এক্সপ্লেইনার
কাজী নিশাত তাবাসসুম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরানে সামরিক যুদ্ধে জড়ানো উচিত হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের। বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের কথা টেনে বলেন, ‘আমাদের প্রথমেই সেখানে যাওয়া উচিত হয়নি।’ এরপর তিনি বলেন, ‘আমাদের ইরানেও যুদ্ধে জড়ানো উচিত হয়নি।’
এখানেই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। ট্রাম্প যদি নিজেই মনে করেন ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জড়ানো ভুল ছিল, তাহলে তার প্রশাসন কেন এখনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে? কেন যুদ্ধ বন্ধ না করে তিনি একদিকে যুদ্ধের সমালোচনা করছেন, অন্যদিকে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন? ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আপাতবিরোধী অবস্থানের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশল, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের জটিল সমীকরণ।
যুদ্ধবিরোধী রাজনীতির ওপর ট্রাম্পের উত্থান
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরে আসছেন। তিনি বারবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ইরাক যুদ্ধকে ‘বড় ভুল’ এবং ‘বিপর্যয়কর সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক ব্র্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশি সংঘাতে কম জড়ানো এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এই অবস্থান তাঁকে যুদ্ধক্লান্ত মার্কিন ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। তাই ইরান প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক মন্তব্যে তিনি আবারও ইরাক যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগের অনেক সামরিক হস্তক্ষেপ ভুল ছিল।
তাহলে ইরান হামলার যৌক্তিকতা কোথায়
সমালোচকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে হামলা না চালালে দেশটি এখন পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়ে যেত। তাঁর মতে, নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে হামলা না হলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত। অর্থাৎ ট্রাম্পের যুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না, কিন্তু নিরাপত্তাগত কারণে তা অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। এই দ্বৈত বক্তব্য তাঁর অবস্থানকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।
বদলে যাওয়া ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাখ্যা শুরুতে একরকম ছিল না। বিভিন্ন সময়ে হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন এবং ট্রাম্প নিজে যুদ্ধের ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যের কথা বলেছেন। কখনো বলা হয়েছে পারমাণবিক হুমকি ঠেকানোই লক্ষ্য, কখনো বলা হয়েছে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা প্রয়োজন, আবার কখনো ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে যুদ্ধ-পরবর্তী সুস্পষ্ট কৌশল ছিল না এবং এখনো সেই কৌশল স্পষ্ট নয়।
যুদ্ধকে ‘যুদ্ধ’ বলতে অনীহা
ট্রাম্পের অবস্থানের আরেকটি দিক হলো শব্দের ব্যবহার। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি একাধিকবার বলেছেন যে তিনি ইরান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে চান না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রশ্ন উঠে আসে। তাই তিনি অনেক সময় সামরিক অভিযান বা মিলিটারি অপারেশন শব্দ ব্যবহার করেছেন। তবে একই সময়ে তিনি নিজেই আবার প্রকাশ্যে ‘ইরান যুদ্ধ’ শব্দও ব্যবহার করেছেন, যা তার অবস্থান নিয়ে আরও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক বাস্তবতা কি ট্রাম্পকে আটকে রেখেছে
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন একটি রাজনৈতিক দ্বিধার মধ্যে রয়েছেন। যদি তিনি যুদ্ধকে সম্পূর্ণ ভুল বলে স্বীকার করেন, তাহলে তাঁর প্রশাসনের সামরিক সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আবার যদি তিনি যুদ্ধকে পুরোপুরি সমর্থন করেন, তাহলে ‘অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের বিরোধী’ অর্থাৎ যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে গড়ে তোলা নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে তিনি এমন একটি অবস্থান নিয়েছেন যেখানে অতীতের হস্তক্ষেপকে ভুল বলছেন, কিন্তু বর্তমান সামরিক পদক্ষেপকে প্রয়োজনীয় বলে ব্যাখ্যা করছেন। এই অবস্থান তাঁকে একই সঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোটার, অন্যদিকে বিদেশি যুদ্ধে ক্লান্ত জনগোষ্ঠী।
মিত্রদের সঙ্গেও টানাপোড়েন
ইরান যুদ্ধ ঘিরে ট্রাম্পের বক্তব্য শুধু প্রতিপক্ষদের নয়, মিত্রদেরও বিভ্রান্ত করেছে। কখনো তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধে অন্য দেশের সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আবার কখনো অভিযোগ করেছেন যে মিত্র দেশগুলো যথেষ্ট সমর্থন দেয়নি। এই পরস্পরবিরোধী বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশ্ন তৈরি করেছে, আসলে ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কী?
