্যালারিতে উপবিষ্ট কারও সম্পর্কে কোনো মন্তব্য সংসদে রাখতে পারেন না।’
অর্থাৎ সংসদের একটি কার্যপ্রণালিবিধি রয়েছে এবং সেটি অনুসরণ করেই সংসদ সদস্যদের সংসদে আচরণ করতে হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান সরাসরি বিস্তারিত আচরণবিধি নির্ধারণ না করলেও সংসদের কার্যপ্রণালি ও সদস্যদের আচরণের কাঠামো নির্ধারণ করেছে। বিশেষ করে, সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ সংসদের কার্যপ্রণালি নির্ধারণে ক্ষমতা দেয়। এর ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছে ‘জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিমালা’; যেখানে সদস্যদের আচরণ, বক্তব্য, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্পিকারের ক্ষমতা ইত্যাদি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
এই বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সদস্য অশালীন, আপত্তিকর বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য দিতে পারেন না। স্পিকারের নির্দেশ অমান্য করা যাবে না। অন্য সদস্যের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন আচরণ কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়। স্পিকার প্রয়োজনে সদস্যকে সতর্ক, বক্তব্য প্রত্যাহার করতে নির্দেশ, এমনকি সংসদ থেকে সাময়িক বহিষ্কারও করতে পারেন। এছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মূলতবি প্রস্তাব এবং দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশ দিতে হয়।
সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের জায়গা নয়, এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। সংসদের ভেতরের আচরণ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে। যদি সংসদে শালীনতা না থাকে, তবে তা গণতন্ত্রের প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংসদের আচরণবিধি মূলত তিনটি লক্ষ্য পূরণ করে— বিতর্ককে যুক্তিনির্ভর ও ফলপ্রসূ রাখা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ এবং সংসদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা।
এসব কারণে শুধু স্পিকারই নন, সংসদের অন্যান্য প্রবীণ সদস্যরাও এ ধরনের আনাড়ি আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কয়েকজন সদস্য তাদের বক্তব্যে বলেন, সংসদে ভাষার ব্যবহারে দায়িত্বশীল বিরোধিতা থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত না হয়।
বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে সংসদের আচরণবিধি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যেমন, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে স্পিকারের নির্দেশ অমান্য করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় সদস্যদের বক্তব্যে নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের ওপরও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই উদাহরণগুলো দেখায়, সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়, এটি কার্যকর গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ।
তবে এবারের সংসদ সদস্যরাই এমন ‘আনাড়িপনা’ করছেন এমন নয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দেখা গেছে, একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বিল উত্থাপন করতে গিয়ে অনভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পত্রিকার খবরান্তরে জানা গিয়েছিল, সংসদ নেতা তারেক রহমান দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সেই প্রশিক্ষণ যথেষ্ট ছিল না।
এই সংসদের বিরোধী দলের প্রায় সব সদস্যই অবশ্য প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন। তাঁদের বিষয়টি জনগণ হয়তো খানিকটা সহানুভূতির দৃষ্টিতেই দেখবে। কিন্তু সেটা কতদিন? সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই কার্যপ্রণালিবিধি অনুযায়ী সংসদে আচরণ করা উচিত।
তথ্যসূত্র: রুলস অব প্রসিডিউর অব জাতীয় সংসদ

দৃশ্যটি এরইমধ্যে অনেকেই দেখে ফেলেছেন নিশ্চয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে বলছেন—‘এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মিস্টার আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট (এটা শাহবাগ চত্বর নয়, এটা সংসদ)। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে।’
গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংশোধিত আকারে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ বিল পাস নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্কের সময় হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার এসব কথা বলেন। স্পিকারের এই বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
এছাড়া কিছুদিন আগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে জামায়াতের এমপি আমির হামজার করা কটূক্তির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সেই আলোচনাও সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। রুমিন ফারহানা কটূক্তিমূলক বক্তব্যের বিচার চেয়ে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে স্পিকার তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেন, সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা অবশ্যই শালীনতা ও বিধিমালার মধ্যে থাকতে হবে। কোনো সদস্য যদি ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, তা সংসদের গ্রহণযোগ্যতার বাইরে পড়ে। স্পিকারের এই বক্তব্য সংসদের আচরণবিধির গুরুত্ব পুনরায় সামনে নিয়ে আসে।
