সবার চোখ যখন ইরান-লেবাননে, ফিলিস্তিনে তখন কী ঘটছে

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ২৭
স্ট্রিম গ্রাফিক

বিশ্বের মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এবং লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলার দিকে। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের গাজায় ছয় মাস আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি স্থিতিশীলতা আনতে পারেনি। পরিস্থিতি এখনো অস্থির ও অনিশ্চিত। মানবিক ও নিরাপত্তা অবস্থারও কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। সেখানে টেকসই শান্তির কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতির ছয় মাস পরও ফিলিস্তিনিরা নিরাপদ নয়। বিশ্লেষক পিটার বেইনার্ট গাজা পরিস্থিতিকে ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মনোযোগ পুনরায় ফিলিস্তিন ইস্যুর দিকে না ফিরলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে এবং মানবিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

চুক্তি লঙ্ঘন

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি দুই বছরব্যাপী ভয়াবহ যুদ্ধের পর সম্পন্ন হয়। ওই যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। এই চুক্তিকে যুদ্ধের অবসান ও পুনর্গঠনের সূচনা হিসেবে দেখা হয়েছিল।

চুক্তির মূল শর্ত ছিল তাৎক্ষণিক ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি। এতে স্থল ও আকাশপথে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাতে বেসামরিক মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ কমানো যায়।

চুক্তিতে মানবিক সহায়তা বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে রাফাহ সীমান্তসহ বিভিন্ন ক্রসিং নিয়মিত খোলা রাখা, মানুষের চলাচলে কিছুটা স্বাধীনতা দেওয়া এবং প্রতিদিন শত শত ট্রাকে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি প্রবেশ নিশ্চিত করার কথা ছিল। একই সঙ্গে এসব সহায়তা যেন গাজার সব এলাকায় বাধাহীনভাবে পৌঁছায়, সে বিষয়েও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল।

এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনার একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। এতে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ, ধাপে ধাপে বন্দিবিনিময় এবং চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

কিন্তু ছয় মাস পরও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন ও মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, এসব প্রতিশ্রুতির বেশির ভাগই বাস্তবায়িত হয়নি। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়নি, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার হয়নি এবং ত্রাণ সরবরাহ নির্ধারিত মাত্রার নিচেই রয়েছে। সীমান্ত ক্রসিংগুলোও অনিয়মিতভাবে চালু রাখা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির সময় ৭০০ জনকে হত্যা

চুক্তি কার্যকর থাকার সময়েও সহিংসতা বন্ধ হয়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৩টির বেশি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমান হামলা, গুলিবর্ষণ এবং স্থল অভিযান।

শুধু যুদ্ধবিরতির প্রথম কয়েক সপ্তাহেই প্রায় ৪৯৭টি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে, যাতে ৩৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। ডিসেম্বর নাগাদ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭৯ জনে দাঁড়ায় এবং আহত হন ৯৯২ জন।

পরবর্তী মাসগুলোতে সহিংসতার মাত্রা কিছুটা কমলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। নিয়মিতভাবে বিমান হামলা ও গুলিতে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। স্কুল ও আবাসিক এলাকার কাছেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর নজরদারি বা প্রয়োগ ব্যবস্থা নেই এবং তা নিশ্চিত করার মতো কোনো শক্তিশালী গ্যারান্টিও অনুপস্থিত।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভূমি দখল জোরদার করছে। তাদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে সহিংসতা ২০২৫ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মানবিক চাহিদা: উচ্চ ব্যয়, স্বল্প সরবরাহ

মানবিক পরিস্থিতিও অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর খাদ্য সহায়তা কিছুটা বাড়লেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৬০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা থাকলেও বাস্তবে তা অনেক কম ছিল এবং এখনো অনিয়মিতভাবে চলছে।

দুই বছরব্যাপী যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থার যে বড় ধস নেমেছিল, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। ফলে খাদ্যবাজার ও পণ্যের দাম স্থিতিশীল হয়নি।

জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় খাদ্য সরবরাহে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ব্যাপক খাদ্যসংকট, অপুষ্টি এবং দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যুদ্ধবিরতির পরও সেই প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিছু খাদ্য সহায়তা এলেও সরবরাহের অনিয়ম এবং বিতরণ সমস্যার কারণে প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। এতে খাদ্যের ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

জাতিসংঘ বারবার অবাধ ত্রাণ প্রবেশের আহ্বান জানিয়ে আসছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, সীমান্ত ও বিতরণ ব্যবস্থার ওপর বিধিনিষেধ থাকায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছে না।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের প্রভাবে গাজা উপত্যকার মানবিক পরিস্থিতি সম্প্রতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই সময়ের আঞ্চলিক উত্তেজনা গাজার পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই সংঘাতের কারণে সীমান্ত চলাচল এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে।

সাময়িকভাবে সীমান্ত বন্ধ থাকা এবং পণ্য পরিবহন কমে যাওয়ায় ত্রাণ প্রবাহ ও যাতায়াত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারি সূত্র বলছে, এতে গাজা যুদ্ধবিরতির বিভিন্ন শর্ত বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে ত্রাণ প্রবেশ এবং সীমান্ত দিয়ে মানুষের চলাচল।

মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, পরিকল্পিত ২৩ হাজার ৪০০টি ত্রাণবাহী ট্রাকের বিপরীতে মাত্র ৪ হাজার ৯৯৯টি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে, যা মোট লক্ষ্যের মাত্র ২১ শতাংশ। একইভাবে ৭ হাজার ৮০০ মানুষের পরিবর্তে মাত্র ৬২৫ জন সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি পেয়েছে, যা মাত্র ৮ শতাংশ বাস্তবায়ন নির্দেশ করে।

ত্রাণ সরবরাহ কমে যাওয়ায় খাদ্যের সংকট তীব্র হয়েছে। সীমিত সরবরাহ এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে।

ইরান যুদ্ধ চলাকালেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয়নি। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ৪৩৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০৪ জন নিহত এবং ৩৪১ জন আহত হয়েছেন।

চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক রয়ে গেছে। অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর রাফাহ ক্রসিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়। চুক্তিতে সীমান্ত খোলা ও চলাচল সহজ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। ফেব্রুয়ারিতে আংশিকভাবে রাফাহ ক্রসিং চালু হলেও সেখানে চলাচল কঠোরভাবে সীমিত রাখা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথম কয়েক সপ্তাহে মাত্র কয়েকশ রোগী গাজা থেকে চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে পেরেছেন। অথচ ২০ হাজারের বেশি রোগীর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমান হারে রোগী সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া এত ধীর যে সব রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। ফলে হাজারো গুরুতর রোগী গাজার ভেতরেই অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

পুনর্গঠন কার্যক্রমও বড় ধরনের বাধার মুখে রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইস্পাত, সিমেন্ট এবং ভারী যন্ত্রপাতির মতো পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা বা কঠোর নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিলম্বিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ত্রাণ সরবরাহের ক্ষেত্রেও জটিল পরিদর্শন প্রক্রিয়া এবং একাধিক সীমান্ত ব্যবহার করার কারণে কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে, এমনকি যখন ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় তখনও। বর্তমান পরিস্থিতি গাজায় চলমান মানবিক সংকটকে আরও দীর্ঘায়িত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

‘ইয়েলো লাইন’ ঘিরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ জোরদার

গাজায় যুদ্ধবিরতির ছয় মাস পরও ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার হয়নি। বরং বাস্তবে একটি নতুন বিভাজনরেখা, যাকে “ইয়েলো লাইন” বলা হচ্ছে, সেটির মাধ্যমে ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের তথ্য ও জাতিসংঘ-সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরায়েল বর্তমানে গাজার প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ এলাকার ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এর মধ্যে রাফাহ, খান ইউনিস এবং উত্তর গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উল্লেখিত পূর্ণ প্রত্যাহারের শর্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

ওচা এবং অন্যান্য মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই “ইয়েলো লাইন” কোনো স্থায়ী সীমান্ত নয়। এটি একটি পরিবর্তনশীল বাফার জোন, যা কখনো হলুদ চিহ্ন বা অস্থায়ী বাধা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি মাটিতে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়, ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নিজেদের বাড়ি বা কৃষিজমিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করা বেসামরিক মানুষ এই অস্পষ্টতার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। জাতিসংঘ ও চিকিৎসা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই লাইনের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান বা পারাপারের চেষ্টা করতে গিয়ে স্বল্প সময়েই অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া শত শত মানুষ আহত হয়েছেন।

‘যুদ্ধ নয়, শান্তিও নয়’

ছয় মাস আগে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আন্তর্জাতিক উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল, তা বাস্তবে প্রত্যাশিত ফল দিতে পারেনি। আন্তর্জাতিকভাবে একটি “বোর্ড অব পিস” এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হলেও গাজার মানুষের জন্য এটি এখনো স্থায়ী সমাধান হয়ে ওঠেনি।

বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেকেই “যুদ্ধ নয়, শান্তিও নয়”—এমন একটি অবস্থার সঙ্গে তুলনা করছেন। সহিংসতার মাত্রা কিছুটা কমলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। একই সঙ্গে কোনো কার্যকর রাজনৈতিক সমাধান বা মানবিক স্থিতিশীলতাও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

পুনর্গঠন কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি এবং মানুষের জীবনযাত্রার অবস্থার খুব বেশি উন্নতি ঘটেনি। দুই মিলিয়নের বেশি মানুষ এখনো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।

এই সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গাজা ইস্যুর কভারেজও কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক মনোযোগ অন্যদিকে সরে গেছে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, বড় আঞ্চলিক সংঘাত প্রায়ই অন্য সংকটগুলোর ওপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়, যদিও বাস্তবে সেসব সংকটের তীব্রতা কমে না।

সার্বিকভাবে, গাজায় যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে। এটি চূড়ান্ত সমাধানের পরিবর্তে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হিসেবেই রয়ে গেছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান, মিডল ইস্ট আই

সম্পর্কিত