সামনে কী
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে সামরিক চাপ বজায় রাখছে, অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রাখার কথা বলছে। ট্রাম্প নিজে বারবার দাবি করেছেন যে একটি সমঝোতা চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালোভাবে সমাধান হবে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে মার্কিন জনমতের একটি বড় অংশ নতুন কোনো দীর্ঘস্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ চায় না।
প্রশ্নটি এখন আর শুধু ‘ট্রাম্প কী বলেছেন’ তা নয়; বরং তিনি কেন একই সঙ্গে যুদ্ধের সমালোচনা এবং যুদ্ধের নেতৃত্ব দুটোই করছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এর উত্তর খুঁজতে হলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিচয়, নির্বাচনী হিসাব এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে বর্তমান ইরান সংকটে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরানে সামরিক যুদ্ধে জড়ানো উচিত হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের। বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের কথা টেনে বলেন, ‘আমাদের প্রথমেই সেখানে যাওয়া উচিত হয়নি।’ এরপর তিনি বলেন, ‘আমাদের ইরানেও যুদ্ধে জড়ানো উচিত হয়নি।’
এখানেই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। ট্রাম্প যদি নিজেই মনে করেন ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জড়ানো ভুল ছিল, তাহলে তার প্রশাসন কেন এখনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে? কেন যুদ্ধ বন্ধ না করে তিনি একদিকে যুদ্ধের সমালোচনা করছেন, অন্যদিকে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন? ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আপাতবিরোধী অবস্থানের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশল, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের জটিল সমীকরণ।
যুদ্ধবিরোধী রাজনীতির ওপর ট্রাম্পের উত্থান
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরে আসছেন। তিনি বারবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ইরাক যুদ্ধকে ‘বড় ভুল’ এবং ‘বিপর্যয়কর সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক ব্র্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশি সংঘাতে কম জড়ানো এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এই অবস্থান তাঁকে যুদ্ধক্লান্ত মার্কিন ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। তাই ইরান প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক মন্তব্যে তিনি আবারও ইরাক যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগের অনেক সামরিক হস্তক্ষেপ ভুল ছিল।
তাহলে ইরান হামলার যৌক্তিকতা কোথায়
সমালোচকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে হামলা না চালালে দেশটি এখন পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়ে যেত। তাঁর মতে, নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে হামলা না হলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত। অর্থাৎ ট্রাম্পের যুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না, কিন্তু নিরাপত্তাগত কারণে তা অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। এই দ্বৈত বক্তব্য তাঁর অবস্থানকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।
বদলে যাওয়া ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাখ্যা শুরুতে একরকম ছিল না। বিভিন্ন সময়ে হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন এবং ট্রাম্প নিজে যুদ্ধের ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যের কথা বলেছেন। কখনো বলা হয়েছে পারমাণবিক হুমকি ঠেকানোই লক্ষ্য, কখনো বলা হয়েছে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা প্রয়োজন, আবার কখনো ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে যুদ্ধ-পরবর্তী সুস্পষ্ট কৌশল ছিল না এবং এখনো সেই কৌশল স্পষ্ট নয়।
যুদ্ধকে ‘যুদ্ধ’ বলতে অনীহা