চলতি সংসদ অধিবেশনেই আরেক দিন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ তাঁর বাবাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, এই সংসদে আমার সম্মানিত পিতা, মাদরাসার শিক্ষক উপস্থিত আছেন। তার সামনে দাঁড়িয়েই আমি আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ৯৪ সংসদে উপস্থাপন করছি।
এসময় স্পিকার তাঁকে সংশোধন করে দিয়ে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, কার্যপ্রণালি বিধি অনুসারে, আপনি গ্যালারিতে উপবিষ্ট কারও সম্পর্কে কোনো মন্তব্য সংসদে রাখতে পারেন না।’
অর্থাৎ সংসদের একটি কার্যপ্রণালিবিধি রয়েছে এবং সেটি অনুসরণ করেই সংসদ সদস্যদের সংসদে আচরণ করতে হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান সরাসরি বিস্তারিত আচরণবিধি নির্ধারণ না করলেও সংসদের কার্যপ্রণালি ও সদস্যদের আচরণের কাঠামো নির্ধারণ করেছে। বিশেষ করে, সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ সংসদের কার্যপ্রণালি নির্ধারণে ক্ষমতা দেয়। এর ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছে ‘জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিমালা’; যেখানে সদস্যদের আচরণ, বক্তব্য, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্পিকারের ক্ষমতা ইত্যাদি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
এই বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সদস্য অশালীন, আপত্তিকর বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য দিতে পারেন না। স্পিকারের নির্দেশ অমান্য করা যাবে না। অন্য সদস্যের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন আচরণ কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়। স্পিকার প্রয়োজনে সদস্যকে সতর্ক, বক্তব্য প্রত্যাহার করতে নির্দেশ, এমনকি সংসদ থেকে সাময়িক বহিষ্কারও করতে পারেন। এছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মূলতবি প্রস্তাব এবং দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশ দিতে হয়।
সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের জায়গা নয়, এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। সংসদের ভেতরের আচরণ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে। যদি সংসদে শালীনতা না থাকে, তবে তা গণতন্ত্রের প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংসদের আচরণবিধি মূলত তিনটি লক্ষ্য পূরণ করে— বিতর্ককে যুক্তিনির্ভর ও ফলপ্রসূ রাখা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ এবং সংসদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা।
এসব কারণে শুধু স্পিকারই নন, সংসদের অন্যান্য প্রবীণ সদস্যরাও এ ধরনের আনাড়ি আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কয়েকজন সদস্য তাদের বক্তব্যে বলেন, সংসদে ভাষার ব্যবহারে দায়িত্বশীল বিরোধিতা থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত না হয়।
বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে সংসদের আচরণবিধি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যেমন, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে স্পিকারের নির্দেশ অমান্য করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় সদস্যদের বক্তব্যে নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের ওপরও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই উদাহরণগুলো দেখায়, সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়, এটি কার্যকর গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ।
তবে এবারের সংসদ সদস্যরাই এমন ‘আনাড়িপনা’ করছেন এমন নয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দেখা গেছে, একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বিল উত্থাপন করতে গিয়ে অনভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পত্রিকার খবরান্তরে জানা গিয়েছিল, সংসদ নেতা তারেক রহমান দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সেই প্রশিক্ষণ যথেষ্ট ছিল না।
এই সংসদের বিরোধী দলের প্রায় সব সদস্যই অবশ্য প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন। তাঁদের বিষয়টি জনগণ হয়তো খানিকটা সহানুভূতির দৃষ্টিতেই দেখবে। কিন্তু সেটা কতদিন? সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই কার্যপ্রণালিবিধি অনুযায়ী সংসদে আচরণ করা উচিত।
তথ্যসূত্র: রুলস অব প্রসিডিউর অব জাতীয় সংসদ

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। রাস্তায় সভা-সমাবেশ, ধর্মীয় মিছিল থেকে শুরু করে টিভি স্টুডিও—সব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গে কি আবার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল, নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বিজেপি?
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির নানা প্রস্তাব নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দুই সপ্তাহের এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। দুই পক্ষের কর্মকর্তারা চুক্তির বিভিন্ন শর্ত ও প্রস্তাব নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছেন।
২ দিন আগে
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শুভেন্দু অধিকারী একটি আলোচিত নাম। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সেনাপতি থেকে আজ তিনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে উঠেছেন।
২ দিন আগে
প্রায় ছয় সপ্তাহের তীব্র সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শর্তসাপেক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই সংঘাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়।
৩ দিন আগে