স্ট্রিম ডেস্ক

কোরবানির ঈদে মাংস সংরক্ষণ করা অনেকের জন্যই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এখন ফ্রিজ থাকায় কাজটা আগের চেয়ে অনেক সহজ। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ফ্রিজে মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে এর মান ঠিক থাকে।
ফ্রিজে রাখলেই যে মাংস অনেক দিন ভালো থাকবে, বিষয়টা তেমন নয়। সঠিক তাপমাত্রার ওপর মাংস ভালো থাকার সময়কাল নির্ভর করে। ফ্রিজে সাধারণত গরুর কাঁচা মাংস ৫ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। খাসির মাংসের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ৪ থেকে ৫ মাস।
তবে পশুর কলিজা বেশি দিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কলিজা দ্রুত রান্না করে খেয়ে ফেলা উচিত। এছাড়া উট ও মহিষের মাংস ফ্রিজে ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত ভালো রাখা যাবে। আর ভেড়ার মাংস সংরক্ষণ করা যাবে ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত।
এতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে মাংস ভালো রাখার তাপমাত্রা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফ্রিজে মাংস রাখার সময় তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না, সেদিকে নজর রাখতে হবে। জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।
ফ্রিজের ভেতরে যে বক্স থাকে, সেখানে সরাসরি খোলা মাংস রাখবেন না। মাংস সবসময় প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখা উচিত। প্লাস্টিকের ব্যাগ বা ফয়েল পেপারে রাখলে ভেতরের বাতাস বের হয়ে যায়। প্যাকেটে বাতাস ঢুকলে সেখানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। এ ছাড়া চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা প্যাকেটে রাখতে পারেন।
মাংস ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে ধুয়ে নিলে ভালো হয়। ধোয়ার পর মাংসের পানি ঝরিয়ে তারপর ফ্রিজে রাখুন। পানি ভালো করে না ঝরিয়ে ফ্রিজে রেখে দিলে মাংস দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরেকটি বিষয় মাংসের টুকরোর আকার। মাংস ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে টুকরোগুলো একটু বড় বড় করে রাখা ভালো। কারণ ছোট টুকরো করলে তার মধ্যে অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে। ফ্রিজে রাখার আগে মাংস থেকে রক্ত, চর্বি ও পানি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এগুলো থাকলে মাংসে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটে।
মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং এর সমস্যা হলে ফ্রিজের দরজা প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা খুলবেন না। কারণ মাংস পুরোপুরি শক্ত বা বরফ হওয়ার আগেই যদি বারবার বাইরের বাতাস লাগে, তবে তা বেশিদিন ভালো থাকবে না।
রান্না করা মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও একটু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। রান্না করা মাংস সবসময় ছোট ছোট বাক্সে রাখুন। বড় বাক্সে একসাথে অনেক মাংস রাখলে তা ফ্রিজ থেকে বারবার বের করতে হয়। ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করার পর তা আবার ফ্রিজে রাখলে মাংসের আসল স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
সবশেষে পুষ্টিগুণের কথাটি মাথায় রাখা দরকার। যদিও ফ্রিজে সঠিক নিয়মে মাংস অনেক দিন রাখা যায়, তবে এর পুষ্টি বজায় রাখতে হলে এক মাসের মধ্যে মাংস খেয়ে ফেলা ভালো। দীর্ঘ সময় ফ্রিজে থাকলে মাংসের স্বাদ ও পুষ্টি উপাদান ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

কোরবানির ঈদে মাংস সংরক্ষণ করা অনেকের জন্যই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এখন ফ্রিজ থাকায় কাজটা আগের চেয়ে অনেক সহজ। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ফ্রিজে মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে এর মান ঠিক থাকে।
ফ্রিজে রাখলেই যে মাংস অনেক দিন ভালো থাকবে, বিষয়টা তেমন নয়। সঠিক তাপমাত্রার ওপর মাংস ভালো থাকার সময়কাল নির্ভর করে। ফ্রিজে সাধারণত গরুর কাঁচা মাংস ৫ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। খাসির মাংসের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ৪ থেকে ৫ মাস।
তবে পশুর কলিজা বেশি দিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কলিজা দ্রুত রান্না করে খেয়ে ফেলা উচিত। এছাড়া উট ও মহিষের মাংস ফ্রিজে ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত ভালো রাখা যাবে। আর ভেড়ার মাংস সংরক্ষণ করা যাবে ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত।
এতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে মাংস ভালো রাখার তাপমাত্রা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফ্রিজে মাংস রাখার সময় তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না, সেদিকে নজর রাখতে হবে। জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।
ফ্রিজের ভেতরে যে বক্স থাকে, সেখানে সরাসরি খোলা মাংস রাখবেন না। মাংস সবসময় প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখা উচিত। প্লাস্টিকের ব্যাগ বা ফয়েল পেপারে রাখলে ভেতরের বাতাস বের হয়ে যায়। প্যাকেটে বাতাস ঢুকলে সেখানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। এ ছাড়া চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা প্যাকেটে রাখতে পারেন।
মাংস ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে ধুয়ে নিলে ভালো হয়। ধোয়ার পর মাংসের পানি ঝরিয়ে তারপর ফ্রিজে রাখুন। পানি ভালো করে না ঝরিয়ে ফ্রিজে রেখে দিলে মাংস দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরেকটি বিষয় মাংসের টুকরোর আকার। মাংস ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে টুকরোগুলো একটু বড় বড় করে রাখা ভালো। কারণ ছোট টুকরো করলে তার মধ্যে অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে। ফ্রিজে রাখার আগে মাংস থেকে রক্ত, চর্বি ও পানি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এগুলো থাকলে মাংসে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটে।
মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং এর সমস্যা হলে ফ্রিজের দরজা প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা খুলবেন না। কারণ মাংস পুরোপুরি শক্ত বা বরফ হওয়ার আগেই যদি বারবার বাইরের বাতাস লাগে, তবে তা বেশিদিন ভালো থাকবে না।
রান্না করা মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও একটু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। রান্না করা মাংস সবসময় ছোট ছোট বাক্সে রাখুন। বড় বাক্সে একসাথে অনেক মাংস রাখলে তা ফ্রিজ থেকে বারবার বের করতে হয়। ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করার পর তা আবার ফ্রিজে রাখলে মাংসের আসল স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
সবশেষে পুষ্টিগুণের কথাটি মাথায় রাখা দরকার। যদিও ফ্রিজে সঠিক নিয়মে মাংস অনেক দিন রাখা যায়, তবে এর পুষ্টি বজায় রাখতে হলে এক মাসের মধ্যে মাংস খেয়ে ফেলা ভালো। দীর্ঘ সময় ফ্রিজে থাকলে মাংসের স্বাদ ও পুষ্টি উপাদান ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৯ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১ দিন আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১ দিন আগে