ট্রাম্পের অবস্থানের আরেকটি দিক হলো শব্দের ব্যবহার। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি একাধিকবার বলেছেন যে তিনি ইরান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে চান না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রশ্ন উঠে আসে। তাই তিনি অনেক সময় সামরিক অভিযান বা মিলিটারি অপারেশন শব্দ ব্যবহার করেছেন। তবে একই সময়ে তিনি নিজেই আবার প্রকাশ্যে ‘ইরান যুদ্ধ’ শব্দও ব্যবহার করেছেন, যা তার অবস্থান নিয়ে আরও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক বাস্তবতা কি ট্রাম্পকে আটকে রেখেছে
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন একটি রাজনৈতিক দ্বিধার মধ্যে রয়েছেন। যদি তিনি যুদ্ধকে সম্পূর্ণ ভুল বলে স্বীকার করেন, তাহলে তাঁর প্রশাসনের সামরিক সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আবার যদি তিনি যুদ্ধকে পুরোপুরি সমর্থন করেন, তাহলে ‘অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের বিরোধী’ অর্থাৎ যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে গড়ে তোলা নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে তিনি এমন একটি অবস্থান নিয়েছেন যেখানে অতীতের হস্তক্ষেপকে ভুল বলছেন, কিন্তু বর্তমান সামরিক পদক্ষেপকে প্রয়োজনীয় বলে ব্যাখ্যা করছেন। এই অবস্থান তাঁকে একই সঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোটার, অন্যদিকে বিদেশি যুদ্ধে ক্লান্ত জনগোষ্ঠী।
মিত্রদের সঙ্গেও টানাপোড়েন
ইরান যুদ্ধ ঘিরে ট্রাম্পের বক্তব্য শুধু প্রতিপক্ষদের নয়, মিত্রদেরও বিভ্রান্ত করেছে। কখনো তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধে অন্য দেশের সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আবার কখনো অভিযোগ করেছেন যে মিত্র দেশগুলো যথেষ্ট সমর্থন দেয়নি। এই পরস্পরবিরোধী বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশ্ন তৈরি করেছে, আসলে ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কী?
সামনে কী
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে সামরিক চাপ বজায় রাখছে, অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রাখার কথা বলছে। ট্রাম্প নিজে বারবার দাবি করেছেন যে একটি সমঝোতা চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালোভাবে সমাধান হবে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে মার্কিন জনমতের একটি বড় অংশ নতুন কোনো দীর্ঘস্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ চায় না।
প্রশ্নটি এখন আর শুধু ‘ট্রাম্প কী বলেছেন’ তা নয়; বরং তিনি কেন একই সঙ্গে যুদ্ধের সমালোচনা এবং যুদ্ধের নেতৃত্ব দুটোই করছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এর উত্তর খুঁজতে হলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিচয়, নির্বাচনী হিসাব এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে বর্তমান ইরান সংকটে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব।

আবারও অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রোববার (৩১ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা করে বৃদ্ধি পাবে।
২ ঘণ্টা আগে
পোপ লিও চতুর্দশ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে অবশ্যই ‘নিরস্ত্রীকরণ’ করতে হবে। তিনি এমন এক সময়ে কথাটি বললেন, যখন বিশ্বের সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যুদ্ধসহ মানবজীবনের নানা ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে চলেছে।
২ ঘণ্টা আগে
কোরবানি ঈদ এলেই দেশের চামড়াশিল্প ঘিরে আলোচনা শুরু হয়। সরকার প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে এবং আগের বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বাড়িয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অনেক এলাকায় চামড়ার কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে বিক্রেতারা ক্ষোভে চামড়া ফেলে দিয়েছেন নদী-খালে কিংবা মাটিতে পুঁতে ফেলে
৩ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ভারত-পাকিস্তান বিভাজন, দ্বিজাতিতত্ত্ব এবং বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা যাচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে